নিম্ন আদালতের সিস্টেম লস ৯৮%(আটানব্বই শতাংশ)।

বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সরবরাহ সিস্টেমের মাধ্যমে গ্রাহক প্রান্তে পৌঁছানোর সময় কিছু বিদ্যুৎ লস হয়। এই লসকে “সিস্টেম লস” বলে। বাংলাদেশের কোথাও কোথাও ১০-১৫বছর পূর্বে ৫০% এর উপরে সিস্টেম লস ছিল, যার বৃহৎ অংশ ছিল চুরি বা দুর্নীতি। বর্তমানে বিদ্যুতের সামগ্রিক সিস্টেম লস ১০% বা তার নীচে(যদিও এ হিসাব বানোয়াট)। ইহা বহুভাবে হিসাব করা হয়। ক্ষুদ্র electric supply unit(ESU)এর মাসিক, বার্ষিক লস থেকে শুরু করে, বিভাগ, সার্কেল, জোন, সংস্থা যেমন-PDB, REB, DESA, DESCO,ইত্যাদি এবং সর্বশেষ এগুলোর সমষ্টিই জাতীয়ভাবে সামগ্রিক সিস্টেম লস। এর হিসাবের ‘ভিত্তি’ হচ্ছে উৎপাদনের পর যে পরিমান বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন লাইনের শুরুতে ফিড করা হয়, আর যে পরিমান গ্রাহকপ্রান্তে রেকর্ড হয়। একইভাবে ESU, বিভাগ, সার্কেল, জোন-এ যে বিদ্যুৎ In করে বা import হয়।

ময়মনসিংহের সাবেক জেলা ও দায়রাজজ ও তাঁহার অধীনস্থ ২৩জন বিচারক(সহকারী, যুগ্ম, অতিরিক্তজজ ও জেলাজজ) প্রতি কার্য্যদিবসে সাড়ে ১২ঘন্টা কাজ করে প্রতিজন প্রতিমাসে ৭২টি মামলা নিষ্পত্তি করেন। তাঁরা প্রতি কার্য্যদিবসে ৮ঘন্টা(সকাল ৯টা-বিকাল ৫টা)কাজ করলে প্রতিজন প্রতিমাসে ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি করতেন। তাঁরা এডিআরের মাধ্যমেও, যা সংক্ষিপ্ত এবং সহজ, মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। ঢাকা, কুমিল্লা ও পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ৭জন বিচারক ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৬বছরে(৬৬মাস, প্রতিবছর ডিসেম্বর মাস জজকোর্ট বন্ধ থাকে) ২২,০৭৩টি, প্রতিমাসে  প্রতিজন বিচারক, যারা সবাই জেলাজজ, প্রায় ৪৮টি  মামলা নিষ্পত্তি করেছেন।বিভিন্ন সময়ে দীর্ঘকাল বদলীজনিত কারনে পদ শূন্য থাকলে, ছুটি, ট্রেনিং, ইত্যাদি কারনে সংশ্লিষ্ট কোর্টের মামলার প্রকৃত বিচারকাজ বন্ধ থাকে। সে হিসাবে আমরা ৭জনের স্থলে পূর্নকালীন ৬জন বিচারক ধরতে পারি। তাহলে মামলা নিষ্পত্তির সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৫৬টি।এখানে কোন এডিআর নাই। তথ্যটি পাওয়া যায় যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ (ইউকেএইড) ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)র সহযোগিতায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রভাষক তানজিনা শারমিন ও আতিয়া নাজনীনের গবেষনা থেকে। (দ্রস্টব্যঃ- প্রথম আলো –ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা –১০০ মামলায় সাজা হচ্ছে শূন্য দশমিক ৮৪ জনের।নিজস্ব প্রতিবেদক | মে ২৮, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ)।

