নিম্ন আদালতের কতিপয় বিচারক(সবাই নহে, যারা দুর্নীতি করে) নিকৃষ্টতম দুর্নীতিবাজ।

 

দুর্নীতির ২টি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪জন জেলাজজ ও তাদের অধীনস্থ কর্মচারীদের মধ্যে যে অনিয়ম দুর্নীতি আমরা দেখেছি, নিম্নে বর্নিত সকল অনিয়ম দুর্নীতি তাদের মধ্যে বিদ্যমান। সর্বোচ্চ ২-৩বছরে নিষ্পত্তিযোগ্য মামলা, ঘুষ না পেয়ে ৭-৮বছরেও নিষ্পত্তি না করে এভাবে মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব ঘটিয়ে বিচারপ্রার্থীদের জীবনীশক্তি ধ্বংস করার মাধ্যমে ৪(চার)জন জেলাজজ প্রমান করেছে তারা থাইল্যান্ডের জঙ্গলের মানবপাচারকারী/মুক্তিপন দাবীকারী মাফিয়াদের চেয়েও জঘন্য। মাফিয়ারাও মুক্তিপন দাবী করে না পেলে ভিক্টিমকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।  এ বিচারকরা শুধু মাফিয়া নহে, প্রখ্যাত সাংবাদিক জনাব মাহবুব কামালের ভাষায় এদেরকে খুনী-ধর্ষকের সমান্তরালে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিৎ। দ্রস্টব্যঃ-http://www.jugantor.com/window/2017/08/03/145050/ -চলো সমুদ্রে যাই, দেখি আকাশ…………. হ্যাঁ, এই সেই বাংলাদেশে বাস করছি আমরা, যেখানে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। ওই নরাধমই শুধু এই ধর্ষণ মামলার আসামি নয়, তার যৌন বিকৃতির সমান্তরালে রাজনৈতিক শাসনতান্ত্রিক বিকৃতির দায়ে শুধু বর্তমানের নয়, সমগ্র শাসকশ্রেণীকেই দাঁড় করানো উচিত আসামির কাঠগড়ায়। বস্তুত এই নেতৃত্বকে ঠিক করতে হলে এক নয়, দরকার এখন শত শত বিবেকানন্দ।-মাহবুব কামাল : সাংবাদিক- mahbubkamal08@yahoo.com .

বিচারবিভাগসহ দেশে প্রচুর দুর্নীতিবাজ আছে, দলীয় তাবেদার আছে। কিন্তু উপরোক্তরা যে উপায়ে অনিয়ম দুর্নীতি করেছে, এক কথায় তা নিকৃষ্ট, বিকৃত রুচীর পরিচায়ক। বাংলাদেশের সকল দুর্নীতিবাজদের মধ্যে এরা নিকৃষ্টতম।

১। ন্যায়বিচারের সন্ধানে যেতে হবে বহুদূর-

http://www.kalerkantho.com/print-edition/muktadhara/2017/07/17/520095 -Top of Form

Bottom of Form

 

অধস্তন আদালতের বিষয়ে উচ্চ আদালত কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে দেখা যায়, “বিচারকরা একতরফা মামলাগুলো নির্দিষ্ট দিনে শুনানি না করে কোনো কারণ ছাড়াই অথবা ‘কোর্ট অন্য কাজে ব্যস্ত’—এরূপ আদেশ লিখে দিনের পর দিন ফেলে রাখেন; যদিও ডায়েরি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, কোর্টে আসলে ওই দিন উল্লেখযোগ্য কাজ হয়নি। এমনও দেখা গেছে যে বাদী একতরফা শুনানির তারিখে দিনের পর দিন, এমনকি বছর ধরে সাক্ষীসহ উপস্থিত হন; কিন্তু কোর্টের ওই মামলার শুনানি হয় না। কখনো বা একতরফা মামলা সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও আদেশের জন্য তা মাসের পর মাস, এমনকি বছর ধরে পড়ে থাকে। ” উচ্চ আদালতের ২০১১ সালের এক পরিপত্রও সাক্ষ্য দিচ্ছে, জেলা আদালতে আকস্মিক শুনানি মুলতবি একটি মস্ত ব্যাধি। প্রচলিত আইন বিধিবিধান নিম্ন আদালতের বিচারকরা বেশ বড় মাপেই লঙ্ঘন করে চলেছেন। এতে বলা হয়, আদালত তাঁর নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগুলোর আবেদনক্রমে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে শুনানি মুলতবি করছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলেও বেশির ভাগ সময় ক্রমাগতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ না করে শুনানি মুলতবি করা হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে একই সাক্ষীর সাক্ষ্য নিতে একাধিক তারিখ ধার্য করা হয়। ……………..

