নিম্ন আদালতের মামলাজটের জন্য দুর্নীতি দায়ী এবং সেই দুর্নীতির জন্য প্রধানতঃ(একমাত্র নহে) বিচারকরা (সবাই নহে) দায়ী।

মাননীয়

প্রধান বিচারপতি সাহেব সমীপেষু,

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, ঢাকা।

বিষয়ঃনিম্ন আদালতের মামলাজটের জন্য দুর্নীতি দায়ী এবং সেই দুর্নীতির জন্য প্রধানতঃ(একমাত্র নহে) বিচারকরা (সবাই নহে) দায়ী

মহাত্মন,

আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করি। সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,

আমরা শিক্ষক-মুক্তিযোদ্ধা আল মাহমুদ স্যার, প্রবাসী মোশাররফ হোসেন, দরিদ্র রং

[ শনিবারের বিশেষ প্রতিবেদন Bottom of Formশিক্ষকবৃক্ষপ্রেমীপরিচ্ছন্নতাকর্মী। মারুফ সামদানী, লোহাগড়া (নড়াইল) | ফেব্রুয়ারি২২, ২০১৪ | ………..মানুষটিরনামআলমাহমুদ (৬০)।মুক্তিযোদ্ধা।…….নড়াইলেরলোহাগড়াউপজেলাসদরেরকুন্দশীসিঅ্যান্ডবিচৌরাস্তারদক্ষিণপাশেতাঁরবাড়ি।লোহাগড়াপাইলটউচ্চবিদ্যালয়েরইংরেজিবিষয়েরশিক্ষকছিলেন।…….। জনকল্যাণঃএকপ্রবাসীরঅনন্যদৃষ্টান্ত।শরিফুজ্জামান |  ১৪-১১-১৪ | …………প্রবাসেকঠোরপরিশ্রমকরেউপার্জিতঅর্থেগ্রামেরছেলেমেয়েদেরজন্যশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগড়া, পরিবেশরক্ষাওনানাধরনেরজনহিতকরকাজেরমধ্যদিয়েএকঅনন্যদৃষ্টান্তস্থাপনকরেছেনকুমিল্লারব্রাহ্মণপাড়াউপজেলারধান্যদৌলগ্রামেরমোশার্রফহোসেন।একটি-দুটিনয়, এলাকায়পাঁচটিশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগড়েছেনতিনি।দুটিকলেজ, একটিউচ্চবিদ্যালয়, একটিমাদ্রাসাওএকটিকিন্ডারগার্টেনস্কুল।……… শনিবারের বিশেষ প্রতিবেদন; গ্রামেরআলোকিতমানুষ।আজাদরহমান, ঝিনাইদহ | নভেম্বর২৩, ২০১৩ | Bottom of Form

……… এইজহিররংমিস্ত্রিরকাজকরেযাআয়করেন, তার৫০শতাংশখরচকরেনসমাজেরকল্যাণমূলককাজে।…]

মিস্ত্রি জহির রায়হানসহ দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা অগণিত স্বেচ্ছাসেবী জনদরদীদের মত মানবকল্যাণের লক্ষ্যে কাজ করার উদ্যোগ নিই।[কোন সরকারী/বেসরকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান থেকে কোন প্রকার আর্থিক সুবিধা নিইনা বা নেওয়ার কোন চেষ্টাও আমরা করিনা।]এরই অংশ হিসাবে ২০০৯সাল থেকেই নিম্ন আদালতের কার্য্যক্রম নিয়ে গবেষনা কাজ শুরু করি। আমাদের গবেষনায় নিম্ন আদালতের দুর্নীতি, অনিয়মের যে চিত্র উঠে আসে তা TIB(Transparency International Bangladesh)-কর্তৃক প্রকাশিত চিত্রের চেয়েও অনেক ভয়াবহ। TIB যদিও সমগ্র বিচার বিভাগ(নিম্ন আদালত, উচ্চ আদালত, আইন মন্ত্রনালয়, আইনজীবি, ইত্যাদি) নিয়ে কাজ করেছে, আমরা শুধু নিম্ন আদালত নিয়ে কাজ করছি। তবে প্রসঙ্গক্রমে কখনও কখনও উচ্চ আদালতও আমাদের বিবেচনায় এসেছে। আমাদের বিশ্বাস উচ্চ আদালতের কিছু মাননীয় বিচারপতি না থাকলে বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশী সংখ্যক নির্দোষ লোককে বছরের পর বছর বিনা বিচারে জেলে থাকতে হত। কোন ব্যক্তি, শ্রেনী, পেশা, ইত্যাদির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান নহে।

১।গবেষনায় আমাদের কাছে মনে হয়েছে যে, জনকল্যাণ বিবেচনায় ব্রিটিশ, পাকিস্তান, বাংলাদেশ আমলে ভারতীয় উপমহাদেশে এবং সম্ভবতঃ সারা বিশ্বের এযাবৎকাল পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ প্রধান বিচারপতি বাবু এস, কে, সিনহা এবং শ্রেষ্ঠ জেলা দায়রা জজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা।প্রধান বিচারপতি  নিম্ন ও উচ্চ আদালতের আইনজীবি ছিলেন, জেলা ও দায়রা জজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা সরাসরি বিচারক ছিলেন ও আছেন। সবাই নিম্ন আদালতের অনিয়ম, দুর্নীতি প্রত্যক্ষ করেছেন, কে কিভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি করে তাঁরা তা ভালভাবেই ওয়াকিবহাল। আপনিও নিম্ন আদালতের আইনজীবি ছিলেন, আপনারও তা(নিম্ন আদালতের অনিয়ম-দুর্নীতি) অজানা থাকার কথা নহে।

২।চিকিৎসা শাস্ত্রে ২টি কথা আছে-একটি- সঠিক রোগ নির্ণয়করন(Proper diagnosis), অপরটি-Prevention is better than cure.তাঁরা সবাই উচ্চ ও নিম্ন আদালতের রোগ নির্ণয় করতে পেরেছিলেন এবং তার ঔষধ ছিল দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করা। অনিয়ম-দুর্নীতি করতে না দেওয়াই দুর্নীতি প্রতিরোধের শ্রেষ্ঠ উপায়।

৩।একটি কোর্টে বা যেকোন মামলায় পরিচালকের position-এ থাকেন বিচারক, তিনি যেভাবে পরিচালনা করবেন, সেভাবেই চলবে। আইনজীবি, পেশকার, সেরেস্তাদার, জারীকারক গং তাহার সহকারী বা Helping hand.[Also vide:- Sunday, November 09, 2014 ,City4Success in Quick Case DisposalDistrict courts to get CMC: Chief justice: ………He said, “In our justice system the overall responsibility of case flow management lies with the judges…I firmly believe that judges can, through effective utilization of Case Management Committees, bring a qualitative change in this regard.” ……]. গবেষনায় ২০০৯সালেই আমরা নিশ্চিত হই যে, নিম্ন আদালতের দুর্নীতি ও মামলাজটের জন্য প্রধানতঃ(একমাত্র নহে) বিচারকরাই দায়ী (সব বিচারক নহে)।আমরা অনেক বিচারকের আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে নিশ্চিত হই। তারা সরাসরি ঘুষ খায়না-পেশকার, স্টেনো, নাজিরের মাধ্যমে খায়। নিম্ন আদালতের কতজন বা কত percent বিচারক আর্থিকভাবে দুর্নীতিবাজ আমরা তা নিশ্চিত নহি। তবে জেলা ও দায়রা জজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকগন ব্যতীত বাকী সিংহভাগ বিচারকই কোন না কোনভাবে দুর্নীতিবাজ। যেমন সময়মত কোর্টে হাজির না হওয়া, সময়মত এজলাসে না উঠা বা নির্দিস্ট সময় পর্যন্ত এজালাসে না থাকা, সমন/ওয়ারেন্ট জারী তদারক না করা, সপ্তাহের শুরু ও শেষে কোর্ট ফাঁকি দিয়ে স্টেশন ত্যাগ করা, ইত্যাদি সব কিছুই দুর্নীতি।