এখানকার মামলা নিষ্পত্তিকে আমরা বেশী গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। কেননা আন্তর্জাতিক দুটি সংস্থার অর্থায়নে বাংলাদেশের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২জন মহিলা শিক্ষক তথা ১মশ্রেনীর কর্মকর্তার ৬বছর যাবৎ বিভিন্ন সময়ে কোর্টে যাতায়াতের ফলে, কোর্টের বিচারক, স্টাফ ও আইনজীবিরা সচেতন ছিলেন ও আমরা ধরে নিই যে, তারা সঠিক কাজ করেছেন ও গবেষনাকারীদেরকে সঠিক তথ্য দিয়েছেন। ময়মনসিংয়ে সহকারী, যুগ্ম, অতিরিক্তজজ ও জেলাজজসহ বিভিন্ন পদের বিচারক ছিলেন, মামলাও বিচারকের ক্ষমতার আর্থিক ও শাস্তির সীমার মানদন্ডে বিভিন্ন ক্যাটাগরীর ছিল। কিন্তু ঢাকা, কুমিল্লা ও পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ৭জন বিচারকই সর্বোচ্চ পদের একই মর্যাদার তথা জেলাজজ ছিলেন। তাই আমরা ঢাকা, কুমিল্লা ও পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিষ্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যাকে ভিত্তি বা(standard)ধরতে পারি। দুর্নীতিবাজ, ফাঁকিবাজ অন্য বিচারকদেরকে relief(ছাড়) দেওয়ার স্বার্থে আমরা প্রতিমাসে প্রতিজন জেলাজজ পূর্নাঙ্গভাবে ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন ধরি।

দুর্নীতির মামলা প্রায় সম্পূর্ন ডকুমেন্ট নির্ভর। কিছু মৌখিক স্বাক্ষী থাকে ডকুমেন্ট গুলোর যথার্থতা প্রমানের জন্য। নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা থেকে দুর্নীতির মামলা অনেক অনেক সহজ ও সংক্ষিপ্ত(হাইপ্রোফাইল কিছূ মামলা ও বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম ব্যতীত)।২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৬বছরে(৬৬মাস, প্রতিবছর ডিসেম্বর মাস জজকোর্ট বন্ধ থাকে) ২৯জন বিভাগীয় স্পেশাল জজ ও স্পেশালজজ  ১৭৭১টি দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি করেছেন, যার মধ্যে চার্জগঠনকালীন ডিসচার্জও আছে, যাহা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। প্রতিজন জজ(বিভাগীয় স্পেশাল জজ ও স্পেশালজজ) প্রতিমাসে ০.৯২(শূন্য দশমিক নয় দুই)টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। ঢাকা, কুমিল্লা ও পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিষ্পত্তিকৃত মামলাকে ভিত্তি ধরলে বিভাগীয় স্পেশাল জজ ও স্পেশালজজদের মামলা নিষ্পত্তি হার ২% এরও কম। বিদ্যুতের ন্যায় হিসাব করলে বিভাগীয় স্পেশাল জজ  স্পেশালজজদেরকোর্টে সিস্টেম লস ৯৮%(আটানব্বই শতাংশ)-এরও বেশী।

বিদ্যুতের প্রকৃত সিস্টেম লস আরও বেশী। উপরের চাপে চামড়া বাঁচানোর জন্য কারচুপির মাধ্যমে কম দেখানো হয়। বিভাগীয় স্পেশাল জজ ও স্পেশালজজরা জেলা ও দায়রাজজ, মহানগর দায়রাজজদেরকে ম্যানেজ করে আপীল, রিভিসন, মিস আপীল জাতীয় সংক্ষেপে নিষ্পত্তিযোগ্য কিছু মামলা নেয়। সেগুলোকে নিষ্পত্তি দেখিয়ে সুপ্রীমকোর্টে প্রতিমাসে রিপোর্ট করে এবং দুর্নীতির মামলাগুলো জিইয়ে রেখে দোষী-নির্দোষ উভয় আসামীদের কাছ থেকে  থাইল্যান্ডের জঙ্গলের মুক্তিপন আদায়কারীদের মত মুক্তিপন আদায় করে।

 

আমাদের সময়-৩০ নভেম্বর ২০১৪,  বছরে ,৭৭১টি দুর্নীতির মামলার রায়; সাজা কম, খালাসই বেশি। ( see also- https://web.facebook.com/monthlydeepali/posts/1575833439316321 )