২।http://www.prothom-alo.com/opinion/article/1024241/-Bottom of Form

বিশেষ সাক্ষাৎকার : মাহমুদূল আমীন চৌধুরী-বিচার বিভাগেআমার লোকনিয়োগ কাম্য নয়।

ডিসির অফিসে দুর্নীতি হয়। সব অফিসে দুর্নীতি হয়। সেখানে সব হালাল আর রাস্তার অন্য ধারে জেলা জজের অফিস। সেখানে ঘুষ হারাম। সেটা হয় কি? অন্যান্য সব বিভাগ করে তাহলে আমরা করলে কী সমস্যাএই একটা মানসিকতা দাঁড়িয়ে গেছে। এক তরুণ সহকারী জজ চাকরিতে ঢুকেই বলেছিলেন, ঢাকায় বাড়িগাড়ি করব। আমি তখন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ। তাকে ডেকে তিরস্কার করেছিলাম। কিন্তু পরে সে ঠিকই এক দুর্নীতিগ্রস্ত বিচারক হয়েছিল।

৩।http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-04/news/98691

 

সময়সূচি মেনে চলতে বিচারকদের প্রতি প্রধান বিচারপতির নির্দেশ-তারিখ: ০৪-১০-২০১০

…………….. এরই ধারাবাহিকতায় নিজ কার্যালয়ে এসে প্রধান বিচারপতি সকাল নয়টা থেকে সোয়া নয়টার দিকে অন্তত ১০টি জেলা আদালতে ফোন করেন। তবে কুমিল্লা ও দিনাজপুরের জেলা জজ ছাড়া অন্য বিচারকদের পাওয়া যায়নি।………………..
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান আদালতের নির্ধারিত সময়সূচি সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। তবে বিচারকাজ সাড়ে নয়টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে। তবে দুপুরে আধাঘণ্টা মধ্যাহ্নবিরতি আছে।

৪।http://www.kalerkantho.com/print-edition/muktadhara/2016/03/24/339592

মনের কোণে হীরে-মুক্তো-সুষ্ঠু বিচার প্রশাসন ও মামলা ব্যবস্থাপনা ন্যায়বিচারের প্রকৃষ্ট সহায়ক

আমাদের বিচারিক কাঠামোতে মামলা ব্যবস্থাপনা যথার্থ গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে হয় না।……..এভাবেই পুরো বিচারিক কাঠামোতে মামলা ব্যবস্থাপনা অবহেলাউপেক্ষার শিকার হয়েছে।…দীর্ঘ সময় ধরে মামলার ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অবহেলা করার বিস্বাদ ফল আমরা এখন ভোগ করছি। …………মামলা ব্যবস্থাপনার এসব দুর্বলতার কারণে নিরীহ সাধারণ মানুষের কাছে আদালতপাড়া একটি ভয়াল চত্বর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।……….

৫।দেড় বছরেও শেষ হলো না অভিযোগ গঠনের শুনানি

http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/800362/

ডেসটিনির অর্থ পাচার মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি দেড় বছরেও শেষ হয়নি। সময় প্রার্থনা আর নানা রকম আবেদনের ফেরে পড়ে এগোচ্ছে না কার্যক্রম। এরই মধ্যে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হয়ে গেছে ২৬ কার্যদিবস।

৬। বিশেষ সাক্ষাৎকার : আজমালুল হোসেন কিউসি-

বিচারব্যবস্থার উন্নয়নে সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন- http://www.kalerkantho.com/print-edition/muktadhara/2016/02/09/322782

……………………..

আজমালুল হোসেন কিউসি : ………………… মামলার শুনানির জন্য সময় চেয়ে মামলার কার্যক্রম মুলতবি করার প্রবণতা আমাদের বিচারব্যবস্থার জন্য একটি অভিশাপ। আমাদের আদালতে অপর পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে সময় নিয়ে আদালত ত্যাগ করার প্রবণতা রয়েছে আইনজীবীদের মধ্যে। আবার বিচারকরা সময় দিয়ে দেন অনায়াসে, যা খুব ক্ষতিকর।

৭। সাক্ষীদের চিঠি গায়েব করার অভিযোগ- http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/337309/

 

৮।মানবকন্ঠ-২৪/০১/ ২০১৫দ্বিগুণ হয়েছে মামলার জট

…………. জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, মামলা জট নিরসনের জন্য কেস ম্যানেজমেন্ট এবং কোর্ট ম্যানেজমেন্ট খুবই জরুরি। এর অভাবে বিচার প্রার্থীরা কোর্টের ক্লার্কদের হাতে জিম্মি হয়ে  পড়ে।…………. তাছাড়া আদালত পরিচালনায় সময়ানুবর্তিতার যথার্থ প্রয়োগের কথাও বলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।

৯। প্রধান বিচারপতির হুঁশিয়ারি-দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

 

http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2011-12-31/news/212895

 

প্রধান বিচারপতি অধীনস্থ জজ ও আদালতের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির প্রতিটি অভিযোগ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গোচরে আনতে জেলা জজদের নির্দেশ দেন।

…………
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমি শুনতে পাই কোনো কোনো জেলা জজ মধ্যাহ্ন বিরতির পর আদৌ বিচারকাজে বসেন না। এটা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ঢাকায় পরিবার থাকে, এমন বাইরের বিচারকদের মধ্যে কেউ কেউ বৃহস্পতিবার দুপুরের পর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। তাঁরা রোববার দুপুরে কর্মস্থলে ফিরে যান। তিনি কোনো কোনো জেলা জজের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সরকারি গাড়ি নিয়ে জেলার বাইরে ভ্রমণ করার কথাও উল্লেখ করেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

 

১০।http://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2015/01/23/178903

নিয়মিত বিচার বিভাগীয় ও পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট সম্মেলনের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

……এবং অবশ্যই প্রতি কর্মদিবসের দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ পর্যন্ত দেওয়ানি আপিল, দেওয়ানি রিভিশন, ফৌজদারি আপিল ও ফৌজদারি রিভিশন ও অন্যান্য মূল দেওয়ানি মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করবেন।…….

