Lower courts : power absolute, corrupt absolute.

নিম্ন আদালতে আর্থিকভাবে অনেক সৎ বিচারক আছেন। আর্থিকভাবে সৎ অসৎ নির্বিশেষে, নৈতিকভাবে সৎ-অর্থাৎ সঠিকভাবে সকল দায়িত্ব পালনকারী(সঠিক সময় এজলাস করা, কোর্ট ম্যানেজমেন্ট-কেইস ম্যানেজমেন্ট-যেমনঃ সমন-ওয়ারেন্ট ইস্যু/জারী নিশিচতকরন, কন্টিনিউয়াস হিয়ারিং করা, পূরনো মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা, অকারনে বারবার সময় প্রদান না করা, পূরনো মামলায় একমাসের কম সময়ে তারিখ ফেলা,  ইত্যাদি মেন্টেইন করা) বিচারকের সংখ্যা খুবই কম। (আরও দ্রস্টব্যঃ-http://www.kalerkantho.com/print-edition/muktadhara/2017/07/17/520095 – ন্যায়বিচারের সন্ধানে যেতে হবে বহুদূর-মো. জাকির হোসেন

 

…………………………ন্যায়বিচারের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত দ্রুত বিচার লাভ। এটি আমাদের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে। দ্রুত বিচার লাভের মাপকাঠিতে ন্যায়বিচার পরিমাপ করা হলে ন্যায়বিচার আমাদের ত্রিসীমানায় আছে কি না সন্দেহ। বিচারের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা শুধু ন্যায়বিচার নয়, অন্যান্য মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও অন্যতম কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অনেকেই অন্যায়-অপরাধের শিকার হয়েও শুধু দীর্ঘসূত্রতার ভয়ে বিচার চাওয়ায় নিরুৎসাহ হচ্ছে। ………………..বিচারকের স্বল্পতাই মামলার দীর্ঘসূত্রতা ও মামলাজটের একমাত্র কারণ নয়। অধস্তন আদালতের বিষয়ে উচ্চ আদালত কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিচারকরা একতরফা মামলাগুলো নির্দিষ্ট দিনে শুনানি না করে কোনো কারণ ছাড়াই অথবা কোর্ট অন্য কাজে ব্যস্ত’—এরূপ আদেশ লিখে দিনের পর দিন ফেলে রাখেন; যদিও ডায়েরি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, কোর্টে আসলে ওই দিন উল্লেখযোগ্য কাজ হয়নি। এমনও দেখা গেছে যে বাদী একতরফা শুনানির তারিখে দিনের পর দিন, এমনকি বছর ধরে সাক্ষীসহ উপস্থিত হন; কিন্তু কোর্টের ওই মামলার শুনানি হয় না। কখনো বা একতরফা মামলা সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও আদেশের জন্য তা মাসের পর মাস, এমনকি বছর ধরে পড়ে থাকে। ” উচ্চ আদালতের ২০১১ সালের এক পরিপত্রও সাক্ষ্য দিচ্ছে, জেলা আদালতে আকস্মিক শুনানি মুলতবি একটি মস্ত ব্যাধি। প্রচলিত আইন বিধিবিধান নিম্ন আদালতের বিচারকরা বেশ বড় মাপেই লঙ্ঘন করে চলেছেন। এতে বলা হয়, আদালত তাঁর নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগুলোর আবেদনক্রমে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে শুনানি মুলতবি করছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলেও বেশির ভাগ সময় ক্রমাগতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ না করে শুনানি মুলতবি করা হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে একই সাক্ষীর সাক্ষ্য নিতে একাধিক তারিখ ধার্য করা হয়। …………….. লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়- zhossain@justice.com.——)।এসকল বিচারকরা জানেনা যে, আর্থিক অসততা আর ইচ্ছাকৃত নৈতিক অসততার মধ্যে ধর্মীয় বিচারে মৌলিক কোন পার্থক্য নাই।

নিম্ন আদালতের অসৎ বিচারকদের(যারা আর্থিক ও নৈতিক উভয় প্রকারের অসৎ) মন মানসিকতা, নীতি নৈতিকতা, মানবিক গুনাবলী, কাজের মান/পরিমান ভয়ানক নিম্নমানের। জবাবদিহিতা না থাকার ফলে এরা দানব হয়ে যায়। এদের সকল অনিয়মের বেনিফিসিয়ারী অধস্তন স্টাফ ও নীতিহীন উকিলরা(যারা নীতিহীন)। ফলে কোন উকিল-স্টাফ সনামে-বেনামে, প্রকাশ্যে-গোপনে নিম্ন আদালতের অসৎ বিচারকদের বিরুদ্ধে কিছু বলবেনা, লিখবেনা। বিচারপ্রার্থীদের কাছে নিম্ন আদালতের অসৎ বিচারকরা রীতিমত মূর্তিমান দানব। সাংবাদিকসহ বাকী সবাই আদালত অবমাননার ভয়ে এদের(নিম্ন আদালতের অসৎ বিচারকদের) বিরুদ্ধে কিছুই বলবেনা বা লিখবেনা।

ফলে নিম্ন আদালতের অসৎ বিচারকদের Power absolute. আর তাই, power absolute, corrupt absolute.

Related posts