৪।দুর্নীতি একটি সার্বজনীন বিষয় হয়ে গেছে। নিম্ন আদালত এর ব্যতিক্রম নহে। কিন্তু এর(নিম্ন আদালত) অন্ধকার জগৎ যে আরও কত ভয়াবহ তা বাইরের কেহই জানে না বা জানলেও প্রকাশ করার ক্ষমতা কারোরই নাই। বিচারকরা(নিম্ন আদালত) ঘুষ খায় উপরোক্তদের মাধ্যমে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, তহশিল, অডিট, ভ্যাট, ইনকাম ট্যাক্স, ইত্যাদি খাতে সারাদেশেই একটি মোটামুটি রেট নির্ধারিত থাকে। কিন্তু বিচারকদের ক্ষেত্রে এধরনের কোন রেট নাই। এখানে ঘুষের পরিমান নির্ধারিত হয় বিচারপ্রার্থীর আর্থিক, সামাজিক, চাকুরীর পদ, ইত্যাদির উপর(বিশেষ করে ফৌজদারী মামলায়, যেখানে জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশী)। ক্ষেত্র বিশেষে ঘুষের পরিমান লাখ টাকা থেকে কোটি টাকা হয়ে থাকে। কিন্তু বিচারক পায় তার অতি ক্ষুদ্র অংশ। বহু ক্ষেত্রে বিচার প্রার্থীকে ব্লাফ দিয়েও টাকা নেওয়া হয়, যার কিছুই বিচারক পায়না। যদি কোন বিচার প্রার্থী ঘুষের প্রস্তাবে রাজী না হয় বা প্রতিশ্রুত ঘুষ দিতে ব্যর্থ হয়, তখন বিচারক তার উপর ভয়ানক রুষ্ট হয় এবং তার (বিচার প্রার্থীর)জীবনে নেমে আসে ভয়ানক দুর্ভোগ। ঘুষের প্রস্তাবে রাজী না হওয়াটাকে বিচারক(যারা ঘুষ খায়) ও পেশকার, স্টেনো, নাজিররা Prestige issue মনে করে।

৫।বহু বাঘশিকারী বা বনের সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষের কাছে জানা যায় যে, বাঘ সকল ‘মরি’ খায়না।(‘মরি’ হচ্ছে বাঘের শিকারে মৃত মানুষ বা গরু, ছাগল, ইত্যাদি)। সাথের লোকজনের চেষ্টায় অনেক সময় বাঘ আস্ত বা আংশিক ‘মরি’ ফেলে যায়। সে আস্ত বা আংশিক ‘মরি’ পরে আর খায়না। কারন সে(বাঘ) বুঝতে পারে বা সন্দেহ করে, এই ‘মরি’ পূনরায় খেতে আসলে সে(বাঘ) নিহত হতে পারে। একইভাবে বিচারক, পেশকার, স্টেনো, নাজির সব বিচারপ্রার্থীরূপ ‘মরি’-র কাছ থেকে ঘুষ খায়না। যেখানে নিরাপদ মনে করবে, সেখান থেকে খাবে। তবে তারা (বিচারক, পেশকার, স্টেনো, নাজির, সেরেস্তাদার) প্রায় ১০০% বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে হাজিরা, আগে বা দেরীতে তারিখ ফেলা, সমন/ওয়ারেন্ট জারী করা/না করা, সহি-মোহরী নকল, ইত্যাদি বাবদ ৫-১০-২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। এটা সহজে হজম বা জায়েজ করা যায়, বিচারকের আয়কর নথিতে বা সম্পদ বিবরনীতে প্রদর্শন করার প্রয়োজন হয়না। তাদের ঢাকা বা অন্য স্থানের কর্মস্থলে রবিবার/বৃহস্পতিবার যাতায়াত ভাড়া, দৈনন্দিন বাজার খরচ, কর্মস্থলে রেস্ট হাউজ/সার্কিট হাউজের সাপ্তাহিক/মাসিক ব্যয়, ইত্যাদি ছোটখাটো খাতে ব্যয় হয়। সাবেক মাননীয় প্রধানবিচারপতি জনাব এবিএম খায়রুল হকের ভাষায় যাহাতোলা খাওয়া

৬।একটি আপেলের মাটিতে পড়া দেখে নিউটন মাধ্যাকর্ষন শক্তি আবিষ্কার করেন। তিনি এমন সূত্র আবিষ্কার করেন যা দ্বারা এখানে বসেই পৃথিবীর অপর প্রান্তের কোথায় তার (মাধ্যাকর্ষন শক্তি) পরিমান বা মাত্রা কত তা হিসাব করে বলে দেয়া যায়। সর্বোচ্চ শক্তির মাইক্রোস্কোপেও ইলেক্ট্রন দেখা যায়না। বিজ্ঞানী এমন সূত্র আষ্কিার করলেন যে, আজকের পৃথিবীর অপার বিষ্ময় ইলেকট্রিসিটি ও ইলেকট্রনিকস। বিজ্ঞানের এসব সূত্রে অনেক উপাদানের মধ্যে ২টি পদ থাকে- একটি Constant(ধ্রুব) ও আরেকটি Variable(স্থান বা অবস্থাভেদে বাড়া কমা)। Constant(ধ্রুব) পদ বা পদগুলো সারা ‍পৃথিবী(এমনকি সারা বিশ্ব ব্রম্মান্ডে) এক এবং অভিন্ন।এই মহান বিজ্ঞানীদের একটি চুলের সমান যোগ্যতাও আমাদের নেই। তবে আমরা গবেষনায় এমন উৎকর্ষতা অর্জন করেছি যে, ঘরে বসেই আমরা বলে দিতে পারি যে, নিম্ন আদালতের কোন বিচারক সৎ, কে অসৎ।

[ ২৭ডিসেম্বর২০১৪,আসুন, আগেদুর্নীতিকেস্বীকারকরি।বিমলসরকার।

..Top of Form

…….১০জুলাই১৯৭৫বঙ্গভবনেঅনুষ্ঠিতএকসম্মেলনেপ্রদত্তভাষণেদুর্নীতিরসংজ্ঞাদিতেগিয়েরাষ্ট্রপতিশেখমুজিবুররহমানবলেন, ‘কেবলপয়সাখাইলেইদুর্নীতিহয়না।বিবেকেরবিরুদ্ধেকাজকরাযেমনদুর্নীতি, কাজেফাঁকিদেওয়াওতেমনিদুর্নীতি।একইভাবেনিচেরঅফিসারদেরকাজনাদেখাটাওদুর্নীতি।‘………. জানুয়ারি১৯, ২০১৫, প্রশাসনেবুদ্ধিবৃত্তিকদুর্নীতি।মোঃফিরোজমিয়া : অবসরপ্রাপ্তঅতিরিক্তসচিব।……….সুতরাংবলাযায়, ভালোমন্দবোধসম্পন্ননৈতিকশৃংখলারপরিপন্থীএবংপ্রতিষ্ঠিতনীতিওআইনবিরুদ্ধকাজইদুর্নীতি।………..অথচআর্থিকদুর্নীতিরচেয়েবুদ্ধিবৃত্তিকদুর্নীতিঅনেকভয়াবহএবংসমাজেএরপরিণতিওমারাত্মক।……..