১১।http://www.banglanews24.com/national/news/bd/303169.details

ঢাকার নিম্ন আদালতের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতি সারপ্রাইজ ভিজিটে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা জেলা জজশীপ মহানগর দায়রা জজশীপের বিচারকদের তৎপরতা বেড়ে যায়। তারা এজলাসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন। একটি স্বাক্ষী নিয়েই দীর্ঘ সময় কাটানোর চেষ্টা করেন। কেউ কেউ এজলাস থেকে নেমে পড়লেও বিচারপতি আসার খবরে ফের এজলাসে ওঠেন। হঠাৎ করেই পরিচিত নিয়ম কানুন বদলে যায়।…….

১২।http://www.jugantor.com/old/first-page/2015/01/15/204860

 

প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দেবে না আইনজীবী সমিতি।………..নিম্ন আদালতগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।………

১৩। মামলাজট নিরসন ; সর্বোচ্চ আদালতের প্রত্যাশিত উদ্যোগ।

http://archive.samakal.net/2015/01/07/110079

………এমন অভিযোগও সচরাচর শোনা যায়, যেহেতু যত ডেট তত ফি_ কারণে অনেক আইনজীবী ইচ্ছাকৃতভাবেও টাইম নেন।……….এর মধ্যে ৩০ বছর ধরে স্থগিত মামলাও রয়েছে।………….২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক্করণের সময় ১৫ লাখ মামলা বিচারাধীন ছিল। বছরে সেটা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ।নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণের পক্ষে একটি বড় যুক্তি ছিল বিচারপ্রার্থীর সময় অর্থ সাশ্রয়। ………..

১৪। সাধারণ মানুষ আদালতমুখী হচ্ছে না-

http://archive.prothom-alo.com/detail/news/98327

শফিক আহমেদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী | তারিখ: ০৩-১০-২০১০।

……………………।
মামলার সমন জারিতে কেন বছরের পর বছর লাগবে? কেন এমন হচ্ছে, তা দেখার দায়িত্ব আদালতের। আদালতের উচিত কেন সমন জারিতে বিলম্ব হচ্ছে, তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা। অনেক সময় পক্ষ দ্বারাও সমন জারিতে বিলম্ব ঘটানো হয়। এগুলো নজরে আনা উচিত। আদালত ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে সমন জারিতে এত সময় লাগার কথা নয়।

মামলার দীর্ঘসূত্রতার আরেকটি প্রধান কারণ হচ্ছে মুলতবি। দিনের পর দিন মামলা মুলতবি রাখা হচ্ছে। ………….

ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার প্রধান কারণ হচ্ছে, রাষ্ট্রপক্ষ যথাসময়ে সাক্ষী হাজির করতে ব্যর্থ হয়। আমাদের দেশে প্রায় ৭০ শতাংশ বন্দী রয়েছে, যাদের মামলা বিচারাধীন। জেলের মধ্যে ধারণক্ষমতার বাইরে বন্দী অমানবিক জীবনযাপন করছে।
……………।

বিচারব্যবস্থা ধ্বংস করা মানে রাষ্ট্রদ্রোহ

ড. কামাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ | তারিখ: ০৩-১০-২০১০।

………………।
এ দেশে আদালত থেকে এখন একটি সমন জারি করতে দুই থেকে তিন বছর লেগে যায়। মামলা চালু হতেই যদি দু-তিন বছর লাগে, তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? এ সমন জারির বিলম্ব থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে।
…………।
আইনজীবী ও বিচারকদের একত্র হয়ে বিচরব্যবস্থার উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বিচারব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে যায়। বিচারব্যবস্থা ধ্বংস করা মানে রাষ্ট্রদ্রোহ।

১৫।- http://www.jugantor.com/old/sub-editorial/2013/08/22/22559

বিশাল দুর্নীতির ঝুঁকি থেকে বিচার ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে হবে।-মইনুল হোসেন