বছর মোট মামলা মোট স্থগিত মোট চালু মোট নিষ্পত্তি মোট পেন্ডিং মন্তব্য
২০০৯ ২৫৮৭ ৩৭৬ ২২১১ ২৩৭ ১৯৭৪* *স্থগিত ব্যতীত
২০১০ ২৫৯১ ৪০২ ২১৮৯ ৬০০ ১৫৮৯*
২০১১ ২৯১২ ৭০৫ ২২০৭ ১৮৮ ২০১৯*
২০১২ ৩৩৮০ ৮০৪ ২৫৭৬ ২১৮ ২৩৫৮*
২০১৩ ৩৬৭২ ৭৫৪ ২৯১৮ ২৫৫ ২৬৬৩*
২০১৪ ৩৯০০ ৮১৩ ৩০৮৭ ২৫৪ ২৮৩৩*

 

 

প্রথম আলো-মতামত

আইন পেশা ; শিক্ষাপরীক্ষা  বারপুনর্মূল্যায়ন

শাহদীন মালিক | আপডেট: ০০:০৬, মে ১৮, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

…………………

২.
সবচেয়ে বড় কথা হলোআদালতগুলোয় নতুন মামলা দায়েরের সংখ্যা বাড়ছে না। তার পরও প্রায় ৩০ লাখমামলা ঝুলে আছে শুনলে কোনো বিচারপ্রার্থীই আদালত পানে সহজে যাবেন না।
গত পাঁচ বছরে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া নতুন মামলার সংখ্যা বাড়েনি বললেই চলে। অথচ নতুন উকিলবেড়েছে অন্তত হাজার তিনেক।

 

 

প্রথম আলো -বাংলাদেশ –শেষ পৃষ্ঠা

বিচারব্যবস্থার সংস্কার  আইন সহায়তা বৃদ্ধির সুপারিশ

 

বিশেষ প্রতিনিধি | আপডেট: ০২:৩২, এপ্রিল ২৬, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

১ Like

…………………… অধস্তন আদালতগুলোয় সহকারী জজ থেকে জেলা জজ পর্যন্ত মোট অনুমোদিত পদেরসংখ্যা  হাজার ৬৫৫টি। এর মধ্যে বর্তমানে ৪৫৭টি পদ শূন্য। সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ যুগ্ম জেলা জজ ও সমপর্যায়ে, ২৭৬টির মধ্যে ১৩০টি শূন্য। অথচ বেশির ভাগ মামলা নিষ্পত্তি এই পর্যায়েই হওয়ার কথা।

……………….

 প্রথম আলো- বাংলাদেশ- http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/539380

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা-১০০ মামলায় সাজা হচ্ছে শূন্য দশমিক ৮৪ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০২:২৭, মে ২৮, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে খুব কম অপরাধী সাজা পাচ্ছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে নিষ্পত্তি হওয়া ১০০ মামলায় সাজা হচ্ছে শূন্য দশমিক ৮৪ জনের।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ ঢাকা, কুমিল্লা ও পাবনা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের নিষ্পত্তি হওয়া মামলা পর্যালোচনা করে এই তথ্য পেয়েছে। এই গবেষণা প্রতিবেদনটি গতকাল বুধবার রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে প্রকাশ করা হয়। তিন জেলায় ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার ৭৩টি মামলার নিষ্পত্তিহয়েছে। এতে সাজা পেয়েছেন মাত্র ১৮৬ জন।……….

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে২০০৯ সালে তিন জেলায় বিচারাধীন মামলা ছিল  হাজার ৭২৭টি। ২০১৪ সালে তাবেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৪৭৪টিতে। ছয় বছরে মোট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে ২২ হাজার ৭৩টি।

