কমলগঞ্জে বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণে অনিয়ম।

একটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিকে ০৭-১১-২০১৭ইং তারিখে উপরোক্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ থেকে দেখা যায় যে, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের একটি গ্রামে বিদ্যুতায়নে দুর্নীতির অভিযোগ। এরূপ অভিযোগ শুধু কমলগঞ্জেই নহে, বরং সারা বাংলাদেশে। এসব অভিযোগ শুধু অভিযোগই নহে, বরং সত্য, তা অন্যস্থানীয় জনৈক এমপি, অফিস খরচের নামে প্রকাশ্যে স্বীকারই করেছেন। এসব অফিস খরচ যে তার মত(এমপি) অন্যরাও পান তাতে আর সন্দেহ নেই।

নূতন বিদ্যুতায়ন, বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুতায়নের যখন পরিকল্পনা হয়, তখন পূরো উপজেলা, পূরো ইউনিয়ন একসাথে নাহোক, কোন গ্রাম হলে কোন বিশেষ বাড়ী বাদ দিয়ে হয়না, পূরো গ্রামের জন্যই পরিকল্পনা, নক্সা হয়। বিশেষ কোন রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক তদবীর ব্যতীত বা বিশেষ কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, সুপারমার্কেট, ইত্যাদি রাজস্বের বিবেচনায় লাভজনক প্রতিষ্ঠান হলে ভিন্ন বিষয়।

কিন্তু অসৎ স্টাফ অফিসাররা কারসাজি করে দালালের মাধ্যমে প্রচার করে যে, অমুক বাড়ী বা অমুক পাড়া বা গ্রামের অমুক এলাকা তাদের পরিকল্পনায়, তালীকায় বা নক্সায় নাই, ইত্যাদি, ইত্যাদি। এসব কারসাজি বা দুর্নীতির সাথে সমিতি ও বোর্ডের স্থানীয় ও উর্ধতন অনেক অফিসার জড়িত থাকে।

কোন গ্রামে বিদ্যুতায়ন শুরু হলে, সাধারনতঃ সে গ্রামের কেহই যে, পরিকল্পনার আওতার বাহিরে নহে, ইহাই সাধারন মানুষ জানেনা। সাধারন মানুষের তথ্যের এই অজ্ঞতাই সরকারী অফিসারদের দুর্নীতির অন্যতম বড় হাতিয়ার।

Related posts