বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের সিংহভাগ বিচারক কাফের

জাতিধর্ম নির্বিশেষে পৃথিবীতে বিচারকের মর্যাদা সবার উপরে। পবিত্র কোরআন শরীফে বিচারকদেরকে বলা হয়েছে আল্লাহর ছায়া। পূর্ববর্তী পর্ব “ন্যায়বিচার ন্যায়ভিত্তিক সমাজের অনুষঙ্গ” , সংবিধান, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের আদেশ  এবং প্রচলিত আইন মোতাবেক বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের সিংহভাগ বিচারক কাফের। ধর্মকে বা আল্লাহকে বিশ্বাস করা কোন মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু কাফেরদের মধ্যেও তাদের সমাজে ন্যায়নীতি আছে। উন্নত বিশ্বের উন্নত ন্যায়নীতির দেশের প্রায় সকলেই কাফের(ইসলাম ধর্মানুসারে)।

আড়াই হাজার বছর পূর্বের চানক্য বা তারও বহু পূর্ব হতে বিভিন্ন কায়দায় ঘুষ চালু আছে। এপ্রচলিত নেশায়(ঘুষ খাওয়া বা ইউরোপ আমেরিকা, মালয়েশিয়ার কায়দায় স্পীডমানি) আসক্ত হয়ে  কেহ ঘুষ খায়। বিচারকরাও মানুষ, তারাও ঘুষ খেতে পারে, চাইতে পারে।(এর অর্থ এ নয় যে, আমরা ঘুষকে সমর্থন করছি। ঘুষকে বা দুর্নীতিকে নিরুৎসাহিত করার জন্য দুদক সৃষ্টি করা হলেও তাদের সিংহভাগই ঘুষ খায়, অন্ততঃ আমাদের দেখামতে এবং বাংলাদেশে পর্বত প্রমান দুর্নীতি হচ্ছে) ঘুষ খেয়ে তারা অপরাধীকে অব্যাহতি দিতেও পারে। কিন্তু নিরপরাধীকে অবশ্যই ফাঁসাবেনা বা হয়রানী করবেনা। মাননীয় বিচারপতিদের অনেকেই DLR-এ প্রবন্ধ লিখে পরোক্ষভাবে এটা স্বীকার করে বলেছেন যে, ৯(নয়)জন অপরাধী অব্যাহতি পেলেও ১(এক)জন নির্দোষ লোকও যাতে ফেঁসে না যায় বা হয়রানীর শিকার না হয়।

কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, অনেক বিচারকই ঘুষ খেয়ে  শুধু অপরাধীকে অব্যাহতি দেয়না, ঘুষ না পেয়ে নিরপরাধীকে ফাঁসিয়ে দেয় ও হয়রানী করে। এধরনের বিচারকরা কাফেরের চেয়েও অধম। যারা কাফেরের চেয়েও অধম তারা মানুষ নহে, হায়ওয়ান জানোয়ার।

যে দেশে বিচারকের আসনে কাফের এবং হায়ওয়ান জানোয়ার বসে আছে, পৃথিবী উল্টে যেতে পারে, সে দেশের উন্নতি হবেনা। যেটুকু উন্নতি হচ্ছে, সেটুকু  কিছু ভাল লোকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল। বিচারকের আসনে কাফের এবং হায়ওয়ান জানোয়ার না থাকলে এদেশ বহু পূর্বেই সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার মত উন্নত হয়ে যেত।

Related posts