বঙ্গবন্ধু, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনা ও কুমারী পূজা।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা(তাঁহাদের প্রতি সম্মান রেখে বলছি) কুমারী পূজা দিয়ে থাকেন। একজন মেয়েকে কুমারী সাজিয়ে(নিশ্চয়ই সে মেয়ে কুমারী)এ পূজা করা হয়। এ পূজার আয়োজকদের অনেক কাজ করতে হয়। মেয়েটি শুধু আয়োজকদের ইচ্ছা পূরন করে থাকে, এছাড়া তার আর কোন কাজ নেই। মেয়েটির বয়স এমন যে, অনেক মেয়ে হয়ত “কুমারী” এবং “কুমারী পূজা” কি ইহাই জানেনা।

১৯৪৮সাল বা তার পূর্ব হতে ১৯৭০সালের নির্বাচন পর্যন্ত বিশাল রাজনৈতিক কর্মকান্ডের ফসল ১৯৭১-এর স্বাধীনতা ঘোষনা। প্রেক্ষাপট এমনভাবে তৈরী হয় যে, বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কাউকে না কাউকে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষনা দিতে হবে। আয়োজকরা উপস্থিত ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানকে পেয়েছেন, যিনি একজন বাঙ্গালী এবং সেনা কর্মকর্তা-মেজর। সেনাবাহিনীতে মেজর এমন বড় কোন পদ নহে, তবে হাজার হাজার (পশ্চিম)পাকিস্তানী উচ্চ পদস্থ সেনা কর্মকর্তার ভিড়ে একজন বাঙ্গালী মেজর অনেক বড় কর্মকর্তা। আয়োজকরা জিয়াউর রহমানকে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষনা পাঠ করালেন। স্বাধীনতা ঘোষনার বিষয়ে জিয়াউর রহমানের “কুমারী পূজার” “কুমারীর” চেয়ে বেশী বড় কোন ভূমিকা ছিলনা।

তবুও তার এ অবদান অবশ্যই স্বীকার করা উচিৎ। তবে এর পরিমান বঙ্গবন্ধুর অবদানকে যদি সাগরের সাথে তূলনা করা যায়, জিয়াউর রহমানের অবদান একটি বালি কণার সমান।

Related posts