পরামর্শক ফি-বৈধ দুর্নীতি বা জালিয়াতি-পদ্মা সেতু দুর্নীতি”

পরামর্শক ফিকে-অনেক ক্ষেত্রে বৈধ দুর্নীতি বা জালিয়াতি বলা যায়। বিদেশী বা আন্তর্জাতিক ঠিকাদার, টার্নকী প্রকল্পে, বড় প্রকল্পে কন্সাল্টিং ফার্ম রাখা হয়। কন্সাল্টিং ফার্মের প্রধান কাজ কার্যাদেশের শর্ত মোতাবেক ঠিকাদার কাজ করছে কিনা তা দেখা বা তদারক করা। প্রকৃতপক্ষে সিংহভাগ ক্ষেত্রেই তারা(কন্সাল্টিং ফার্ম) সেটা করেনা। কেননা কাজের ভাল মন্দের দায়িত্ব সবসময় ঠিকাদার ও গ্রাহকপক্ষের তথা সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদেরই থাকছে। নির্ধারিত কন্সাল্টিং ফি এর সাথে তদারক করার নামে তারা ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ খাচ্ছে। ঘুষ না পেলেই তারা আপত্তি তুলবে, যেখানে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তারা তাদের(কন্সাল্টিং ফার্ম) কাছে জিম্মি।

সাধারন ঠিকাদারী কাজে হর্তাকর্তা সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তারা। কিন্তু কন্সাল্টিং ফার্ম সংশ্লিষ্ট কাজে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদের হর্তাকর্তা হচ্ছে  কন্সাল্টিং ফার্ম। এরা পরামর্শের নামে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদের মাথায় চড়ে বসে। সকলের বস্ বা গুরু হয়ে যায়। কন্সাল্ট্যান্ট মানে বিনা কষ্টে বিনা পুঁজিতে ব্যবসা, মাতব্বরী, খবরদারী।

১০-২০-৩০হাজার কোটি টাকার পদ্মাসেতুর কাজের জন্য কোন তদবীর বা তা পাওয়ার জন্য কোন চেষ্টা হয়নি। কিন্তু মাত্র ৩শ’ কোটি টাকার কন্সালট্যান্সি কাজের জন্য তদবীর হয়েছে, যা “পদ্মা সেতু দুর্নীতি” নামে দেশে বিদেশে আলোড়ন সৃস্টি করেছিল। কারন কি? কারন উপরে বর্ননা করা হয়েছে।

Related posts