সরলগরল-সুপ্রিমকোর্টে ‘ঘুষ’, টিআইবিওমাহমুদুলইসলাম

মিজানুররহমানখান | তারিখ: ০১০২২০১১………ওইকমিটিরকাছেদুর্নীতিবাকরাপশনযেনটাকা-পয়সাসর্বস্বএকটাবিষয়।মার্কিনপণ্ডিতহেনরিক্যাম্পবেলব্লাকেরঅভিধানেলেখা, দুর্নীতিমানেক্ষমতারঅপব্যবহার।দায়িত্বের, এখতিয়ারেরঅপব্যবহারও দুর্নীতি।আইনেরঅপব্যাখ্যাওদুর্নীতি।গুডফেইথছাড়াযেযাকরবেন তাইদুর্নীতি। আইনকেইচ্ছাকৃতভাবেভাঙতে, থেঁতলাতেআমরাদেখি। এইআইনকখনোসংসদের এবং আদালতেরও তৈরিকরা।মুখবদলায়, আইনেরপ্রয়োগবদলায়। মুখচিনেখাদিম কথাটি অনেকেইজানেন। তাঁরাজানবেন, মুখচিনেআইননামেরখাদ্যওবিলানোরযোগ্য।এসবইদুর্নীতি।অতিরঞ্জনহলেওবলব, এরধ্বংসাত্মকক্ষমতারকাছেআর্থিকদুর্নীতিতুচ্ছ।আমরাওটিআইবিরধারণাজরিপেরসীমাবদ্ধতাদেখি।কারণ,তারাবিচারবিভাগেরদুর্নীতিকেশুধুইটাকারঅঙ্কেপরিমাপকরতেপ্রয়াসপেয়েছে।………]

৭।দুর্নীতির আরও বহু সংজ্ঞার মধ্যে উপরের ৩টিকে ধরলে আমরা বলতে পারি যে, সম্প্রতি অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি ও বাংলাদেশের সকল জেলা ও দায়রা জজ, জেলা জজ সমমর্যাদার সকল জজ দুর্নীতিবাজ(জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ব্যতীত), এটা Constant(ধ্রুব)।কেননা তারা মানবকল্যানে মামলা নিষ্পত্তিতে সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব এ,বি,এম খায়রুল হক এবং জেলা ও দায়রা জজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার অনুসৃত পন্থা অবলম্বন করেন না্ই। এমনকি তারা নিজেরা এবং তাদের অধীনস্থরা স্বাভাবিক কর্মঘন্টাও কাজ করেন নাই, এটা সুনিশ্চিত এবং ধ্রুব( Constant) সত্য।যদি করতেন তাহলে গত ৩(তিন)বছরে(জনাব মোজাম্মেল হোসেনের প্রধান বিচারপতিত্বের ৩বছরের পিরিয়ড ও জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার ময়মনসিংহের ৩বছরের পিরিয়ড)  আরও ন্যুনতম ২০(বিশ) লাখ মামলা বেশী নিষ্পত্তি হত। ফলে চলিত মামলা ছাড়া পূরনো কোন মামলাই অনিষ্পন্ন থাকতনা। অন্য বিচারকদের(ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী জজ থেকে অতিরিক্ত জজ পর্যন্ত) মধ্যে সৎ- অসৎ থাকতে পারে, এটা Variable।[অনুগ্রহপূর্বকদ্রস্টব্যঃ- জানুয়ারি২০ ,২০১৫, মঙ্গলবার।মামলাজটনিরসনেকার্যকরনূরুলহুদামডেল।আতাউলকরিমখোকন।……বিচারকস্বল্পতাসত্ত্বেওএভাবেমাত্র৩বছরেরমধ্যেতারাবিভিন্নপ্রকারমোট৫৬,৮২৫টিমামলানিষ্পত্তিকরতেসক্ষমহয়েছেন।এটিসংশ্লিষ্টজেলাওদায়রাজজওতার২৩জনসহকর্মীরঐকান্তিকপ্রচেষ্টারফসল।…………(-২৪ জন বিচারক ৩৩মাসে(ডিসেম্বর মাস বন্ধ ধরে) ৫৬,৮২৫টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। প্রতিজন প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭২টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন)]।২০লাখ মামলায় ৪০লাখ বাদী/বিবাদীর গড়ে ৩০লাখ পরিবারের(কিছু মামলায় সরকার বাদী/বিবাদী ধরে) প্রতি পরিবারের ৩বছরে গড়ে ন্যুনতম ১লাখ টাকা ব্যয় হিসাবে মামলার খরচ/ঘুষ বাবদ ন্যুনতম ৩০(ত্রিশ)হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হত।(যদিও এর প্রকৃত পরিমান আরও অনেক বেশী)।

[বিচারবিভাগেদুর্নীতিথাকতেপারবেনা: আইনমন্ত্রীসিনিয়রকরেসটপন্ডেন্ট; বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম29 Nov 2012   03:29:23 PM   Thursday BdST .

ঢাকা:বিচারবিভাগেকোনোধরনেরদুর্নীতিথাকতেপারবেনাবলেউল্লেখকরেছেনআইনমন্ত্রীব্যারিস্টারশফিক আহমেদ। তিনিআরওবলেছেন, ‘‘কয়েকজনবিচারকেরবিরুদ্ধেদুর্নীতিরতদন্তচলছে।অনেকেরবিরুদ্ধেশাস্তিমূলকব্যবস্থাওনেওয়াহচ্ছে।”………

 

২৫জানুয়ারি২০১৫।বিচারবিভাগেআসছেআমূলপরিবর্তন: প্রধানবিচারপতি………বিচারবিভাগেরদুর্নীতিকমিয়েআনাসময়সাপেক্ষব্যাপারবলেমন্তব্যকরেনপ্রধানবিচারপতি(বাবু এস, কে, সিনহা)

বিশালদুর্নীতিরঝুঁকিথেকেবিচারব্যবস্থাকেরক্ষাকরতেহবেমইনুলহোসেনপ্রকাশ :২২আগস্ট, ২০১৩…………….দুর্নীতিরচাপএতটাবাড়ছেযেবিচারবিভাগতারপরিশুদ্ধচরিত্রহারাচ্ছেএবংসেইঅবক্ষয়েরস্বাক্ষরপ্রকটিতহচ্ছে।আমাদেরদেশেদুর্নীতিরমামলাযেপ্রক্রিয়ায়পরিচালনাকরাহচ্ছেসেইপ্রক্রিয়ায়মারাত্মকগলদরয়েছে।………………..

