Follow up: পদ্মা সেতু

২০১২সালের ২০শে জুলাই আমরা ফেসবুকে পোস্ট করেছিলাম যে, Padma bridge can be built by local money, local builders, one third of present cost. https://web.facebook.com/permalink.php?id=214583378606270&story_fbid=400631330001473&_rdr

Padma bridge can be built by local money, local builders, one third of present cost. Mannanabdul56@gmail.com

Kaler Kantha 13/10/11 ( summerised)

দেশি উদ্যোগেই সম্ভব পদ্মা সেতু নির্মাণ টিটু দত্ত গুপ্ত
………………
নির্মাণ খাতের বিশেষজ্ঞদের মত, সেতু তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও দক্ষতা দেশেই আছে। অর্থায়নের জন্যও বিদেশে হাত পাতার দরকার নেই। সাহস করে উদ্যোগ নিলেই দেশি উপকরণ, দক্ষতা ও অর্থ দিয়ে এ ধরনের সেতু নির্মাণ করা সম্ভব। এতে খরচ ও সময় বাঁচবে, অনিশ্চয়তাও কাটবে।
চীনের উদাহরণ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশি অর্থ ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে চীনে কম খরচে ও দ্রুতগতিতে তৈরি হচ্ছে একের পর এক সেতু। ছয় কিলোমিটারের কিছু বেশি দৈর্ঘ্যের পদ্মা সেতুর নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে ২৯০ কোটি ডলার। আর এর চেয়ে আট গুণ দীর্ঘ জিয়াওঝাউ বে ব্রিজ তৈরি করতে চীনের খরচ পড়েছে ২৩০ কোটি ডলার। সময় লেগেছে চার বছর। ………….
প্রকৌশল ও নির্মাণ বিশেষজ্ঞদের মতে, সেতু তৈরির মূল উপকরণের ৭০ শতাংশ দেশেই পাওয়া যায়। বিশ্বমানের সিমেন্ট ও রড দেশেই তৈরি হচ্ছে। পরামর্শ দেওয়া ও নির্মাণকাজের তদারকি করার মতো দক্ষতা দেশের প্রকৌশলীদেরই রয়েছে। এর পরও কাজের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করার জন্য কিছু উপকরণ ও পরামর্শসেবা প্রয়োজনে অন্যান্য দেশ থেকে নেওয়া যেতে পারে। বড় সেতুর প্রসঙ্গ এলেই বিদেশে ধরনা দেওয়া প্রতিটি সরকারের একটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। কারণ হিসেবে সাহসের অভাবকেই চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
‘তা ছাড়া আর কী কারণ থাকতে পারে? আমরা যে পদ্মার ওপর সেতু বানাতে পারি সেটা ভাবার সাহসই আমাদের নেই! সে জন্য সেতু প্রসঙ্গ এলেই দেশ-বিদেশে ছোটাছুটি শুরু করেন নীতিনির্ধারকরা’, বললেন ডেভেলপমেন্ট কনস্ট্রাকশনস লিমিটেডের (ডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী নুরুল আমিন। ………….
বিদেশি কম্পানির অংশগ্রহণে কিভাবে খরচ বাড়ে এর একটি ধারণা দিয়েছেন একজন তরুণ প্রকৌশলী, যিনি পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়নের কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি জানান, কনসালটিং ফার্মগুলো তাদের নিয়োজিত জনশক্তির ওপর থেকে কমিশন নেয়। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একজন বিদেশি প্রকৌশলীর বেতন দেখানো হলো ৩০ হাজার ডলার, কিন্তু ওই প্রকৌশলীর প্রকৃত বেতন ১০ হাজার ডলার। আবার একই যোগ্যতার একজন দেশি প্রকৌশলীকে দেওয়া হচ্ছে এক হাজার ডলার।
ডিসিএলের কর্ণধার নুরুল আমিন বলেন, বড় সেতু নির্মাণের মতো পর্যাপ্ত কারিগরি দক্ষতা অবশ্যই দেশে আছে। দরকার হচ্ছে সরকারের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা। এ ক্ষেত্রে মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। তিনি বলেন, এর পরও যদি দরকার পড়ে তবে দেশের বাইরে থেকে দক্ষ জনবল নিয়োগ করা যেতেই পারে। দেশি-বিদেশি যে কম্পানিই নির্মাণকাজ করুক, কিছু উপকরণ ও সেবা দেশের বাইরে থেকে আনতে হয়।
………………. চীন সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক পলিটব্যুরোর সদস্যদের ৭৫ ভাগই প্রকৌশলী। ফলে অবকাঠামো উন্নয়নে তারা অনেক এগিয়ে।
……
নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মতে, নদী সেতু বা উড়াল সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণের ৭০ ভাগই দেশি। ……………..
দেশি দক্ষতা ব্যবহার করে পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্পের কাজ করতে তেমন অসুবিধা হবে বলে মনে করেন না অবকাঠামো নির্মাণ বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল হক। ‘……………..
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের এই অধ্যাপক আরো বলেন, পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্পের নকশা নিজেরা করতে পারলে একটা গর্বের বিষয়ও থাকে। নির্মাণকাজের দক্ষতাও দেশে রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।….

Related posts