৪(চার) জেলাজজের দুর্নীতি।

”দায়িত্বে অবহেলা-অগ্রণী ব্যাংকের কোম্পানি সচিব সাময়িক বরখাস্ত

http://www.jugantor.com/second-edition/2016/08/15/53223/

সঠিকভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন না করায় রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের কোম্পানি সচিব খন্দকার সাজেদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সূত্র জানায়, আদালতের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে একটি গ্রুপের ঋণ সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো হয়। কিন্তু ফ্যাক্সে পাঠানো ওই চিঠি সম্পূর্ণরূপে যথাযথ জায়গায় পৌঁছায়নি। দায়িত্বে অবহেলার কারণে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।”

বিভাগীয় স্পেশাল জজকোর্ট  সিলেটে ও বর্তমানে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল, সিলেটে বিচারাধীন স্পেশাল ২১/০৯, ২৩/০৯, ২(দুই)টি দুর্নীতির মামলায় প্রায় ২০জন স্বাক্ষী, যারা সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা তখনও এখনও তথায় কর্মরত, এবং তাদের অফিসের দুরত্ব কোর্ট থেকে ১(এক) থেকে ২(দুই) কিলোমিটারের মধ্যে-এরূপ স্বাক্ষীরা কেন ৬-৭বছরেও সমন পায়নি, সমন পেয়ে থাকলে কেন তারা হাজির হয়নি, ওয়ারেন্ট(ww) জারী হওয়ার পরও কেন তা তামিল হয়নি বা স্বাক্ষীকে হাজির করানো হয়নি- এরূপ একটি শব্দও ৭বছরে মামলা দুটি বিচারে নিয়োজিত ৪(চার)জন জেলাজজের একজনও বলেননি বা কারও বিরুদ্ধে(পেশকার, জারীকারক) কোন ব্যবস্থা নেননি।  জেলাজজ পদমর্যাদার ৪(চার)জন বিচারক যে দুর্নীতিবাজ, তা প্রমানের জন্য আর বেশী কিছুর প্রয়োজন আছে কি?

সমন/ওয়ারেন্ট জারী/তামিল না হলে স্বাক্ষী আসবেনা, স্বাক্ষী না আসলে বিচারককে ৫-৬ঘন্টা এজলাস করতে হবেনা, এজলাস না করলে মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্বিত হবে, বিলম্বিত হলে তোলা খাওয়া/ঘুষ খাইতে অনেক সুবিধা, আরও কত কি।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিভাগীয় স্পেশাল জজকোর্ট সিলেটে ২০১০সালের শুরুতে বিচারাধীন দুর্নীতির মামলা ছিল প্রায় ১৫০(একশত পঞ্চাশ)টি। বিচারক সৎ হলে ৬(ছয়)মাস থেকে ১(এক) বছরের মধ্যে(বিশেষ ব্যতিক্রম ব্যতীত) ১৫০ (একশত পঞ্চাশ)টি মামলাই নিষ্পত্তি সম্ভব ছিল। (দ্রস্টব্যঃ- বিভিন্ন বিচারকের মামলা নিষ্পত্তির মাসিক সংখ্যা বা হার

Related posts