মাননীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি খোলা চিঠি।

মাননীয় মহোদয়,

আসসালামুআলাইকুম। আপনাদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করি। ধর্ম-বর্ন নির্বিশেষে সকলের জন্য সৃষ্টি কর্তার আশির্বাদ প্রার্থী।

জনাব, পাকিস্তান আমল বা তারও পূর্ব থেকে  অদ্যাবধি শুনে ও দেখে আসছি যে, ভোটপ্রার্থীগন, যিনি বা যারা ঘৃনায় কারও সাথে কথা বলতেন না, ভোটের(নির্বাচন বা ইলেকসন) আগে তাদের বাড়ী ঘরে গিয়ে কোলাকুলিও করেছেন। আবার ভোট শেষ হওয়ার পরে নির্বাচিত অনির্বাচিতগন পরবর্তী ভোটের আগে ওমুখো হননি বা কোন খোঁজ খবর রাখেননি। কেহ এলাকায় গেলে বা ভোটারদের সাথে যোগাযোগ করলেও কেহ নানা অপরাধে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েন। আবার কেহ কোন অপরাধ না করেও পাঁতি নেতা-কর্মীদের অপরাধের দায়ভার বা অপবাদ ঘাড়ে পড়ে।

বর্তমানেও অনেক মাননীয় এমপি আছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ বা দুর্নীতির অপবাদ নেই। কিন্তু তাদেরও সমস্যা আছে, অপবাদ আছে যে, তিনি বা তাঁরা এলাকায় যাননা, জনগণের সাথে মিশেননা, বা দলীয় কর্মকান্ডে এ্যাক্টিভ নহেন। এ্যাক্টিভ/ইনএ্যাক্টিভসহ যারা ইতিমধ্যে নিজেদের গৌরব বা ভাবমূর্তি হারিয়েছেন তাঁদের ভাবমূর্তি পূনরুদ্ধার এবং আরো বৃদ্ধিতে আমরা সহায়তা করতে পারি। এজন্য আপনাদের কোন আর্থিক ক্ষতি/ব্যয় হবেনা।

সংসদে কোরাম সংকট নিয়ে টিআইবিসহ প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বহু আলোচনা-সমালোচনা হয়। গোটা ৫বছরের টার্মে সংসদ অধিবেশন চলে অল্প কিছুদিন এবং সংসদে নিয়মিত  উপস্থিত থাকলেও তা ৫বছরের তূলনায় অতি অল্প সময়। বাকী সময় কি করা হয় আমরা জানিনা। বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে ঘরে বসেও জনসেবামূলক অনেক কাজ করা যায়। এতে দেশের তথা জনগণের, দলের একইসাথে আপনাদেরও অনেকলাভ হবে। হৃত গৌরব ফিরে পাবেন এবং যাঁরা গৌরব হারাননি, তাঁদের তা আরও বৃদ্ধি পাবে।

আমাদের সাফ কথা হচ্ছে -গুটিকয় লোক খেতে পারলে, দেশ ও জনগনের স্বার্থে কাজ করে তার অতি ক্ষুদ্র অংশ এমপিরা খেতে পারবেনা কেন? মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রবাসী, গার্মেন্টস কর্মী, দেশের মানুষের খাদ্যের যোগানদার কৃষকদের স্বার্থে কাজে লাগানো হবেনা কেন?

 

