২-৩জনে ২০-৩০জনের ঘুষ যোগায়।

ঠিকাদারী কাজে টপ-টু-বটম অনেকেই জড়িত থাকে। এদের মধ্যে কেহ সৎ থাকতে পারেন। কার্য্যাদেশের সাথে কাজের/সরবরাহের/সেবার তালীকা(ওয়ার্ক সিডিউল) সংযুক্ত থাকে। প্রায় সকল আইটেমে লিখা থাকে, “নক্সা ও ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর নির্দেশ ও সন্তুষ্টি মোতাবেক কাজটি করিতে হইবে।”  প্রকৌশল কাজের ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর(সাধারনতঃ সহকারী/উপবিভাগীয় প্রকৌশলী-AE/SDE) অধীনে তদারককারী কর্মকর্তা (সাধারনতঃ উপসহকারী প্রকৌশলী-SAE) থাকেন, যিনি সার্বক্ষনিক কার্য্যস্থলে(সাইটে) সশরীরে উপস্থিত থেকে কাজের তদারক করেন। মূলতঃ কাগজে কলমে ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও বাস্তবে উপসহকারী প্রকৌশলী কাজের মান ও পরিমানের(Quality & quantity) জন্য ১০০% এ দুজন দায়ী। এদের উপরে থাকেন দপ্তর প্রধান বা নির্বাহী প্রকৌশলী(XEN)। নির্বাহী প্রকৌশলী কাজের মান ও পরিমানের জন্য দায়ী না হলেও প্রশাসনিক কেন্দ্রে থেকে উপর-নীচে সব দেখভাল করেন।

এটা বাস্তব সত্য যে, ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও তদারককারী কর্মকর্তা সৎ হলেও  অবশিষ্টরা যে ২৫-৩০-৪০% ঘুষ, পার্সেন্টেজ, কমিশন নেয় তা তাদেরকে(AE/SDE, SAE) ম্যানেজ করতে হয়, কাজের মান ও পরিমান কম করিয়ে। আর এরা(AE/SDE, SAE) অসৎ হলেও ২৫-৩০-৪০% ঘুষ, পার্সেন্টেজ, কমিশনের মধ্যে পায় ২-৩-৫%।

তাই এদেরকে(XEN, AE/SDE, SAE) নিয়ন্ত্রন ও প্রটেকশন(সৎ রাখা এবং উপর-নীচের-বাইরের চাপ থেকে রক্ষা করা) দিতে পারলে, প্রতিবছর যেমন হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে, তেমনি ৫-১০-১৫বছরে রাস্তা ঘাট ব্রীজ কালভার্ট বাঁধ গর্ত হবেনা, ভাঙ্গবেনা। এটা সকল ঠিকাদারী কাজের ক্ষেত্রেই (কাজের/সরবরাহের/সেবার) প্রযোজ্য।

Related posts