………….. আমাদের দেশে দুর্নীতির মধ্যেই দুর্নীতি বাসা বাঁধে, তাই বড় ধরনের দুর্নীতির উদ্ঘাটন কোনো ক্ষেত্রের দুর্নীতি নিরোধে কোনো প্রভাব ফেলে না। বাস্তবতা হচ্ছে, দুর্নীতির মামলা যত বেশি বড় হচ্ছে, তত বেশি সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে অন্যদের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতিতে ভাগ বসানোর।…………..দুর্নীতির মামলার পেছনে থাকে বিপুল অংকের টাকার খেলা, আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সহজে অর্থ উপার্জন করার এ কাহিনী আজ আর গোপন নেই। …………….মামলা বাড়ছে অথচ দুর্নীতি কমছে না। এর প্রধান কারণ মামলা তদন্তের নামে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ার সুযোগ। ……..
তাই সব দিক বিবেচনায় নিলে এ সিদ্ধান্তে না এসে উপায় নেই যে, আমাদের দেশে এক দুর্নীতি থেকে বহু দুর্নীতির বিস্তার ঘটছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা বিচার ব্যবস্থার সহযোগিতায় হচ্ছে।
দুর্নীতির চাপ এতটা বাড়ছে যে বিচার বিভাগ তার পরিশুদ্ধ চরিত্র হারাচ্ছে এবং সেই অবক্ষয়ের স্বাক্ষর প্রকটিত হচ্ছে। আমাদের দেশে দুর্নীতির মামলা যে প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করা হচ্ছে সেই প্রক্রিয়ায় মারাত্মক গলদ রয়েছে। ………………..সবচেয়ে দুশ্চিন্তার ব্যাপার হল, নির্দোষকে বাঁচাতে হবে, সুরক্ষা দিতে হবে বিচারের এই মূলনীতি খুব কমই বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ কারণে দুর্নীতির মামলাগুলো পরিচালনার দায়িত্ব যারা পালন করছেন, তারা মামলা শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে নির্দোষকে নিষ্কৃতি দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কিছু লোকের জন্য দুর্নীতির মামলা হলেই লাভ। বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি অন্যায়-অবিচারকেই যে প্রশ্রয় দিচ্ছে তা তো সহজেই অনুমেয়।
…………………..বড় মাপের দুর্নীতিবাজদের রয়েছে আর্থিক ক্ষমতা ও সামাজিক প্রতিপত্তি। যারা কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন, তারা জানেন কিভাবে তা রক্ষা করতে হয়। তাদের সুনাম রক্ষার কোনো বালাই নেই, তারা ভালো করেই জানেন, অবৈধ অর্থ অবৈধ পথেই রক্ষা করতে হয়। ………………..যদি জামিন পাওয়া সহজ হয়, তাহলে বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে দুর্নীতির প্রণোদনা কমে আসবে। জামিন লাভের পথে জটিলতা সৃষ্টি করায় বড় বড় দুর্নীতির মামলাগুলোকে ঘিরে দুর্নীতির ব্যাপক জাল বিস্তার লাভ করেছে। এসব বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা লাখ টাকা, কোটি টাকার শর্তে কথা বলে থাকেন। ……….. প্রসিকিউশন বিলম্বিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে প্রকৃত অপরাধীকে দুর্নীতির মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম ব্যর্থ করে দিতে সাহায্য করা।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন : আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ।

১৬।http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/121147/

টাকা ছাড়া সমন নড়ে না-জারিকারকের জারিজুরি!

আদালতের জারিকারকেরা টাকা ছাড়া নোটিশ বা সমন নিয়ে প্রাপকের কাছে যান না। আবার টাকা নিয়েও তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাতে পৌঁছান না। কারণে বছরের পর বছর সমন আটকে থাকে। এতে মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হয়। ছাড়া, জারিকারকেরা অনেক সময় খরচের দুতিন গুণ টাকা দাবি করেন। এক পক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অন্য পক্ষের সর্বনাশও করেন তাঁরা। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী বাদীবিবাদী, আইনজীবী সহকারীদের মুখে মুখে।………….

১৭।http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/52235/ 

চট্টগ্রাম আদালত ; দুর্নীতিমুক্ত করতে মাঠে আইনজীবী সমিতি

১৮।http://archive.prothom-alo.com/detail/news/258615

সরল গরল-বিএনপির হরতাল আইন প্রতিমন্ত্রীর ‘পোস্ট বক্স’

মিজানুর রহমান খান | তারিখ: ১৮-০৫-২০১২

………….

সুপ্রিম কোর্টের যে সত্তা অধস্তন আদালত নিয়ন্ত্রণ করে, সেটি একান্তভাবে প্রশাসনিক। তাই আদালত অবমাননার ভয় করি না। নিম্ন আদালতের কতিপয় বিচারক ঢাকায় একটি বদলি পাওয়ার জন্য জান কোরবান করতে প্রস্তুত থাকেন। বিড়ালের ইঁদুর ধরার মতো সরকারও এর সুযোগ নিতে ওত পেতে থাকে। আমরা দালিলিকভাবে প্রমাণ দিতে পারি, সরকারের অস্বচ্ছ ইচ্ছা পূরণে সুপ্রিম কোর্ট কখনো কখনো কীভাবে পোস্ট বক্সের মতো কাজ করেন।………

১৯।http://www.jugantor.com/old/first-page/2014/06/23/114475

 

পেশকারদের চাতুরিতে স্থবির এক হাজার মামলার বিচার

………….. আসামিদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কিংবা বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়ে পরোয়ানা না পাঠিয়ে পেশকাররা গুরুতর অনিয়ম করে চলেছেন। সাক্ষী আসামিদের কাছে পরোয়ানা না পাঠানোর কারণে সাক্ষীরা আদালতে আসেন না আসামিকে গ্রেফতারও করতে পারে না পুলিশ। পাশাপাশি ইচ্ছা করেই ভুল ঠিকানায় পরোয়ানা পাঠান অনেক পেশকার, যাতে করে সাক্ষীদের গ্রেফতার করে আদালতে না আনতে পারে পুলিশ। অনেক সময় সাক্ষী এলেও তাদের পেশকাররা সাক্ষ্য না দিয়ে চলে যেতে বলেন। এসব কারণে বছরের পর বছর শেষ হয় না মামলার বিচার। ঢাকার উল্লেখিত আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলোর নথি পর্যালোচনা যুগান্তরের নিজস্ব অনুসন্ধানে জানা গেছে উল্লেখিত সব তথ্য। ………