সরলগরল ;বিচারকদেরদুর্নীতিএবংপ্রধানবিচারপতিরহুঁশিয়ারি।মিজানুররহমানখান | তারিখ: ০১০২২০১২। …………….. পদোন্নতিপ্রাপ্তএকজেলাজজেরডোসিয়ারেলেখা, তিনিবিচারবিভাগেরঅফিসারহিসেবেমোটেইভালোনয়।বিচারবিক্রয়করেঅবৈধভাবেটাকাগ্রহণেতিনিখুবইদক্ষ।বটিয়াঘাটাওদাকোপউপজেলায়ঘুষখোরবিচারকহিসেবেপরিচিতছিলেন।বিচারবিভাগেরভাবমূর্তিরক্ষায়তারমতোঅফিসারবাঞ্ছনীয়নয়।এটাঅবশ্য১৯৮৮সালেরকথা।আরওএকজেলাজজ১৯৮৯সালেএকজনঘুষখোরবিচারকহিসেবেপরিচিতছিলেন।পরেতাঁরাকেকীভাবেনিজেকেউতরিয়েছেনবলেনথিভুক্তহয়, তাজানিনা।বিরূপমন্তব্যগুলোযাঁরালেখেনতাকিসবসময়নিয়মমেনেলেখাহয়? তাঁদেরজবাবদিহিরতেমনকোনোব্যবস্থাআছেবলেজানতেপারিনা।
১৯৮৫সালেআরেকবিচারকেরসম্পর্কেমূল্যায়ন, তিনিআর্থিকদুর্নীতিতেজড়িত।তিনিএকজনধূর্ত।তাঁরস্ত্রীএকজনমুনসেফ।তিনিওতাঁরস্ত্রীএকজনহিন্দুবাড়িতেনিমন্ত্রিতহন, সেখানেতিনিঘুষনেনবলেআমারকাছেবলাহয়েছে।তাঁরাবিচারবিভাগকেজলাঞ্জলিদিয়েএকটিযৌথব্যবসাপরিচালনাকরছেন।’ আইনেরভুলপ্রয়োগেরদায়েহাইকোর্টবিভাগওইবিচারকেরসেশনপাওয়ারপ্রত্যাহারকরতেকৈফিয়ততলবকরেছিলেন।৮জুলাই২০০৫তিনিহাইকোর্টকেলিখেছেন, ‘বিভ্রান্তিজনকঅজ্ঞতারজন্যআমিদুঃখিতওক্ষমাপ্রার্থী।’ দুইবছরপরজিএকমিটিরএকজনসাবেকসদস্য (বর্তমানেহাইকোর্টেরঅন্যতমজ্যেষ্ঠবিচারক) তাঁরসম্পর্কেলিখেছেন,তাঁরপেশাগতজ্ঞাননিম্নমানের।বিচারসংক্রান্তকাজেরমানসুষ্ঠুনয়।তাঁরপ্রকাশকরারক্ষমতাকাজচলারমতোনয়।তাঁরবুদ্ধিমত্তাপ্রত্যাশিতমানেরনিম্নে।তাঁরওপদোন্নতিআটকেনি।……………

…..আইনমন্ত্রণালয়েরকমিটি৬১জনঅতিরিক্তজেলাজজেরমধ্যে১৩জনেরনামদুর্নীতিওঅন্যান্যঅভিযোগেপদোন্নতিরপ্যানেলেদেয়নি।…………ডোশিয়ারসাক্ষ্যদিচ্ছে, বিপুলসংখ্যকবিচারকঅপ্রতুলমামলানিষ্পত্তিরদায়েঅভিযুক্ত।…….]

৮।সাবেক দুই প্রধান বিচারপতিও বহুবার নিম্ন আদালতের দুর্নীতি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। এসিআর/ডোসিয়ার-যা অত্যন্ত গোপনীয়, তাতে উর্ধতন বিচারকই (জেলাজজ) তার অধস্তন বিচারকের, যারা অতিরিক্ত জেলাজজের মত ২য় সর্বোচ্চ পদের বিচারক, তাদের দুর্নীতি, অযোগ্যতা, অদক্ষতা, অপ্রতুল মামলা নিষ্পত্তির কথা বলেছেন।  তার মানে নিম্ন আদালতে দুর্নীতি আছে। এই দুর্নীতি নিম্ন আদালতের বিচারকরা(মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকরা ব্যতীত) প্রকাশ্য দিবালোকে করছেন। জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকরা ব্যতীত বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের যুগ্ম জেলা জজ ও সমমর্যাদা থেকে জেলা জজ পদমর্যাদার কোন বিচারকই(অতি নগণ্য সংখ্যক বিচারকের ব্যতিক্রম ব্যতীত) দুপুর ২টার পর এজলাসে বসেননা। যারা(সংখ্যায় খুবই কম) সবচেয়ে বেশী এজলাসে থাকেন তারাও কোন দিনই উভয়ার্ধে ৩(তিন)ঘন্টার বেশী এজলাসে থাকেননি। এরা আবার সপ্তাহের প্রতি কর্মদিবসে এজলাসে বসেননা।অতি নগণ্য সংখ্যক জেলা জজ ব্যতীত কোন জেলা জজই(যাদের পুলিশ বডিগার্ডসহ একক গাড়ী আছে) ১০টার আগে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননা। বহু জজ আছেন(যুগ্ম জেলা জজ ও সমমর্যাদা থেকে জেলা জজ পদমর্যাদার) যারা সারা মাসে সর্বমোট ৩-৪ঘন্টা এজলাসে বসেছেন। এই দুর্নীতিগুলো ২০০৯সাল থেকে ২০১৪সাল পর্যন্ত কোর্টের কর্মচারী, পুলিশ, উকিল, বিচারপ্রার্থীগন প্রকাশ্য দিবালোকে কোটি কোটি বার প্রত্যক্ষ করেছে।(অনুগ্রহপূর্বক সংযুক্ত Calculation-1 দ্রস্টব্য)।

৯।নৈতিকতার বিচারে বিচারকরা সভ্য জগতের সর্বোচ্চ অবস্থানে। এই বিচারকরা প্রকাশ্য দিবালোকে কোটি কোটি সংখ্যক লোকের সামনে এই দুর্নীতি করছে। যারা প্রকাশ্যে এতবড় দুর্নীতি করতে পারে পর্দার আড়ালে কি করতে পারে তা আর প্রমানের প্রয়োজন নাই। আমাদের গবেষনায় বালাদেশের নিম্ন আদালতের যুগ্ম জেলা জজ ও সমমর্যাদা থেকে জেলা জজ পদমর্যাদার বিচারকরা পৃথিবীতে সর্বকালের সেরা দুর্নীতিবাজ। তাদের দুর্নীতির ফসল মামলাজট। আমাদের কথা বিশ্বাস না হলে দয়া করে জানুয়ারি২০ ,২০১৫, মঙ্গলবার।মামলাজটনিরসনেকার্যকরনূরুলহুদামডেল এবং Calculation-3দেখুন।

১০।কেহ প্রধান বিচারপতি  বাবু  এস কে সিনহা, জেলা ও দায়রা জজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার মত জনদরদী হবেন তা আমরা আশা করিনা। কেননা পৃথিবীতে বাবু  এস কে সিনহা এবং মুহম্মদ নুরুল হুদা একজন করেই জন্মে। কিন্তু উনাদের মত কাজ না করলেও নিম্ন আদালতের বিচারকরা, তারা যেজন্য বেতন পায়, সেপরিমাণ কাজ করবেনা কেন?

