নিম্ন আদালতের কতিপয় দুর্নীতিবাজ বিচারক ও সন্তান হন্তারক চরিত্রহীন মা।

মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানার স্ত্রী কুলসুম সমাজে সতী-সাধ্বী নারী হিসাবেই পরিচিত ছিল। কিন্তু গোল বাঁধে তার দুই নিষ্পাপ ছেলে। তারা মায়ের অনৈতিক কান্ড দেখে ফেলে। কুলসুম পূর্ববৎ সতী-সাধ্বী-ই থাকতে চেয়েছিল। সে তার সতী-সাধ্বী-রূপ মুখোশ নতুন করে পরতে গিয়ে দুই নিষ্পাপ ছেলেকে হত্যা করে। এভাবে সতী-সাধ্বী-রূপ মুখোশ পরা কুলসুম, মরিয়ম, সোনিয়া গং তাদের মুখোশ অব্যাহত রাখতে সন্তানকে হত্যা করে। হত্যাকান্ড দ্বারা তারা প্রমান করেছে যে, মুখোশের আড়ালে তারা পূর্ব থেকেই অসতী ছিল। দ্রস্টব্যঃ-দুই শিশুকে হত্যার কথা স্বীকার করলেন মা!- http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/703543, অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে ফেলায় সন্তানকে হত্যাhttp://bangla.samakal.net/2016/06/11/217773, ছেলে হত্যার অভিযোগে মাসহ চারজন গ্রেপ্তার-http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/337168/  এরূপ আরও বহু খবর। সমাজে মুখোশধারী এরূপ কোটি কোটি চরিত্রহীন-দুর্নীতিবাজ আছে, যারা রাতে করে জুতাচুরি, দিনে করে বাবুগিরী।

যেহেতু আসামীরা নিজেরা এবং তাদের সিনিয়র উকিলরা মামলা নিষ্পত্তিতে আগ্রহী ছিল এবং কয়েক ডজনবার উকিলরা কোর্টকে মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রকাশ্যে অনুরোধ করে, যেহেতু কোর্টে ১৫০-২০০-৩০০-এর বেশী মামলা ছিলনা, যেহেতু স্বাক্ষী হাজিরে কোন জটিলতা ছিলনা, যেহেতু সর্বোচ্চ ৬০(৪৫+১৫)কার্য্যদিবসে মামলা নিষ্পত্তির আইন ছিল, তথাপি ৬০এর ৭গুন বা ৬০সপ্তাহে এমনকি ৬০এর ১০গুন ৬০০(ছয় শত)দিনেও এমনকি ২৭০০দিনেও মামলা নিষ্পত্তি না করে সংশ্লিষ্ট ৪(চার)জন জেলাজজ প্রমান করেছে যে তারা সততার মুখোশধারী অসৎ বিচারক।

সতী-সাধ্বীর মুখোশধারী চরিত্রহীন মায়েরা, তাদের মুখোশ উম্মোচিত হওয়ার ভয়ে যেমন তাদের সন্তানকে হত্যা করে, তেমনি সততার মুখোশধারী বিচারকরা তাদের অনিয়ম দুর্নীতি ভাইরাল হওয়ার পর জিঘাংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে বিচারপ্রার্থীদের জীবন শেষ করে। এসব বিচারক খুনী, ধর্ষক, থাইল্যান্ডের জঙ্গলে-মরূভূমিতে জিম্মীকারীদের মতই ভয়ানক। ধর্ষক-খুনী-জিম্মিকারী যেমন ভিক্টিমের আর্তনাদ শুনেনা, কাকুতি-মিনতি শুনেনা, নির্মম নিষ্ঠুর দুর্নীতিবাজ এসব বিচারকও বিচারপ্রার্থীর আর্তনাদ শুনেনা, কাকুতি-মিনতি শুনেনা।

কুলসুমগং এবং উপরোক্ত বিচারকগন প্রমান করেছে যে, মৃত্যু, দুঃখ বেদনার জন্য কারও অপরাধ করা লাগেনা। মুখোশধারী এসব অপরাধীর(৪জন জেলাজজ ও কুলসুমগং) জন্য সমাজের কোটি কোটি নিরপরাধ মানুষ মৃত্যুসহ, দুঃখ বেদনায় পতিত হচ্ছে।

Related posts