Ruppur NPP(RNPP) & SCADA

গত শতকের আশির দশকে বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরন প্রকল্পের অধীনে খুলশীতে SCADA(system control and data acquisition) স্থাপন করা হয়। সেসময় এক কর্মকর্তা গর্ব করে বলেছিলেন যে, এশিয়া মহাদেশে ইহা প্রথম। দীর্ঘকাল ইহা অকেজো ও অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে থাকার পর পিডিবির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের আমলে, তাঁহাকে ভুল বুঝিয়ে বহুকোটি টাকা ব্যয়ে আবার সচল করার উদ্যোগ নেয়া হয়। বর্তমানে একই প্রক্রিয়া চলমান।

কয়েকলাখ টাকা বা বড়জোর কয়েক কোটি টাকার ঘুষ-কমিশন বানিজ্যের জন্য দেশের লাখ লাখ কোটি টাকা ক্ষতি করার লাখ লাখ উদাহরনের মধ্যে শতভাগ অপ্রয়োজনীয় SCADA-একটি। SCADA-এর প্রথম কাজ হচ্ছে একটি কন্ট্রোল রুমে বসে বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ system রিমোটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করা এবং data collection(যেমন-volt, ampere, mw, mvar, ইত্যাদির reading গ্রহন) করা। কয়েকহাজার বর্গমাইল এলাকার বিদ্যুৎ system রিমোটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করতে হলে, বিদ্যুৎ system-এর যে standard প্রয়োজন, তার ছিঁটে ফোঁটাও তখনও ছিলনা, এখনও নেই। SCADA সম্পর্কে সংক্ষেপে এটাই বলা যায়। বাংলাদেশের SCADA সম্পর্কে এশিয়ার লোকতো দূরের কথা, বাংলাদেশের তথা পিডিবির লোকেরই তেমন কোন ধারনা নেই। SCADA –এর মত কিছু আছে তা জানেইনা। তাহলে এশিয়ায় প্রথম হওয়ার দরকার কি?

বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ানোর জন্য রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট(RNPP) নির্মান করা হচ্ছে। প্রাথমিক মূল প্রকল্প ব্যয় ১লাখ কোটি টাকা হলেও ডিকমিশনিং ছাড়াই ব্যয় দেড়লাখ কোটিতে পৌঁছবে। পুরাতন রোগ মানে সময় সময় ব্যয় বৃদ্ধি ধরলেতো ব্যয়(ডিকমিশনিং ব্যতীত) ২(দুই)লাখ কোটি টাকা হলেও আশ্চর্য্য হওয়ার কিছু থাকবেনা। জ্বালানী যাহাই হোক, যত সস্তাই হোক, ২৪০০মেগাওয়াটের কাজ একই।

আরো দ্রস্টব্যঃ-প্রথম আলো-মতামত -পারমাণবিক বিদ্যুৎ-রূপপুর প্রকল্পে ১,৩৫০ কোটি ডলার ব্যয় কি যৌক্তিক?-মইনুল ইসলাম | নভেম্বর ০৮, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ ।

প্রথম আলো-মতামত-Bottom of Form

পরিবেশ-জ্বালানি বিতর্ক জার্মানির পথ-সুজিত চৌধুরী |  মার্চ ০৫, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ। …… জ্বালানিসংকটের অজুহাত দেখিয়ে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে আত্মবিনাশী। জার্মানরা পরমাণুবিজ্ঞানের (হাইজেনবার্গ) জন্ম দিয়েছে। তারপরও সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, পারমাণবিক প্রকল্প আর হবে না। পুরোপুরি গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।……………..

প্রথম আলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রপ্রকৃত ব্যয় আরও বাড়বে-অরুণ কর্মকার | আপডেট: ০২:১৮, জানুয়ারি ১২, ২০১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রথম আলো রকমারি পাতা-Bottom of Form

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প-বিশদ তথ্য প্রকাশের আহ্বান টিআইবির-নিজস্ব প্রতিবেদক |  ডিসেম্বর ২৮, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ ……………….বিবৃতিতে ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘এ বছরের সেপ্টেম্বরে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী উক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মোট ব্যয় প্রায় চার বিলিয়ন ডলার হলেও মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে প্রকল্প ব্যয় তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ায় এ নিয়ে অনেক ধরনের প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে।’…………..

ENERGY & POWER-Jan. 01, 2016-RNPP – Bangladesh’s Potential Black Hole – Dr A Rahman,In the UK, is a retired principal nuclear safety consultant & a Fellow of the British Nuclear Institute.   ……

All of these calculations are based on best estimate scenario. The plant may suffer an accident causing it to be shut down for months, if not years, for repair work. Fukushima nuclear accident, Chernobyl accident etc. have caused the plants to be completely written off! When there is an accident, it is not only the plant damage to be considered but also damages to the population, to the country as a whole and even to the surrounding countries are to be considered. These costs can easily run into tens of billions of dollars and can ruin the country.  ……………

কালের কন্ঠ- ২০ মে ২০১৬। – মাদকে ধ্বংস হচ্ছে তরুণ সমাজ- কারার মাহমুদুল হাসান-………………………………

Top of Form

Bottom of Form

 

প্রতিটি গ্রামেগঞ্জে, শহরে-বন্দরে, নগরে-প্রান্তরে, প্রত্যেক পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন বয়সের (বেশির ভাগই ৩০ বছরের নিচে) বেকার, আধা বেকার, মৌসুমি বেকার, সেই সঙ্গে বিত্তশালীদের কোমলমতি সন্তানরা মাদকাসক্তির খপ্পরে পড়ে ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞে এখন মাতোয়ারা। প্রেক্ষাপটে নিজস্ব টাকার প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রেলসহ পদ্মা সেতু, তিন লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে রাশিয়ার সহযোগিতায় রূপপুর আণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, অকৃত্রিম বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের সহায়তায় বিশাল অর্থ ব্যয়ে রামপাল বিদ্যুকেন্দ্র স্থাপন, এডিবির সহায়তায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ, জিডিপির বার্ষিক বৃদ্ধি ৭.২ ভাগ ইত্যাদি চমকপ্রদ অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন দিয়ে নাদান দেশবাসী কী করবে? এ প্রশ্নের জবাব দরকার।

লেখক : সাবেক সচিব,  প্রেসিডেন্ট, চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব লজিসটিকস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, বাংলাদেশ কাউন্সিল।

Related posts