বাঁচতে হলে  জানতে হবেঃ মাদক নিয়ন্ত্রন, দুর্নীতি দমন এবং ….

ওয়ারেন বাফেট-তাঁহার নিজের ও অন্যদের সফলতার জন্য লেখাপড়ার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এমনকি দৈনিক ৫০০পৃষ্ঠা পড়ারও পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা ইতিপূর্বে “বাঁচতে হলে  জানতে হবে” ধরনের কতিপয় প্রবন্ধ প্রকাশ করেছি।(এরূপ কয়েকশত প্রবন্ধ প্রকাশের তালীকায় আছে)। যেকোন বিষয়ে সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই তার সম্পর্কে বিশদভাবে জানতে হবে।

মাদক নিয়ন্ত্রন, দুর্নীতি দমনের কাজেও এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। মাদকের বিষয়ে এমুহুর্তে আমরা বিস্তারিত বলছিনা।

২০(বিশ) বছরের স্থায়িত্বের মেয়াদে রেট সিডিউলের(দর তালীকা) কয়েকগুন বেশী টাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৪লেন প্রায় ৪(চার) হাজার কোটি টাকায় নির্মানের পর ১-২বছরের মধ্যেই ভাঙ্গন-গর্ত দেখা দেয়। দুর্নীতির কারন ছাড়া বন্যায় বা বর্ষনে এটা(১-২বছরের মধ্যে ভাঙ্গন-গর্ত) হতে পারেনা।( আরও দেখুন- ভালোভাবে বাঁচতে হলে জানতে হবে-১:সড়ক ও সেতুর ভাঙ্গন- http://corruptionwatchbd.com/133-2/ ) । 

এখানে শীতলক্ষ্যা(কাঁচপুর), মেঘনা, মেঘনা-গোমতী সেতু সমুহ ৪লেন করা হয়নি। নুতন ভূমি অধিগ্রহন, নুতন মাটি ভরাট ইত্যাদি কাজের কারনে(যদিও এগুলোসহ সকল ক্ষেত্রে প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে) ব্যয়ের পরিমান একটু বেশী হতেই পারে। এগুলোর পরে রাস্তার মূল ভিত্তি তৈরী হয়ে গেছে।

এ ভিত্তির উপর যদি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৪লেন সম্পূর্ন নূতন করে পাকা করা হয়, তাহলে পীচ-ঢালাই হলে রেট সিডিউল(দর তালীকা) মোতাবেক ১৫০-২০০কোটি টাকা, আরসিসি হলে ২০০-২৫০কোটি টাকায় তা করা যাবে। (শীতলক্ষ্যা(কাঁচপুর), মেঘনা, মেঘনা-গোমতী সেতু সমুহ ৪লেন করা ব্যতীত)।

যেখানে ১৫০-২৫০কোটি টাকায় সম্পূর্ন নূতন কার্পেটিং করে প্রায় ২৬৫কিলোমিটার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক নির্মান করা যায়, সেখানে ২০(বিশ) বছরের স্থায়িত্বের মেয়াদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৪লেন প্রায় ৪(চার) হাজার কোটি টাকায় নির্মানের ১-২বছরের মধ্যেই ভাঙ্গন-গর্ত  রক্ষনাবেক্ষন/মেরামতের জন্য প্রায় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এতবড় দুর্নীতি রোধের জন্য রেট সিডিউল(দর তালীকা), রাস্তার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জানা থাকলেই যথেষ্ট। যারা ইতিমধ্যে রাস্তা নির্মান করেছে(২০(বিশ) বছরের স্থায়িত্বের মেয়াদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৪লেন), তাদেরকে কঠোর জবাবদিহিতা/শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

Related posts