১১।সংযুক্ত হিসাব মোতাবেক নিম্ন আদালতের বিচারকরা(জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকরা ব্যতীত)২০০৯সাল থেকে ২০১৪সাল পর্যন্ত ন্যুনতম ৫৯লাখ কর্মঘন্টা ফাঁকি দিয়েছেন। অনুগ্রপূর্বক Calculation-2দ্রস্টব্য।আমরা সারা বাংলাদেশের নিম্ন আদালত অনবরত পরিদর্শন করি। তার মধ্যে ঢাকা জজশীপের বিচারকদের কোর্ট প্রাঙ্গনে আগমন-বহির্গমন, এজলাসে আরোহন-অবরোহনকাল ঘন্টা মিনিটসহ রেকর্ড করি। আমাদের রেকর্ড অনুগ্রহপূর্বক সারণী দ্রস্টব্য।

 

ঢাকা, বুধবার২৫মার্চ২০১৫, সিলেটেপ্রধানবিচারপতি-বিচারাধীনমামলাগুলোনিষ্পত্তিকরতেঅন্তত১০০বছরলাগবেসিলেটঅফিস-……….অনুষ্ঠানেবিচারকদেরউদ্দেশেএসকেসিনহাবলেন, ‘আপনারাযদিআদালতেরজন্যআপনাদেরবরাদ্দসময়ের৬০ভাগওদেনতাহলেমামলারজটঅনেকখানিকমেযাবে।হিসাবকরেদেখেছিবছরের৩৬৫দিনেরমধ্যেআমরাবিচারপতিরা১৬০দিনওকাজকরিনা।এখনথেকেনির্ধারিতসময়েঅফিসকরতেহবে।প্রয়োজনেবিকেলেওআদালতবসবে।-মাননীয় প্রধান বিচারপতি(এবং অন্য বিচারপতি ও বিচারকগন) স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত ভদ্রলোক। ভদ্রলোকেরা অপ্রিয় সত্যকথা সাধারনত সবসময় বলেননা। কিন্তু বর্তমান মাননীয় প্রধান বিচারপতি(বাবু এসকে সিনহা) ইতিমধ্যে অনেকগুলো কথা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বলেছেন। যেমন-(১)[ ২৫জানুয়ারি২০১৫।বিচারবিভাগেআসছেআমূলপরিবর্তন: প্রধানবিচারপতি………বিচারবিভাগেরদুর্নীতিকমিয়েআনাসময়সাপেক্ষব্যাপারবলেমন্তব্যকরেনপ্রধানবিচারপতি(বাবু এস, কে, সিনহা)তার মানে বিচারবিভাগে দুর্নীতি আছে।(২)অনুষ্ঠানেবিচারকদেরউদ্দেশেএসকেসিনহাবলেন, ‘আপনারাযদিআদালতেরজন্যআপনাদেরবরাদ্দসময়ের৬০ভাগওদেনতাহলেমামলারজটঅনেকখানিকমেযাবে।তার মানে বিচারকরা(নিম্ন আদালতের) ১০০% কেন, ৬০% সময়ও এজলাসে থাকেননা। (৩)এখনথেকেনির্ধারিতসময়েঅফিসকরতেহবে।প্রয়োজনেবিকেলেওআদালতবসবে।‘-তার মানে বিচারকরা(নিম্ন আদালতের) নির্ধারিত সময় অফিস করেননা এবং বিকেলেওআদালতে বসেননা।

**আমাদের গবেষনায় এই সবগুলোইদুর্নীতি, সঠিকসময়ে অফিসে না আসা, সঠিকসময়ে এজলাসে না থাকা, বিকেলে এজলাসে না বসা, ইত্যাদি সত্য সঠিকভাবে প্রমানিত হয়েছে।