গবেষণা প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রভাষক তানজিনা শারমিন ও আতিয়া নাজনীন। গবেষণাকাজে সহযোগিতা করেছে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ (ইউকেএইডওজাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে তিন জেলায় বিচারাধীন মামলা ছিল ৮ হাজার ৭২৭টি। ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৪৭৪টিতে। ছয় বছরে মোট মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে ২২ হাজার ৭৩টি।
নিষ্পত্তি হওয়া মামলায় সাজা পেয়েছেন মাত্র ১৮৬ জন। এর মধ্যে ২০০৯ সালে ৫৪ জন, ২০১০ সালে ৪৮, ২০১১ সালে ২৩, ২০১২ সালে ২৭, ২০১৩ সালে ১৫ এবং ২০১৪ সালে ১৯ জন।
একই সময়ে মামলা থেকে খালাস পান ১২ হাজার ৫৪ জন। ২০০৯ সালে মামলা থেকে খালাস পাওয়ার হার ছিল৯৮ দশমিক ০৮ শতাংশ। ২০১৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ দশমিক ৬০ শতাংশে।
প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, প্রতিবেদন থেকে প্রতীয়মান হয় যে বিচারপ্রক্রিয়াত্রুটিপূর্ণ। দুর্বল তদন্ত প্রতিবেদনের কারণে সিংহভাগ অভিযুক্ত ব্যক্তি মামলা থেকে খালাস পেয়ে যান। তিনি আরও বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী ৯৯ শতাংশ অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ। কিন্তু নারী  শিশু নির্যাতন দমন আইনঅনুযায়ী এঁদের তিন মাস জেল খাটতে হয়েছে। তাঁরা যে বিনা অপরাধে জেল খাটলেন তার প্রতিকার কী?
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী ছয় বছরে মামলা নিষ্পত্তির হারও সন্তোষজনক নয়। ২০০৯ সালে মামলা নিষ্পত্তিরহার ছিল ২১ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ২০১৪ সালে তা এসে দাঁড়ায় ২২ দশমিক ২৮ শতাংশে।

 

যুগান্তর- এপ্রিল ১২, ২০১৫, রোববার : চৈত্র ২৯, ১৪২১- http://www.jugantor.com/old/news/2015/04/12/248050

আদালতে বসেন না ৮০ ভাগ বিচারক

যুগান্তর রিপোর্ট

মামলার জট সহনীয় পর্যায়ে না আনলে বিচার বিভাগের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। মামলা জটের জন্য বিচারকদের আন্তরিকতার অভাবকে দায়ী করে তিনি বলেছেন,আমি দুঃখের সঙ্গে খেয়াল করলাম প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৮০ ভাগ বিচারক নিয়মিত আদালতে বসেন না। বসলেওআন্তরিকতার অভাব ছিল।……………

………………..প্রশাসনের সঙ্গে বিচারকদের তুলনা না করার পরামর্শ দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেনকোনোদিনই চিন্তা করবেন না যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বা পার্লামেন্টে কী হচ্ছেতারা ঠিকমতো অফিসে আসেননাতাই আমরাও সে রকম করব।……………

সুপ্রিমকোর্টের অবকাশ ছুটি অর্ধেক করতে বলেছি। ৮০ থেকে ৮৬ দিন ছুটি নিয়ে বিলাসিতা করতে পারিনা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য একজন বিচারপতি ছাড়া কেউ আমাকে সমর্থন করেননি। নিজেরা ঠিক নাহলে তো অধস্তনদের বলতে পারি না।…………………

ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার সৈয়দ আমিনুল ইসলাম। তিনিবলেন২০১৪ সালে ২৬ লাখ ৩১ হাজার ৫৭৬টি মামলা বিচারাধীন ছিল।  বছর মামলা নিষ্পত্তি হয় ১৩ লাখ ৪হাজার ৫৪৪টি এবং দায়ের হয় ১৬ লাখ  হাজার ২৫৫টি। এভাবে চলতে থাকলে এক বছর পর  জট বেড়েদাঁড়াবে ৪২ লাখে।…………

 

যুগান্তর-২৬-৫-১৪- http://www.jugantor.com/old/sub-editorial/2015/01/20/207336

মামলাজট নিরসনে কার্যকর নূরুল হুদা মডেল

আ তা উ ল ক রি ম খো ক ন

……………

বিচারক স্বল্পতা সত্ত্বেও এভাবে মাত্র  বছরের মধ্যে তারা বিভিন্ন প্রকার মোট ৫৬,৮২৫টি মামলা নিষ্পত্তিকরতে সক্ষম হয়েছেন। এটি সংশ্লিষ্ট জেলা  দায়রা জজ  তার ২৩ জন সহকর্মীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টারফসল।

…………..

আতাউল করিম খোকন : ব্যুরো প্রধানদৈনিক যুগান্তরময়মনসিংহ

Related posts