জনাব, আপনারা কয়েক লাখ টাকার ট্যাক্সমুক্ত গাড়ী কিনলে/আমদানী করলে হৈ হৈ রৈ রৈ শুরু হয়ে যায়। এ ট্যাক্স না দেওয়া সরকারের কোন সরাসরি ক্ষতি নহে। কেননা এ ট্যাক্স সরকারের অর্জিত নহে বা সরকারী কোষাগার থেকে ট্যাক্স পরিশোধ করা হচ্ছেনা।  যদি ৩৫০জন এমপি গড়ে সর্বোচ্চ ১কোটি টাকাও ট্যাক্স রেয়াত পান(যদিও ২/১টি ব্যতিক্রম ব্যতীত এত দামী গাড়ী কোন এমপি কিনেননি বা আমদানী করেননি, যার ট্যাক্স ১কোটি টাকা হতে পারে), এতে সরকারের কোষাগারে ৫বছরে ৩৫০কোটি টাকা ট্যাক্স জমা হবেনা। কিন্তু এটা সরকারের সরাসরি কোন ক্ষতি নহে। কিন্তু কয়েকজন বা কয়েকশত লোক সরকার ও জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ ইতিমধ্যে আত্মসাৎ করে ফেলেছে। যার প্রমান সরেজমিনে বিদ্যমান। এরা শক্তিশালী হলেও একতাবদ্ধ ৩৫০জন এমপির তূলনায় কিছুই নহে। ৩৫০জন এমপি একতাবদ্ধ হলে(ন্যায় নীতির প্রতি দৃঢ় অবস্থান নিলে এতজনেরও দরকার নেই) আগামী নির্বাচনের পূর্বেই বহু লাখ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার করা সম্ভব।

ভোগদখলকারীরা বা আত্মসাৎকারীরা মোটামুটি নিশ্চিত যে, এই সম্পদ তাদের বা তাদের হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সরকারী সংস্থাও বিগত ৫-১০বছরে একটু নাড়া চাড়া দিলেও, এসব উদ্ধারে কার্য্যকরী বা ফলপ্রসু কোন উদ্যোগ নেয়নি বা নিচ্ছেনা। এককথায় বলা যায় সরকার ও জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ কয়েকজন বা কয়েকশত লোক অবৈধভাবে (বৈধতার প্রলেপ দিয়ে) খাচ্ছে। আমরা কোন রাজনৈতিক দল নহি বা আমাদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার কোন সুযোগ বা সম্ভাবনা নেই। যদি আমরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতাম, তাহলে এই মুহর্ত পর্যন্ত যা চিরদিনের জন্য বেহাত হয়ে গিয়েছে বা গিয়েছিল, তা(সরকার ও জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ) এমপিদের সহায়তায় উদ্ধার করতাম এবং Incentive bonus-স্বরূপ প্রতি এমপিকে অফেরতযোগ্য ৫(পাঁচ)কোটি টাকার সম্পদ দিতাম।

সরকার তথা জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার  এবং Incentive bonus-এর পূর্বে আপনাদেরকে জনগনের পূর্ন আস্থা অর্জন করতে হবে এবং ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করতে হলে এ দুটি কাজ শুরু করতে পারেন। এগুলো মেটেও কঠিন কোন কাজ নহে। প্রিন্ট কপি ও লিঙ্ক সংযুক্ত। http://www.kalerkantho.com/print-edition/2nd-rajdhani/2017/05/24/500660– গ্রামে গ্রামে সড়কবাতি। সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী যা করেছেন, তার চেয়েও এ কাজগুলো অনেক সহজ ও তেমন বেশী আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই। আর কি কি করতে হবে, সময়ে সময়ে আমরা বলে দিব। বিপুল জনসংখ্যার দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি আছে। বর্তমান সরকার এ ঘাটতি মোকাবিলায় প্রচুর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। লোডশেডিংয়ের বাইরে যে সময়টুকু বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তা নিরবিচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যায়না। সাপ্তাহিক, মাসিক, অর্ধবাৎসরিক, বাৎসরিক বিদ্যুৎ সিস্টেমের যে সংরক্ষন কাজ করার কথা, নানা কারনে তার প্রায় কিছুই করা হয়না। জনাব চৌধুরী পারলে অনেক সহজকাজ আপনাদের না পারার কোন কারন নেই।Top of Form

ইতিমধ্যে আত্মসাৎ করে ফেলেছে। যার প্রমান সরেজমিনে বিদ্যমান। এরা শক্তিশালী হলেও একতাবদ্ধ ৩৫০জন এমপির তূলনায় কিছুই নহে। ৩৫০জন এমপি একতাবদ্ধ হলে(ন্যায় নীতির প্রতি দৃঢ় অবস্থান নিলে এতজনেরও দরকার নেই) আগামী নির্বাচনের পূর্বেই বহু লাখ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার করা সম্ভব।