১২।মামলায় সমন জারী হয়না, স্বাক্ষী-বিবাদী-আসামীর নাম-ঠিকানা সঠিক নহে বলে সমন-ওয়ারেন্ট জারী হয়না, সমন-ওয়ারেন্ট জারী হলেও ভয়ে স্বাক্ষী আসেনা- এইসব অজুহাতে মামলা বিলম্ব হয় বলে বিচারকরা দাবী করেন। প্রকৃত পক্ষে প্রায় ৯৯%ক্ষেত্রে এসব অজুহাত বিচারক, পেশকার, জারীকারক, উকিল ও দুষ্ট বিচার প্রার্থীর সম্মিলিত দুর্নীতির ফসল। ফৌজদারী কার্য্যবিধির ধারা-৬৮ মোতাবেক এলাকার দফাদার, চৌকিদার, মেম্বার, চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কমিশনার দ্বারা যেকোন সমন অতি সহজে জারী করানো যায়। অনুগ্রহপূর্বক দ্রস্টব্য ৭ডিএলআর৩৪৪, ৯ডিএলআর৩২৩, যার সাহায্যে মুহম্মদ নুরুল হুদা সাহেব সমন জারী করিয়েছিলেন। অনুগ্রহপূর্বক দ্রস্টব্যঃ-… আইনওআদালত।০২ফেব্রুয়ারী২০১৫।মামলাজটনিরসনে ‘ময়মনসিংহমেথড’।………উদ্ভাবিতপদ্ধতিসম্পর্কেজানতেচাইলেজেলাওদায়রাজজমুহাম্মদনূরুলহুদাবাংলামেইলকেবলেন, ‘এটাএকটিউদ্যোগমাত্র।………কবিরউদ্দিনআরওজানান, দ্রুততমসময়েসঠিকওপ্রকৃতব্যক্তিরকাছেযাতেসমনপৌঁছেসেজন্যদেওয়ানিমামলারক্ষেত্রেময়মনসিংহজেলারসবইউনিয়নেরচেয়ারম্যানদেরঅন্তর্ভুক্তকরাহয়েছে।অন্যদিকেফৌজদারিমামলারক্ষেত্রেসবথানারওসিদেরদিকনির্দেশনাদেয়াহয়। ……………।ধারা ৭২ মোতাবেক অতি সহজে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর উপর সমন জারী করিয়েছিলেন। আমাদের কাছে বহু প্রমান আছে যে, দুর্নীতির মামলায় পেশকার কর্তৃক(বিচারকের পক্ষে) ১০লাখ টাকার ঘুষের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায়  কোর্টের ১মাইলের মধ্যে ১০টি সরকারী অফিসে কর্মরত ব্যক্তিদের নিকট সমন-ওয়ারেন্ট মামলা শুরুর ৩বছরে জারী হয়নাই।(ঘুষের প্রস্তাবে) রাজী হওয়ার পরে সমন-ওয়ারেন্ট জারী হয়ে সাতক্ষীরা, যশোর, পাবনা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম থেকে হরতাল-অবরোধের মধ্যে সিলেটে স্বাক্ষী হাজির হয়েছে। ঘুষের টাকা দিতে রাজী না হওয়ায় ২০-২৫-৩০দিনের ব্যবধানে মামলার তারিখের পরিবর্তে বিচারক নিজ হাতে ৫মাসের ব্যবধানে তারিখ ফেলতে থাকেন এবং স্বাক্ষী আসা টোট্যালী বন্ধ হয়ে যায়।[অনুগ্রহপূর্বক আরও দ্রস্টব্যঃ- -টাকাছাড়াসমননড়েনা; জারিকারকেরজারিজুরি!মুহাম্মদশামসুলহক | জানুয়ারি১২, ২০১৪ |       আদালতেরজারিকারকেরাটাকাছাড়ানোটিশবাসমননিয়েপ্রাপকেরকাছেযাননা।আবারটাকানিয়েওতাসংশ্লিষ্টব্যক্তিরহাতেপৌঁছাননা।একারণেবছরেরপরবছরসমনআটকেথাকে।…………. বাংলাদেশ –রকমারি;শিবিরেরক্যাডারনাছিরেরবিরুদ্ধেহত্যামামলা-সাক্ষীদেরচিঠিগায়েবকরারঅভিযোগ।একরামুলহকওগাজীফিরোজ, চট্টগ্রাম |  অক্টোবর০৪, ২০১৪ | প্রিন্টসংস্করণ- চট্টগ্রামপলিটেকনিকইনস্টিটিউটছাত্রসংসদেরসাবেকসাধারণসম্পাদকওছাত্রদলেরনেতাজমিরউদ্দিনহত্যামামলারসাক্ষীদেরজন্যইস্যুকরাচিঠিগায়েবহওয়ারঅভিযোগউঠেছে। …………চট্টগ্রামবিভাগীয়দ্রুতবিচারট্রাইব্যুনালেরসরকারিকৌঁসুলিমো. আইয়ুবখানেরদাবি, ২, ৩ও৪নম্বরসাক্ষীকেআদালতেএসেসাক্ষ্যদিতেচিঠিইস্যুকরাহয়েছে।তাঁরাআদালতেহাজিরহচ্ছেননা।এইমামলায়সাক্ষ্যদিতেতাঁদেরআবারচিঠিদেওয়াহবে।
মামলাটির৬নম্বরসাক্ষীমোহাম্মদশাহেদপিপিরবক্তব্যউড়িয়েদিয়েপ্রথমআলোকেবলেন, ‘আমিব্যক্তিগতভাবেকোতোয়ালিথানায়খবরনিয়েআসছি।কারণসাক্ষীহিসেবেআমারঠিকানাকোতোয়ালিথানাএলাকায়উল্লেখরয়েছে।কিন্তুআমিকিংবাঅন্যদেরনামেকোনোচিঠিবাসমনআদালতথেকেথানায়পাঠানোহয়নি।আমারধারণা, সাক্ষ্যনাদেওয়ারজন্যআমাদেরনামেইস্যুকরাচিঠিগায়েবকরাহয়েছে।’
……অথচপত্রিকায়লেখাহচ্ছেযেসাক্ষীরাশিবিরনাছিরেরবিরুদ্ধেসাক্ষ্যদিতেযাচ্ছেননা।’একইমামলার২নম্বরসাক্ষীআবুতাহেরবলেন, ‘জমিরখুনেরবিচারআমিচাই।কিন্তআদালতথেকেআমারনামেকোনোচিঠিপাঠানোহয়নি।’ ৫নম্বরসাক্ষীনুরুলকবিরওচিঠিপাননিবলেপ্রথমআলোকেজানিয়েছেন।
কোনোমামলায়সাক্ষীকেহাজিরকরতেবিচারকেরনির্দেশেচিঠিইস্যুকরাহয়।সেইচিঠিপুলিশেরমাধ্যমেসাক্ষীরকাছেপৌঁছানোহয়, যাতেধার্যতারিখেসংশ্লিষ্টসাক্ষীসাক্ষ্যদেন।কিন্তুথানায়কোনোচিঠিআদালতথেকেপাঠানোহয়নি।
কোতোয়ালিথানারভারপ্রাপ্তকর্মকর্তাএকেএমমহিউদ্দিনপ্রথমআলোকেবলেন, ‘সাক্ষীদেরকাছেচিঠিবাসমনেরকোনোকাগজআদালতথেকেআমরাপাইনি।’
…..এইস্থগিতাদেশখারিজহয়২০০৭সালের৯ডিসেম্বর।প্রায়সাতবছরপরচলতিবছরের২৬আগস্টস্থগিতাদেশখারিজেরনথিপাওয়াযায়।………। জুন২৩, ২০১৪, পেশকারদেরচাতুরিতেস্থবিরএকহাজারমামলারবিচার-ওবায়েদঅংশুমান …………..আসামিদেরকাছথেকেটাকানিয়েকিংবাবিভিন্নভাবেপ্রভাবিতহয়েপরোয়ানানাপাঠিয়েপেশকাররাগুরুতরঅনিয়মকরেচলেছেন।সাক্ষীওআসামিদেরকাছেপরোয়ানানাপাঠানোরকারণেসাক্ষীরাআদালতেআসেননাওআসামিকেগ্রেফতারওকরতেপারেনাপুলিশ।পাশাপাশিইচ্ছাকরেইভুলঠিকানায়পরোয়ানাপাঠানঅনেকপেশকার, যাতেকরেসাক্ষীদেরগ্রেফতারকরেআদালতেনাআনতেপারেপুলিশ।অনেকসময়সাক্ষীএলেওতাদেরপেশকাররাসাক্ষ্যনাদিয়েচলেযেতেবলেন।এসবকারণেবছরেরপরবছরশেষহয়নামামলারবিচার।ঢাকারউল্লেখিতআদালতেবিচারাধীনমামলাগুলোরনথিপর্যালোচনাওযুগান্তরেরনিজস্বঅনুসন্ধানেজানাগেছেউল্লেখিতসবতথ্য।…………..]