২০।কালের কন্ঠ-১৩/১১/২০১০ ।

 

অভিযোগ প্রধান বিচারপতির-অনেক বিচারক নাজিরের সঙ্গে টাকাপয়সা লেনদেন করেন

……..এতে নিম্নপদস্থ কর্মচারীরা বিচারকদের ব্যবহারের সুযোগ পায়। তারা মাথায় উঠে বসে।
………….. উচ্চ থেকে নিম্ন পর্যন্ত আপনাদের কাজ, যোগ্যতা সততা নিয়ে জনগণ সন্তুষ্ট নয়। আপনারা এমনভাবে কাজ করুন, যাতে বাংলাদেশের জনগণ বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ফিরে পায়।
……… ‘জেলা পর্যায়ে আপনাদের জন্য বিশাল বিশাল বাড়ি রয়েছে। মফস্বল এলাকায় খাওয়া খরচও অনেক কম। কিন্তু আপনারা ওখানে থাকতে চান না। শার্টলের মতো পরিবার রেখে ছুটে বেড়ান।তিনি বলেন, ‘এতে পরিবারের পাশাপাশি আপনারা নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হন। মানসিক প্রশান্তি কমে যায়। এর বড় একটা প্রভাব আপনাদের বিচারকার্যে এসেও পড়ে।………..আদালতের ডাইরি ঠিক নেই। সাড়ে ১২টার মধ্যে অনেক বিচারক এজলাস থেকে নেমে গেছেন।………


http://oldsite.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&dd=2010-11-13&ni=39241

জজদের প্রতি প্রধান বিচারপতির হুঁশিয়ারি ॥ তোলা নেবেন না

০ প্রধান বিচারপতি জানান, তাঁর কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে জজ ও নাজির মিলে টাকা-পয়সা লেনদেন হয় 
০ দ্রুত রায় লিখতেও নির্দেশ দিলেন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বিচারিক আদালতের জজদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে কর্মচারীদের সঙ্গে আপনারা আর্থিক লেনদেন করে থাকেন। আমি অনেকের নামও বলতে পারি। আপনারা নাজিরের সঙ্গে টাকাপয়সা লেনদেন করেন। কোনভাবেই নিম্নপদস্থদের সঙ্গে ভালমন্দ শেয়ার করবেন না। বিচার বিভাগ এখন কাঠগড়ায়। এমনভাবে কাজ করম্নন যাতে জনগণ বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা ফিরে পায়। শুক্রবার জেলা জজদের তিনদিনের কাউন্সিলের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি অধীনসত্মদের এ ধরনের পরামর্শ দেন। প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রম্নল হক অনেক বিচারকের বিরম্নদ্ধে এমন অভিযোগ তোলেন, যা বেশ কয়েকজন জজ স্বীকারও করেছেন। তাঁরা বলেছেন, প্রধান বিচারপতি আমাদের অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। দ্রুত যাতে মামলার নিষ্পত্তি করা যায় সে বিষয়েও প্রধান বিচারপতি আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জজ জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, আমাদের (জজ) মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে। প্রধান বিচারপতি শুক্রবার যা বলেছেন তা সত্য। প্রধান বিচারপতি আমাদের সংশোধন হতে পরামর্শও দিয়েছেন।

২১।http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/last-page/2014/12/22/21859.html

বিচারকদের সাড়ে ৯টার মধ্যে আদালতে বসতে হবে-যশোরে প্রধান বিচারপতি

………………তিনি আরও বলেন, আদালত পরিদর্শন করে যা দেখলাম তাতে একটি মামলা শেষ হতে যুগ যুগ কেটে যাবে। কোনো মামলা নিষ্পত্তির ঘটনা দেখতে পেলাম না।…………

২২।http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-25/news/172900

গোপালগঞ্জে প্রধান বিচারপতি-বিকেলে আদালত না বসার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | তারিখ: ২৫০৭২০১১

প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেছেন, বেশির ভাগ জেলায় বিকেলে আদালত বসে না, সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। তিনি আদালতের বিচারিক সময়ের বেশির ভাগের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে বার বেঞ্চের সহযোগিতা চান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, বাদী, বিবাদী সাক্ষীরা যাতে আদালতে এসে সাক্ষ্য দিতে পারেন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।………….

২৩।http://www.thedailystar.net/district-courts-to-get-cmc-chief-justice-49409

District courts to get CMC: Chief justice

…….He said, “In our justice system the overall responsibility of case flow management lies with the judges…I firmly believe that judges can, through effective utilisation of Case Management Committees, bring a qualitative change in this regard.” ……….