ভোগদখলকারীরা বা আত্মসাৎকারীরা মোটামুটি নিশ্চিত যে, এই সম্পদ তাদের বা তাদের হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সরকারী সংস্থাও বিগত ৫-১০বছরে একটু নাড়া চাড়া দিলেও, এসব উদ্ধারে কার্য্যকরী বা ফলপ্রসু কোন উদ্যোগ নেয়নি বা নিচ্ছেনা। এককথায় বলা যায় সরকার ও জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ কয়েকজন বা কয়েকশত লোক অবৈধভাবে (বৈধতার প্রলেপ দিয়ে) খাচ্ছে। আমরা কোন রাজনৈতিক দল নহি বা আমাদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার কোন সুযোগ বা সম্ভাবনা নেই। যদি আমরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতাম, তাহলে এই মুহর্ত পর্যন্ত যা চিরদিনের জন্য বেহাত হয়ে গিয়েছে বা গিয়েছিল, তা(সরকার ও জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ) এমপিদের সহায়তায় উদ্ধার করতাম এবং Incentive bonus-স্বরূপ প্রতি এমপিকে অফেরতযোগ্য ৫(পাঁচ)কোটি টাকার সম্পদ দিতাম।

সরকার তথা জনগনের কয়েকলাখ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার  এবং Incentive bonus-এর পূর্বে আপনাদেরকে জনগনের পূর্ন আস্থা অর্জন করতে হবে এবং ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করতে হলে এ দুটি কাজ শুরু করতে পারেন। এগুলো মেটেও কঠিন কোন কাজ নহে। প্রিন্ট কপি ও লিঙ্ক সংযুক্ত। http://www.kalerkantho.com/print-edition/2nd-rajdhani/2017/05/24/500660– গ্রামে গ্রামে সড়কবাতি। মাননীয় সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী যা করেছেন, তার চেয়েও এ কাজগুলো অনেক সহজ ও তেমন বেশী আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নেই। আর কি কি করতে হবে, সময়ে সময়ে আমরা বলে দিব। বিপুল জনসংখ্যার দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি আছে। বর্তমান সরকার এ ঘাটতি মোকাবিলায় প্রচুর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। লোডশেডিংয়ের বাইরে যে সময়টুকু বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, তা নিরবিচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যায়না। সাপ্তাহিক, মাসিক, অর্ধবাৎসরিক, বাৎসরিক বিদ্যুৎ সিস্টেমের যে সংরক্ষন কাজ করার কথা, নানা কারনে তার প্রায় কিছুই করা হয়না। জনাব চৌধুরী পারলে অনেক সহজকাজ আপনাদের না পারার কোন কারন নেই।

লক্ষ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান, দেশকে পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন রাখা, যানজট-জলজট সমস্যা নিরসন করা, চিকুনগুনিয়ামুক্ত করার সহজ উপায়।

মনের ময়লা দুর করুন, ঘর-বাইরের ময়লা দুর করুন।

Build corruption free Bangladesh, Clean Bangladesh.

*হোটেলরেস্টুরেন্টক্যান্টিনফাস্টফুডের দোকানের প্রতিগ্রাহকের কাছ থেকে বর্তমানের মূল্যের চেয়ে ২টাকা বেশী নিলে/দিলে অনেকেই আপত্তি করবেননা।যারা একদেড়শ বা তারও বেশী টাকার খাওয়াদাওয়া করেন তারা ১০২০টাকা দিতেও কার্পণ্য করবেননা। এদের অনেকে এর চেয়ে বেশী টাকা স্বেচ্ছায় বখশিশও দেন। সে টাকা দিয়ে সার্বক্ষনিক পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন করার জন্য ৪জন পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ করা যায়। এতে হোটেলরেস্টুরেন্টক্যান্টিনফাস্টফুডের দোকান যেমন পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি দেশে কয়েক লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এজন্য সরকার দোকান মালীকদের কোন অর্থের প্রয়োজন হবেনা।

*ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাটে যে আর্থিক লেনদেন বা পন্য বেচাকেনা হয় তা থেকে বর্তমানের মূল্যের চেয়ে ২টাকা বেশী নিলে অনেকেই আপত্তি করবেননা। সে টাকা দিয়ে ১-২জন পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ করা যায় এবং বড় ড্রাম সংরক্ষন করা যায়।পরিচ্ছন্ন কর্মী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাটের ভিতরে, সামনে, আশেপাশে পড়ে থাকা বা অন্যলোকের/পথচারীর/গ্রাহকের ফেলা কাগজ, পলিথিন, ময়লাআবর্জনা ইত্যাদি কুড়িয়ে ড্রামে রাখবে। ঢাকা শহরে অনেক আবাসিক এলাকায় বাসা/ফ্ল্যাটের ড্রামে জমানো ময়লাআবর্জনা প্রতিদিন সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। সংগ্রহকারীকে মাসিক ভিত্তিতে প্রতি বাসা/ফ্ল্যাটের মালীক ১০০২০০টাকা দেয়।

**এভাবে ঢাকা শহরেই কয়েক লাখ অসহায় লোকের কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কাজটি মোটেও কঠিন কিছু নহে। প্রয়োজন আমাদের সকলের আন্তরিকতার। আসুন আমরা সবাই একাজটি সফল করি। আপনাদের পরামর্শ মতামত সাদরে গৃহীত হবে।

জনাব, সংযুক্ত লিংকগুলোর সংবাদ অনুগ্রহপূর্বক দেখা যেতে পারে। প্রথম সংবাদে দেখা যায় যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং একজন নায়িকাকে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। দ্বিতীয় সংবাদে দেখা যায় যে, একজন সম্মানিত শিক্ষক নিজের টাকায় বৃক্ষরোপনসহ স্বেচ্ছাশ্রমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন। তৃতীয় সংবাদে দেখা যায় যে, একজন ছাত্র ময়লার গাড়ী ঠেলে জীবিকা নির্বাহসহ উচ্চশিক্ষার টাকা যোগাড় করছে। চতুর্থ সংবাদে দেখা যায় যে, আমাদের দেশের নারীরা বিদেশে গিয়ে সম্ভ্রম/জীবন হারাচ্ছে। (এরূপ আরও সংবাদ আছে যা উল্লেখ করে পত্রটি দীর্ঘায়িত করা হলনা)।

http://www.prothom-alo.com/entertainment/article/1327111/ আনুশকাকে মোদির আমন্ত্রণ- …… এই তারকাকে নরেন্দ্র মোদি তাঁর পরিচ্ছন্নতা অভিযান সোয়াচ্ছতা হি সেবা’ ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এত বড় এক ক্যাম্পেইনের আমন্ত্রণ পেয়ে আনুশকাও গর্বিত।…………http://www.prothom-alo.com/home/article/153106 –শিক্ষকবৃক্ষপ্রেমীপরিচ্ছন্নতাকর্মী। http://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2014/05/18/85617 তখনো ময়লার গাড়ি টানছিল মীর হোসেন। Bottom of Form

http://mzamin.com/details.php?mzamin=MTU5NzI=&s=MQ==   প্রবাসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিকরা।(এরূপ আরও বহু সংবাদ)।

জনাব, দয়া করে আপনারা যদি একটু উদ্যোগী হন, তাহলে সরকারী কোন অর্থ ব্যয় ব্যতীত, লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান যেমন সম্ভব, তেমনি ঢাকা শহরসহ সারাদেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, যানজট-জলজট সমস্যা নিরসন করা, চিকুনগুনিয়ামুক্ত করা সহজে সম্ভব।

