বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করলেন সিবিএ নেতা

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিবিএ নেতারা কয়েকবছর পূর্বেও প্রধান কার্য্যালয়ের সিনিয়র অফিসারকে মারধর করেছে। সেজন্য শাস্তিস্বরূপ কয়েকজন চাকুরীচ্যুতও হয়েছিল। পরে আবার তাদেরকে পূনর্বহাল করা হয়। বাংলাদেশে সেবাখাতে(সেবাখাতের বাইরেও) অনেক দুর্নীতি হয়। কিন্তু যে অফিসে যত দুর্নীতিই হোকনা কেন, একমাত্র সিবিএ নেতা-কর্মী ব্যতীত বাকী সবাই স্বাভাবিক কর্মঘন্টাতো বটেই, তার বাইরেও অনেক সময় বেশী কাজ করে। বেশী সময়ের কাজের জন্য তারা(কর্মচারীরা, কর্মকর্তারা নহে) ওভার টাইম ভাতা পান। কিন্তু প্রায় সকল সিবিএ নেতা-কর্মীরা এক মুহুর্তও তাদের রুটিন ওয়ার্ক করেনা। উপরন্তু বহুগুন ওভার টাইম ভাতা নেওয়া, ভ্রমন না করে ভ্রমন ভাতা নেওয়া, নিয়োগ, বদলী, টেন্ডার বানিজ্যসহ হেন কোন অপকর্ম নাই যা তারা করেনা।

তাদের অবৈধকাজের সামান্যতম প্রতিবন্ধক কেহ হওয়া মানে তার জীবন শেষ। এরা পতিতা বেশ্যার চেয়েও খারাপ। পতিতা বেশ্যারা অর্থ গ্রহন করে, বিনিময়ে দেহ দান করে। বাংলাদেশে কয়েক হাজার সিবিএ নেতা-কর্মী আছে, যারা সরকার থেকে বেতন ভাতারূপ অর্থ গ্রহন করে, কিন্তু কিছুই দান করেনা। এরা নিজেরাই শুধু পতিতা বেশ্যার চেয়েও খারাপ নহে, এদের জন্ম পতিতা বেশ্যার গর্ভে শূকর-কুকুরের বীর্য্য দ্বারা। নতুবা তারা কোন অফিসারের গায়ে হাত উঠাতে পারেনা, গালিগালাজ করতে পারেনা। অফিসারের পিছনে লাগতে পারেনা।

বাংলাদেশ ব্যাংক, সকল রাস্ট্রায়ত্ব ব্যাংক, বিদ্যুৎ সেক্টর, গ্যাস সেক্টর, পানি, ওয়াসা, বিসিআইসি, বিএসইসি, বিএডিসি, ইত্যাদি সকল প্রতিষ্ঠান ১০০%সরকারী মালীকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান প্রশাসনিক কারনে স্বায়ত্বশাসিত হলেও সরকারী গেজেটে প্রকাশিত চাকুরীবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এগুলো গার্মেন্টস, প্রাইভেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, প্রাইভেট কলকারখানা, ইত্যাদির মত ব্যক্তি মালীকানাধীন প্রতিষ্ঠান নহে। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, আইএলও-এর গাঁজাখোর, মাতাল কিছু কর্মকর্তার চাপে এসব সরকারী প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক সংগঠনের আড়ালে central burgaining agent(CBA)নামে গোদের উপর বিষপোঁড়ার সৃষ্টি করে।

Related posts