২৪। http://www.kalerkantho.com/home/printnews/116266/2014-08-12

বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ সুপ্রিম কোর্টের

একই ডাটাবেইসের আওতায় আসছেন কর্মকর্তারা

…………………

কয়েক বছর ধরেই বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বিশেষ করে ২০১০ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সেবা খাতে দুর্নীতি শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে ১৩টি সেবা খাতে দুর্নীতিসংক্রান্ত জরিপে বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত খাত বলে চিহ্নিত করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০১০ সালের জুলাই পর্যন্ত বিচার চাইতে এসে ৮৮ শতাংশ বিচারপ্রার্থী দুর্নীতির খপ্পরে পড়েছেন। যদিও টিআইবির এই খানা জরিপ নিয়ে বিতর্ক ছিল, তবু বিচার বিভাগ দুর্নীতিগ্রস্ত তা নিয়ে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেকেই একমত। বিভিন্ন সেমিনারে তৎকালীন প্রধান বিচারপতিও বিচার বিভাগের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছেন। এখনো পত্রপত্রিকায় বিচার বিভাগে দুর্নীতির চিত্র ছাপা হয়। ঠিক ধারণা মাথায় রেখেই একক ডাটাবেইস তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।………..

২৫।http://bangla.samakal.net/2015/07/21/150429/print

মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্বের ১২ কারণ………. ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডে বর্ণিত পদ্ধতিগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ না করা, মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হওয়ার পর সাক্ষ্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত ‘কনটিনিউয়াস হেয়ারিং’ নীতি অনুসরণ না করা।

২৬।http://www.ittefaq.com.bd/court/2015/09/20/36888.html

আইনজীবীদের সহযোগিতা ছাড়া বিচার বিভাগে পরিবর্তন সম্ভব নয়

…………………..

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বেল পিটিশন, ইনজাংশন পিটিশনগুলো আগে সকালে শুনানি করা হতো। বিকেলে আর এ বেল পিটিশনগুলোর শুনানি করতেন না।

আমি নিজে কোর্ট থেকে নামার পর বিভিন্ন স্টেশনে সেশনস জজদের আড়াইটার সময় ফোন করেছি। কেউ বাসায় চলে গেছেন, কেউ কোর্টে উঠেন না। তাদেরকে বাধ্য করার জন্য বিকেলে বেল পিটিশন করতে বলেছি।………..

২৭।http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/first-page/2015/05/23/50471.html

পূর্ণ কর্মঘণ্টা কাজ করুন ; নিম্ন আদালতের বিচারকদের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

…………..

দুপুরের বিরতির পর আইনজীবীদের অনুপস্থিতির কারণে নিম্ন আদালতের বিচার কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে— এ অভিযোগ খোদ সুপ্রিম কোর্টের। এ কারণেই আইনজীবীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা ও বিচার কার্যক্রম সচল রাখতে দিনের দ্বিতীয় ভাগে জামিন আবেদন ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনপত্রের শুনানি গ্রহণের জন্য নিম্ন আদালতের বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতে, নিম্ন আদালতের বিচারকদের কর্মঘন্টার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে; যাতে মামলার জট নিরসন হয়। চলতি মাসে দেয়া এই নির্দেশনা দেশের সকল জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত ও সমপর্যায়ের আদালত ও ট্রাইব্যুনালের বিচারকদেরকে আবশ্যিকভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে।………

২৮। http://www.bd-pratidin.com/special/2015/05/17/81728-আইনজীবীর ভুলে হেরে যান অনেক বিচারপ্রার্থী

দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তিনি বলেন, শুধু আইনজীবীর ত্রুটি বা উদাসীনতার কারণেই শতকরা ৬০-৭০ ভাগ মামলায় হেরে যায় মক্কেল। শুনানিতে আদালতের প্রশ্নের জবাবও দিতে পারেন না অনেক আইনজীবী। ……..বিচারপতি কাজী এবাদুল হক বলেন, আমি যে কাজ পারব না তা আমি নেব কেন? আমি যদি মক্কেলের মামলা করতে না পারি, তবে আমি সেই মামলা নেব কেন? আমি যদি বিচারক হই; তাহলে সময় মতো বেঞ্চে বসব না কেন, রায় লিখব না কেন? এটা যদি না পারি তাহলে বিচারক হওয়ার জন্য আমি তদবির করব কেন? ……………

২৯।http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/first-page/2015/04/12/43103.html

মামলা জট কমাতে না পারলে আমাদের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে——— প্রধান বিচারপতি

…………………

তিনি বলেন, আপনারা বিচারক, শুধু আদালতের কার্যদিবসে নয়, ২৪ ঘণ্টার বিচারক। কারণ কোর্ট থেকে আসার সময় একটা ফাইল (মামলার নথি) বাসায় নিয়ে এসেছেন। রাতে বাসায় বসে নথি পর্যালোচনা করে ভাবছেন মামলার আসামিকে খালাস দেবেন, নাকি ফাঁসি দেবেন? ২৪ ঘণ্টা আপনারা কাজ করছেন। এজন্য কোনমতেই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করবেন না। আর যদি এটা করেন তাহলে আপনার জায়গা কিন্তু অন্য কেউ দখল করবে। তখন আর কিছু বলার থাকবে না।…………

৩০।http://www.jugantor.com/old/news/2015/04/12/248050- আদালতে বসেন না ৮০ ভাগ বিচারক।