১৩।বিচারকদের অনিয়ম-দুর্নীতির সুযোগ গ্রহন করে এরা(পেশকার-জারীকারকরা)।কোর্ট ম্যানেজমেন্ট-কেইস ম্যানেজমেন্ট একজন নার্স কর্তৃক ফোঁড়া অপারেশনের তূলনায় শতভাগের একভাগও কঠিন নহে। এত সহজ কাজটা বিচারকদের দুর্নীতির জন্যই হয়না। জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা পারলে অন্যরা পারবেনা কেন? অন্যরা পারেনা তাদের দুর্নীতির জন্য।কৃত্রিমভাবে মামলাজট সৃষ্টি করে তা নিরসনের অজুহাতে নিম্ন আদালতের বিচারকরা তাদের চাকুরির বয়স আরও দুই বছর বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য। এর সুবিধা বর্তমানে নিম্ন আদালতের  কর্মরত সকল বিচারক পাবে, যা চলতে থাকবে। তাই সকল বিচারকের(কর্মরত  প্রায় ১৫০০বিচারক) সম্মিলিত দুর্নীতির ফসল হচ্ছে মামলাজট। যারা এর মধ্যে অবসরে গেছেন, তারাও মামলাজট  নিরসনের অজুহাতে  চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ধান্ধায় আছে। যেকোন সরকারী বিভাগের মধ্যে নিম্ন  আদালতের বিচারকদের এসব দুর্নীতি এককভাবে একটি ডিপার্টমেন্টের সর্বোচ্চ দুর্নীতি।

১৪।সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন ছিলেন এযাবৎকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দুর্নীতিবাজ, ধান্ধাবাজ, চাপাবাজ। তিনি নিম্ন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশ্যে বহু কথা বলেছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেননি। বাবু  এস কে সিনহা এবং জেলা ও দায়রাজজ জনাব ‍মুহম্মদ নুরুল হুদার মত মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দিতে তার(মোজাম্মেল হোসেন) অসুবিধা কি ছিল? তিনি(মোজাম্মেল হোসেন) ঘুষ খেলে ১০-২০জনের কাছ থেকে(অথবা ১জনের কাছ থেকে) ১০০কোটি টাকা খেতে পারতেন। আমরা তার আর্থিক দুর্নীতি দেখিনি, কিন্তু তার নৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি শুধু আমরা নহি, সারা জাতি দেখেছে। আমরা জানি তার (মোজাম্মেল হোসেন) ছেলে সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবি। জনাব এবিএম খায়রুল হকের উদ্যোগে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে সেসময় অনেক আইনজীবি পছন্দ করেনি। মোজাম্মেল হোসেন হয়ত আইনজীবি এবং বেশী কাজ করিয়ে বিচারপতি/নিম্ন আদালতের বিচারকদেরকে অসন্তোষ করতে চাননি। এতে হয়ত তার ছেলের ভবিষ্যত আইন ব্যবসারও ক্ষতি হতে পারে। সে কারনে অথবা তার নৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির কারনে আরও অন্তত ২০লাখ মামলা নিষ্পত্তি হয়নি, যদ্দরুন বহুকোটি লোক হয়রানীর শিকার হয়ে আছে এবং ন্যুনতম ৩০(ত্রিশ) হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যে তাদের ব্যয় হয়ে গেছে।এজন্যই বলা হয়েছেআর্থিক দুর্নীতির চেয়ে নৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি ভয়াবহ।[হাইকোর্টের৪৫জনবিচারপতিকেঅকেজোকরেরাখাহয়েছেযুগান্তররিপোর্ট ; প্রকাশ : ০৪এপ্রিল,২০১৪……………
১৫।হাইকোর্টের৪৫জনবিচারপতিকেক্ষমতাহীনকরেরাখাহয়েছেউল্লেখকরেপ্রবীণএইআইনজীবীবলেন, দেশেপ্রায়২৬লাখমামলানিষ্পত্তিরঅপেক্ষায়।মামলানিষ্পত্তিরলক্ষ্যেহাইকোর্টেযেখানেবেঞ্চবৃদ্ধিকরবে, সেখানে৪৫জনকেঅকেজোকরেরাখাহয়েছে।সংসদীয়কমিটিথেকেসান্ধ্যকোর্টচালুরপ্রস্তাবেরব্যাপারেবলেন, মামলারজটনিষ্পত্তিতেসরকারেরচমকচলবেনা।সান্ধ্যকোর্টচলবেনা।বাংলাদেশেএটাহবেনা।…………….উপস্থিতআইনজীবীদেরউদ্দেশেতিনিবলেন, কিছুদিনআগেপ্রধানবিচারপতিরসঙ্গেআলোচনাকালেবলেছিলাম, আপনারআমলেসবচেয়েবেশিদুর্নীতিহয়েছে।মাননীয়বিচারপতিআমাকেজিজ্ঞাসাকরলেন, কিভাবে? আমিবললাম, আগেসেকশনেকোনোমামলাফাইলিংকরতেযেখানে৫০০টাকালাগত, সেখানেএখন৫০০০টাকাপর্যন্তলাগে।মামলালিস্টেআনতেবাদ্রুতকরতে৫থেকে১৫হাজারটাকাপর্যন্তঘুষদিতেহয়।…… -জানুয়ারি১৫, ২০১৫-প্রধানবিচারপতিকেসংবর্ধনাদেবেনাআইনজীবীসমিতি………তিনিবলেন, তিনিএমনভাবেবেঞ্চগঠনকরেদিয়েছেন, যেখানেজ্যেষ্ঠবিচারপতিদেরভূমিকাছিলনগণ্য।কনিষ্ঠবিচারকদেরমোশনক্ষমতাদেয়াহয়েছে।………..নিম্নআদালতগুলোনিয়ন্ত্রণকরতেতিনিব্যর্থহয়েছেন।…………..সর্বস্তরেদুর্নীতিএবংআইনজীবীওবেঞ্চঅফিসারদেরমধ্যেঘুষলেনদেনবেড়েছে।তিনিআইনজীবীসমিতিরসঙ্গেকখনওকোনোআলোচনাকরেননি]

১৬।সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব মোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে বিএনপি আইনজীবিদের অন্যান্য অভিযোগ সত্যমিথ্যা যাহাই হোকনা কেন, তাহার(মোজাম্মেল হোসেন) আমলে যে অতীতের সকল সময়ের চেয়ে সুপ্রীমকোর্টের প্রশাসনিক দপ্তরে দুর্নীতি বেড়েছে ইহা সত্য এবং নিম্নআদালতগুলোনিয়ন্ত্রণকরতেতিনিমারাত্মকভাবে ব্যর্থহয়েছেনইহা ১০০% সত্য। সম্পাদকীয়।অক্টোবর১৪, ২০১৪ | প্রিন্টসংস্করণ।ময়মনসিংহমডেলঅনুসরণীয়দৃষ্টান্ত ; বিচারাধীনমামলাজট।……নিম্নআদালতেবিচারাধীন২৮লাখমামলারদ্রুতনিষ্পত্তিঘটাতে ‘ময়মনসিংহমডেল’ অনুসরণেরবিষয়টিগুরুত্বেরসঙ্গেবিবেচনায়নেওয়াউচিত।আইনকমিশনসাম্প্রতিককালেমামলাজটনিরসনেঅন্তততিনটিপ্রতিবেদনপ্রকাশকরেছে।এরমধ্যেময়মনসিংহমডেলেরপ্রতিকমিশনেরসমর্থনেরঘটনাসবচেয়েবেশিউৎসাহব্যঞ্জক।কারণ, কোনোপ্রকারবাড়তিলোকবলবাঅতিরিক্তকোনোব্যবস্থাদিগ্রহণছাড়াইকেবলবিদ্যমানসুবিধাকেকাজেলাগিয়েবিস্ময়করসাফল্যলাভকরাসম্ভবহয়েছে।তাঁরাএভাবেঅল্পসময়েরচেষ্টায়৫৬হাজারমামলানিষ্পত্তিকরেছেন।আমরাআইনকমিশনেরসঙ্গেএকমতযেসেখানকারজেলাওদায়রাজজযেপ্রক্রিয়ায়এই ‘নীরববিপ্লব’ সম্পন্নকরেছেন, তাদেশেরসকলজেলারক্ষেত্রেঅনুসরণীয়।আমরাএইকুশলীজেলাজজকেঅভিবাদনজানাই।আমরামনেকরি, মামলারজটনিরসনকরতেহলেবিচারবিভাগীয়নেতৃত্বেগতিশীলতাআনারবিকল্পনেই।…………. আইনওআদালত০২ফেব্রুয়ারী২০১৫মামলাজটনিরসনেময়মনসিংহমেথডরাজুহামিদওআমিনুলইসলামমল্লিক, বাংলামেইল২৪ডটকম।……….. উদ্ভাবিতপদ্ধতিসম্পর্কেজানতেচাইলেজেলাওদায়রাজজমুহাম্মদনূরুলহুদাবাংলামেইলকেবলেন, ‘এটাএকটিউদ্যোগমাত্র।………

