ভালোভাবে বাঁচতে হলে জানতে হবে-১ঃসড়ক ও সেতুর ভাঙ্গন।

১।নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার কালামিয়ার পোল-ভূঁইয়ার হাট সড়ক।

২। রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মার মোড় বাঁক এলাকার সড়ক, যা নির্মানের ৪(চার) মাসেই কয়েক যায়গায় এভাবে ধ্বসে যায়।

৩।কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৬নং ঘোলপাশা ইউনিয়নের শলাকান্দি গ্রামের শলাকান্দি-তিনপাড়া রাস্তার মাথার রাস্তার ভাঙ্গনের ভিডিও।- https://www.youtube.com/watch?v=1jUzewhk-6g

৪। টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলায় ফুলকি ইউনিয়নের ফুলকি-ফুলবাড়ি সড়কে নির্মিত সেতুটি  উদ্বোধনের আগেই হেলে পড়েছে।

এরূপ কয়েক লাখ ঘটনা আছে যেগুলোতে প্রকৌশলী ও ঠিকাদাররা অতিবৃষ্টি ও বন্যার দোহাই দিচ্ছে, যা ৯৯% মিথ্যা। কেননা অতিবৃষ্টি ও বন্যায় পূরো রাস্তাই বা সেতুই ধ্বসে বা ভেঙ্গে যেত। বৃষ্টির ফোঁটার চাপ এত বেশী নহে যে, সে ফোঁটার চাপে বা আঘাতে রাস্তা ফুটো হয়ে যাবে বা ভেঙ্গে যাবে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে সঠিক মান ও পরিমানের মালামালের অভাবে, unspecified curing, settling, compacting, rolling, etc. কারনে সেতু, রাস্তা ভেঙ্গে যায়, গর্ত হয়ে যায়। আর এসবই লাখ লাখ কোটি কোটি লোকের সামনে প্রকাশ্য দুর্নীতি।

অতিবৃষ্টি ও বন্যায় সেতু, রাস্তা ভাঙ্গলে, বাংলাদেশের সকল রাস্তা ঘাট বছরে কয়েকবার ভাঙত। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মত সড়কগুলো ভারতের পাহাড়ী ঢলে বিলীন হয়ে যেত।

 

সঠিক মান ও পরিমানের মালামালের অভাবে, unspecified curing, settling, compacting, rolling, etc. কারনে পীচের ফাঁক দিয়ে পানি ঢুকে নীচের মাটি গলে যায় বা সরে যায়। ফলে রাস্তায় গর্ত হয়ে যায়, সেতুর ভিত্তি দেবে যায়, সেতু কাত হয়ে যায়। এর সাথে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কোন সম্পর্ক নাই।  এটা বুঝতে বা জানতে কমনসেন্সই যথেষ্ট। বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন নেই।

 

Related posts