মামলার জট সহনীয় পর্যায়ে না আনলে বিচার বিভাগের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। মামলা জটের জন্য বিচারকদের আন্তরিকতার অভাবকে দায়ী করে তিনি বলেছেন, আমি দুঃখের সঙ্গে খেয়াল করলাম প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৮০ ভাগ বিচারক নিয়মিত আদালতে বসেন না। বসলেও আন্তরিকতার অভাব ছিল।………..প্রশাসনের সঙ্গে বিচারকদের তুলনা না করার পরামর্শ দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, কোনো দিনই চিন্তা করবেন না যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বা পার্লামেন্টে কী হচ্ছে? তারা ঠিকমতো অফিসে আসেন না, তাই আমরাও সে রকম করব।……………

৩১। দুর্নীতি করব না, করতে দেব নাসম্পাদকীয়- http://www.bd-pratidin.com/home/printnews/70962/2015-03-27 …….. কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজে এখন নীতির চেয়ে দুর্নীতির প্রসার বেশি এবং রমরমা। সভ্যতার ক্যান্সার এই দুর্নীতি মানুষের বিবেককে কুরে কুরে খাচ্ছে। সরকারি অফিসে দুর্নীতি, বেসরকারি অফিসে দুর্নীতি, ব্যবসায় দুর্নীতি, হাসপাতালে দুর্নীতি, শিক্ষায় দুর্নীতি। এমন কী বিচার ব্যবস্থার মতো পবিত্র বিভাগকেও আমরা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হিমশিম খাচ্ছি। …….

৩২।http://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2014/12/06/159545

৭ বছরে মামলা ঝুলেছে ১৫ লাখ

ঝুলন্ত মামলায় জর্জরিত দেশের উচ্চ ও নিম্ন আদালতগুলো। প্রতিবছর বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বাড়ছেই। এখন সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখের বেশি। ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর দেশের সব আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৭০ হাজার। মাত্র সাত বছরেই ঝুলন্ত মামলার সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।………… ছাড়া সারা দেশের আদালতগুলোর মামলা ব্যবস্থাপনা কমিটির সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করাও মামলাজট বাড়ার অন্যতম কারণ।……….আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, নিম্ন আদালতে মাত্র ১৭০০ বিচারক বিচারকাজ পরিচালনা করছেন। ……….…  সাক্ষীদের প্রতি জারি করা সমন বা নোটিশ এক শ্রেণির জারিকারক পুলিশ না পাঠানোয় বা লুকিয়ে রাখায় মামলার বিচারে বিলম্ব হয়।………..

৩৩। মনের কোণে হীরে-মুক্তো-বাংলাদেশে পেশাভিত্তিক নৈতিকতার হালহকিকত- ড. সা’দত হুসাইন- http://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2015/03/14/198415

……………….

এরপর আসি বিচারকের জন্য নির্দিষ্ট নৈতিকতা প্রসঙ্গে। বিচারক বলতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভূমি বোর্ডের সদস্য, কো-অপারেটিভের রেজিস্ট্রার ও আধা জুডিশিয়াল কোর্টের সিদ্ধান্তদাতা থেকে শুরু করে নিম্ন ও উচ্চ আদালতের বিচারককে বোঝানো হচ্ছে। সভ্যতার প্রায় আদিলগ্ন থেকে বিচারালয়কে নাগরিকের শেষ ভরসা ও আশ্রয়স্থল হিসেবে গণ্য করা হয়। যখন দেশের সব প্রতিষ্ঠান বিনষ্ট হয়ে যায় তখনো সুনাগরিকরা শেষ ভরসা হিসেবে বিচারকের দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রায় সব ধর্মীয় অনুশাসনে বিচারকের সততা ও ন্যায়পরায়ণতার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে বিচারককে ন্যায়পরায়ণতার প্রতি নিবেদিত থাকার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন। প্রায় সব সমাজের ও বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশেও বিচারকদের নাগরিকরা তাদের মূল্যায়নে সুউচ্চ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত রেখেছে।………….Procedural অংশ, যেমন জামিন, রিমান্ড, কেসের তারিখ নির্ধারণ, পরওয়ানা-সমন জারি ও সামগ্রিকভাবে মামলা ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে পর্যবেক্ষক ও মামলা সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মধ্যে কখনো কখনো অসন্তুষ্টি লক্ষ করা যায়।………………

 

৩৪।http://www.jugantor.com/old/news/2015/11/29/15084 -বিচার পেতে ১৮ ঘাটে পয়সা দিতে হয়-দেশের সাধারণ মানুষকে বিচার পেতে হলে আদালতের ১৮ ঘাটে পয়সা দিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু। তিনি বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষ আসে ন্যায়বিচারের জন্য। কিন্তু তারা ন্যায়বিচার না পেয়ে অবিচারের শিকার হচ্ছেন।……….

