দুর্নীতিবাজ, নিষ্ঠুর সিজোফ্রেনিক এবং নার্সিসিস্ট

 

ক।২৬ অক্টোবর ২০১৪-নিষ্ঠুর সিজোফ্রেনিয়া – প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা।

খ।-১১ অক্টোবর ২০১৪-২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ এ রোগে ভুগছে ; সিজোফ্রেনিয়া নিয়ে বাঁচতে শিখি ।- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আজিজুল ইসলাম।

গ।জানুয়ারি ১২, ২০১৫, সোমবার : পৌষ ২৯, ১৪২১

রাজনৈতিক দলের চিন্তাচেতনায় নারসিসিজমের বৈশিষ্ট্য

……………………..তাই মনোবিজ্ঞানে মানব চরিত্রের বৈশিষ্ট্যকে Narcissism নামে আখ্যায়িত করা হয়। যার অর্থ হল আপন মোহে মুগ্ধ অপরের প্রতি সহমর্মিতার অভাব থাকা। অনেকটা স্বার্থপরের কাছাকাছি। চরিত্রের মানুষরা একান্ত আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকে। অপরের প্রতি কোনো শ্রদ্ধাসম্মান প্রদর্শন করে না। অন্যের মতামতের কোনো মূল্যায়ন করে না। শুধু তার প্রশংসাকারীদের সে অসম্ভব আপনজন ভেবে থাকে। এরা নিজেদের কর্মকাণ্ডে নিজেরাই অভিভূত হয়ে থাকে, অপরের অর্জনগুলোকে খাটো করার সর্বাত্মক প্রয়াস চালায়। নিজেদের কাজের বিন্দুমাত্র সমালোচনা সহ্য করতে পারে না, এমনকি তার কাজের প্রশংসা না করলে সেসব ব্যক্তির প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ প্রকাশ করে থাকে। এরা নিজেদের সব কাজের কাজি ভাবতে শুরু করে।……………… 

ঘ।-শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৫-মানসিক সমস্যা চিকিত্সকদের সবচেয়ে বেশি!

ডা. মোড়ল নজরুল ইসলাম-………কম বেশি মানসিক সমস্যা বা মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা সব পেশার লোকদেরই থাকে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এবার অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত এক গবেষণা জরিপে দেখা গেছে, চিকিত্সক ও মেডিক্যাল স্টুডেন্টরা সবচেয়ে বেশি মানসিক সমস্যায় ভোগেন। গবেষণা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, প্রতি ৫ জন মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের মধ্যে ১ জনের এবং প্রতি ১০ জন চিকিত্সকের মধ্যে ১ জনের আত্মহত্যার চিন্তার প্রবণতা রয়েছে এবং শতকরা ৪ ভাগ চিকিত্সক প্রবল মানসিক সমস্যার শিকার। ……………এ ব্যাপারে বেয়ন্ড ব্লুর প্রধান নির্বাহী কেট কারনেল মনে করেন, চিকিত্সকদের অনেকের প্রবল মানসিক সমস্যা থাকলেও তা তারা স্বীকার করতে চান না এবং চিকিত্সকগণ পরামর্শ নেয়া থেকে বিরত থাকেন। মানসিক সমস্যার শিকার ৫৯ ভাগ চিকিত্সকরা মনে করেন, অন্যকোন চিকিত্সকের কাছে যাওয়া আরও বেশি বিব্রতকর। মিসেস কারনেল মনে করেন, যে সব চিকিত্সকদের মানসিক সমস্যা আছে এবং যারা হতাশা উদ্বেগ নিয়ে থাকেন তারা অন্যের ভালো চিকিত্সা কিভাবে দেবেন। তাই ইস্যুটি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

পত্রিকার সংবাদে আরও দেখা যায় বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১৬.১% মানসিক রোগাক্রান্ত।(কৃতজ্ঞতা প্রকাশঃ-আমাদের সময়, যুগান্তর, ইত্তেফাক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন)।

 

প্রশাসক, বিচারক, দুদক কর্মকর্তা-এরা সমাজের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ও সবচেয়ে মর্যাদাবান ব্যক্তি বা সংস্থা। এদের কাজ সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি রোধ করা, দূর করা। এদেরকে আমি ইমাম-মৌলভী-মাওলানা, সাধু-সন্ন্যাসী, পুরোহিত, পাদ্রীর মত মনে করতাম। ইমাম-মৌলভী-মাওলানা, সাধু-সন্ন্যাসী, পুরোহিত, পাদ্রীরা যেহেতু মানুষ, তাই তাদেরও একটু আধটু দোষ-ত্রুটী থাকতেই পারে। একইভাবে প্রশাসক, বিচারক, দুদক কর্মকর্তাদেরও একটু আধটু দোষ-ত্রুটী থাকতে পারে। কিন্তু এদের(প্রশাসক, বিচারক, দুদক কর্মকর্তাদের)দ্বারাও সর্বশেষ আমি যে নির্যাতন, হয়রানী, নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছি এবং এখনও হচ্ছি, তার তূলনায় অতীতের সকল নির্যাতন, হয়রানী, নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা কিছুই নহে। আমার নিজের অভিজ্ঞতা, অনেকের সাথে কথা বলে তাদের অভিজ্ঞতা, পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত অন্য মানুষের অভিজ্ঞতা, প্রায় অনুরূপ। অর্থাৎ প্রশাসক, বিচারক, দুদক কর্মকর্তাদের(সবাই নহে) কারও কারও দ্বারা এদেশের কোটি কোটি লোক চরম নির্যাতন, হয়রানী, নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছে।

উচ্চশিক্ষিত, উচ্চপদস্থ, উচ্চবিত্তের এসব লোক, বাইরে ফ্যাসনদুরস্ত, ভদ্রতা, নম্রতা, ভালোমানুষীর আড়ালে অবৈধ অর্থ-স্বার্থের জন্য  কত ইতর, নীচ, নির্মম, নিষ্ঠুর হতে পারে, তাদের মুখোশ উম্মোচন করাই আমার এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।

Related posts