ফুটপাথ দখলমুক্ত করার জন্য আপনারা বহু চেষ্টা করছেন। কিন্তু ফুটপাথের ব্যবসায়ীদের পূনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে তা সফল হওয়া খুবই কঠিন। বিদেশেতো বটেই, বাংলাদেশের মাঝারী থেকে বড়মানের সকল রেস্টুরেন্ট/ফাস্টফুডের দোকান, চেইন/ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে, সপিংমলে বালতির পানি/পস্ দিয়ে সার্বক্ষনিক ফ্লোর মোছা হয়। অথচ এর বাইরে প্রায় ৯৯% হোটেল-রেস্টুরেন্ট, দোকান-পাট মার্কেট ভয়ানক নোংরা। অবশিষ্ট প্রায় ৯৯% হোটেল-রেস্টুরেন্ট, অপর পৃষ্ঠায় বর্নিত উপায়ে টাকা সংগ্রহ করা যায়। এসব কাজ করতে স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, অফিসার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অফিসার-স্টাফরা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারেন।  তারা হোটেল-রেস্টুরেন্ট, ইত্যাদির মালীক, ব্যবস্থাপককে নিম্নোক্ত কাজে প্রভাবিত করবে, চাপ প্রয়োগ করবে।  হোটেল-রেস্টুরেন্ট, ইত্যাদির মালীক, ব্যবস্থাপককে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে প্রভাবিত করা, চাপ প্রয়োগ করা এদেরই(স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, অফিসার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অফিসার স্টাফ, প্রভৃতি) দাপ্তরিক কাজ।

আরও দ্রস্টব্যঃhttp://bangla.samakal.net/2017/07/29/312312 ঢাকার জলাবদ্ধতা অনেকটা মানবসৃষ্ট: পানিসম্পদমন্ত্রী। …পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ঢাকার সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতা অনেকটা মানবসৃষ্ট। এ জন্য নগরবাসীও খানিক দায়ী। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে। যেখানে সেখানে ফেলা ময়লা, পলিথিন, আবর্জনায় ড্রেন আটকে থাকায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ………..http://www.kalerkantho.com/print-edition/muktadhara/2017/07/30/525491..ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে দেখতে চাই।এ কে এম আতিকুর রহমান- লেখক : সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব। …….http://www.dainikamadershomoy.com/todays-paper/editorial/92397/ ঢাকা নগরীর জলাবদ্ধতা : কারণ বর্জ্যজট।লেখক- ম ইনামুল হক : চেয়ারম্যান, জল পরিবেশ ইনস্টিটিউট। http://www.prothom-alo.com/opinion/article/1334321/ -জনদুর্ভোগ-এই নগর কি পরিচ্ছন্ন হবে না?  http://www.prothom-alo.com/entertainment/article/1335471/ -‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ নিয়ে মুখ খুললেন উপস্থাপকও………মুম্বাইয়ের ভারসোভা সমুদ্রসৈকত এলাকায় শুটিং করছি। পাঁচ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার নাম ‘রাবিশ’।….ভারতের মানুষের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করার জন্য এই সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে।….. ভারসোভা এলাকায় অ্যাফ্রো শাহ নামের একজন ব্যক্তি পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছিলেন। সারা ভারতে তিনি এই কাজের জন্য খুব বিখ্যাত। তিনি আমাদের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমায় অভিনয় করছেন। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান এবং আরও অনেকে তাঁর এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। ………http://www.prothom-alo.com/opinion/article/1336306/ নগর দর্পণ: চট্টগ্রামমন্ত্রীর হাতে ঝাড়ু, মেয়রের খোলা চিঠি।-http://www.prothom-alo.com/durporobash/article/1336561/প্যারিসে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ।(এরূপ আরও অনেক সংবাদ)।

Please visit to learn more- বিনা খরচে এবং অথবা স্বল্প খরচে সুষ্ঠ বিদ্যুৎ সরবরাহ-পর্ব-১,২(http://corruptionwatchbd.com/30-2/ , http://corruptionwatchbd.com/31-2/ )

Related posts