৩৫।বাংলাদেশে ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন’-Published : Thursday, 9 July, 2015 at 11:43 AM

বৃটিশ সরকারের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের ‘ওভারসিজ বিজনেস রিস্ক : বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এবং স্থানীয় সরকারসহ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা দুর্বল। দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। দেশটিতে ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন। ……………………… প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ঘুষ এবং দুর্নীতির ব্যাপক চর্চা হয়।………………

৩৬। প্রধানবিচারপতি ; উন্নতির মূল চাবিকাঠি আইনশৃংখলা- http://www.jugantor.com/old/news/2015/06/19/281040

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতির গতিধারার মূল চাবিকাঠি হল দেশের আইনশৃংখলা। বিদেশীরা যখন একটি দেশে বিনিয়োগ করেন তখন তারা সে দেশের আইনশৃংখলা, অবকাঠামো ও বিচারব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখেন। তাই দেশে আইনশৃংখলা উন্নতির প্রয়োজন।……….জজশিপের বিচারক বিজ্ঞ আইনজীবীরা যদি বিকালে দ্বিতীয় দফায় কোর্ট করেন তবে মামলাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।………

৩৭।১৬/৬/ ২০১৫-বিচার বিভাগের বেহাল অবস্থা-এ এম এম শওকত আলী

কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ঊর্ধ্বতন অধস্তন আদালতের বিভিন্ন ধরনের দুর্বলতার কথা বলেছেন। এর মধ্যে একটি ছিল জেলা আদালতের কিছু বিচারক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকায় আসেন।……………

৩৮। আইন কমিশনের অভিমত-বিচার বিভাগের ভঙ্গুর দশা- http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/first-page/2015/06/09/53532.html

বিচারক বাড়লেও মামলার জট কমেনি, ৩১ লাখ মামলা নিষ্পত্তিতে বিচারক রয়েছেন ১২শ’

‘দেশের বিচার বিভাগ এখন এক ভঙ্গুর অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে’-এই অভিমত আইন কমিশনের। কমিশন মনে করে, এর ফলে মামলা জট দূর করা তো দূরের ব্যাপার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই ব্যর্থ হবে বিচার বিভাগ। ……………………….

আইন কমিশন মনে করে, বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি করলেই কেবল মামলার সংখ্যা কমবে না। কমিশন এ ব্যাপারে ১২ দফা করণীয় উপস্থাপন করেছে। মামলা নিষ্পত্তি পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি মনিটরিং সেল, রুল ইস্যু না করে কোন আদেশ প্রদান না করা, ৬ মাসের মধ্যে রুল নিষ্পত্তি না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উক্ত রুল খারিজ করা, প্রত্যেকটি মোশন এফিডেভিটের তারিখ ও ক্রম অনুসারে নিষ্পত্তি করাসহ অবকাশকালীন বেঞ্চের সংখ্যা বৃদ্ধির সুপারিশ রয়েছে এতে।

 

মামলা জটের কারণ হিসেবে বিচারকদের অদক্ষতাও দায়ী বলে মনে করে আইন কমিশন।…………………………… সে সময় পদোন্নতি এবং পদায়নের জন্য তদবির করা হলে অসদাচারণ বলে গণ্য করা হতো। কিন্তু পরবর্তীকালে বিচারকগণ মন্ত্রণালয়ে নানা বিষয়ে তদবির করা আরম্ভ করেন। আইন কমিশন মনে করে, বিচার বিভাগের অবক্ষয় এভাবেই শুরু হয়। বর্তমান অবস্থা আরো ভয়াবহ বলে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, পূর্বে জেলা পর্যায়ের বিচারকদের সাথে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের যোগাযোগের কোন সম্ভাবনা ছিল না। বর্তমানে অনেক জেলা পর্যায়ের বিচারক হাইকোর্টের বিচারপতিদের কাছে গিয়ে তদবির করেন। অভিযোগ আছে, অনেক বিচারক বিভিন্ন বিচারাধীন মামলায় কোন কোন বিচারপতিদের নিকট হতে তদবির পান। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে অনেক ক্ষেত্রে সততা, যোগ্যতা জ্যেষ্ঠতা যেন পদোন্নতির মাপকাঠি নয়। কার সাথে কার যোগাযোগ আছে তাই প্রধান। কারণে উচ্চ আদালত নিম্ন আদালত সার্বিকভাবে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি বর্তমানে মোটেও উজ্জ্বল নয়। মানুষের শেষ ভরসা বিচার বিভাগ এক ভঙ্গুর অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। এখানে আইনের শাসন প্রয়োগের ব্যর্থতা রয়েছে।………………

৩৯।http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/549151/ মামলা হয়, বিচার হয় না

দেশে মানব পাচার আইনে গত সাড়ে তিন বছরে দেড় হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। আসামির সংখ্যা ছয় হাজারের বেশি।……………………
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মানব পাচার পর্যবেক্ষণ সেলের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত তিন বছরে যেসব মামলার রায় হয়েছে, সেগুলোর সবই নারী শিশু নির্যাতনের।……………..

৪০।আমাদের সময়-৩০/১১/ ২০১৪, বছরে ,৭৭১টি দুর্নীতির মামলার রায়; সাজা কম, খালাসই বেশি

সৌজন্যেঃhttp://corruptionwatchbd.com/-(Web site), https://web.facebook.com/corruptionwatchbd16/ (Facebook page), https://web.facebook.com/groups/CheerosabujBd/  (Facebook group), https://www.youtube.com/channel/UC2sfCt6pa7xaDlQuX7nXAgA/videos (You tube), E-mail: corrutptionwatchbd@gmail.com  ,  [১১৫৫টি ফেসবুক গ্রুপের সদস্য(আরও বাড়বে), যার মোট সদস্য সংখ্যা কয়েক কোটি]

Related posts