অর্থাৎ শুধুমাত্র একজন মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও ৬৪জন জেলা ও দায়রা জজের একটিমাত্র উদ্যোগের দ্বারাকোনোপ্রকারবাড়তিলোকবলবাঅতিরিক্তকোনোব্যবস্থাদিগ্রহণছাড়াইকেবলবিদ্যমানসুবিধাকেকাজেলাগিয়ে বাংলাদেশের সকল মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব। জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকরা ব্যতীত বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের অপর সকল বিচারক, ২০০৯ থেকে ২০১৪সাল পর্যন্ত ন্যুনতম ৫৯লাখ কর্মঘন্টা ফাঁকি দিয়াছেন, তারা অতিরিক্ত কোন পারিশ্রমিক/সুবিধা ছাড়াই, আগামীতে স্বাভাবিক কর্মঘন্টা ছাড়াও এই ৫৯লাখ কর্মঘন্টা কাজ করে সকল মামলা নিষ্পত্তি করবেন।

আশাকরি আপনি আপনার সুবিধামত যত দ্রুত সম্ভব এই ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

-৩০নভেম্বর২০১৪, ৬বছরে১,৭৭১টিদুর্নীতিরমামলাররায়;সাজাকম, খালাসইবেশি।…………..সংস্থাটিরকর্মকর্তাদেরদাবি, বিচারকাজেধীরগতি,স্থগিতাদেশ, দুর্বলতদন্ত, আইনিফাঁকফোকরওবিচারিকপ্রক্রিয়ায়দীর্ঘসূত্রতারকারণেইদুর্নীতিরমামলায়আসামিদেরসাজাকমহয়।ফলেদেশথেকেদুর্নীতিনির্মূলকরাসম্ভবহচ্ছেনা।
দুদকেরপরিসংখ্যানঅনুযায়ী, ২০০৯সালেরজানুয়ারিথেকেচলতিবছরেরঅক্টোবরপর্যন্ত১হাজার৭৭১টিদুর্নীতিরমামলারবিচারকাজসম্পন্নহয়েছে।এরমধ্যে৭৩০টিমামলায়আসামিরাসাজাএবং৯৪১টিমামলায়খালাসপেয়েছে।অর্থাৎগতছয়বছরে৫৩শতাংশমামলাতেইহেরেছেদুদক।………..।

জানুয়ারি২০ ,২০১৫, মঙ্গলবার।মামলাজটনিরসনেকার্যকরনূরুলহুদামডেল।আতাউলকরিমখোকন।……বিচারকস্বল্পতাসত্ত্বেওএভাবেমাত্র৩বছরেরমধ্যেতারাবিভিন্নপ্রকারমোট৫৬,৮২৫টিমামলানিষ্পত্তিকরতেসক্ষমহয়েছেন।এটিসংশ্লিষ্টজেলাওদায়রাজজওতার২৩জনসহকর্মীরঐকান্তিকপ্রচেষ্টারফসল।…………[-২৪ জন বিচারক ৩৩মাসে(ডিসেম্বর মাস বন্ধ ধরে) ৫৬,৮২৫টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন। প্রতিজন প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭২টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন)]

১৭। -৩০নভেম্বর২০১৪,৬বছরে১,৭৭১টিদুর্নীতিরমামলাররায়;সাজাকম, খালাসইবেশি

বছর মোট মামলা মোট স্থগিত মোট চালু মোট নিষ্পত্তি মোট পেন্ডিং মন্তব্য
২০০৯ ২৫৮৭ ৩৭৬ ২২১১ ২৩৭ ১৯৭৪* *স্থগিত ব্যতীত
২০১০ ২৫৯১ ৪০২ ২১৮৯ ৬০০ ১৫৮৯*
২০১১ ২৯১২ ৭০৫ ২২০৭ ১৮৮ ২০১৯*
২০১২ ৩৩৮০ ৮০৪ ২৫৭৬ ২১৮ ২৩৫৮*
২০১৩ ৩৬৭২ ৭৫৪ ২৯১৮ ২৫৫ ২৬৬৩*
২০১৪ ৩৯০০ ৮১৩ ৩০৮৭ ২৫৪ ২৮৩৩*

 

ক।২০০৯সাল শেষে ২০১০সাল শুরু হয় ১৯৭৪টি মামলার বিচারকাজ চলমান অবস্থায়। ২০১০সালে মোট ২৫৯১টি মামলা বিচারাধীন ছিল (যার মধ্যে ৪০২টি মামলা স্থগিত ছিল)। তার মানে ২৫৯১-১৯৭৪=৬১৭টি মামলা নূতন যোগ হয়। এই যোগ হওয়া মামলা সম্পূর্ন নূতন হতে পারে, আবার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহৃত থেকে কিছু আসতে পারে। ২০১০সালে ২৫৯১-৪০২=২১৮৯টি মামলার বিচারকাজ নিম্ন আদালতে চলমান ছিল। ৬১৭টি মামলাকে পেন্ডিং রাখলে(কেননা এগুলো বছরের শুরু থেকে শেষে, যেকোন সময়ে কোর্টে অন্তর্ভূক্ত হতে পারে, যা চলিত বছরে নিষ্পত্তি নাও হতে পারে) ২১৮৯-৬১৭=১৫৭২টি মামলা সারা বাংলাদেশের ২৯টি বিভাগীয় স্পেশাল/স্পেশাল কোর্টে ২০১০সালে absolutely বিচারাধীন ছিল, যেগুলো ২০০৯সাল বা তার পূর্বের পেন্ডিং বা দায়েরকৃত। ২০১০সালে প্রতিটি কোর্টে গড়ে ১৫৭২/২৯=প্রায় ৫৪টি দুর্নীতির মামলার বিচার চালু ছিল। [ঢাকা, চট্টগ্রামের বড় শহরের বিভাগীয় স্পেশাল কোর্টে ৩০০-৫০০-এর বেশী দুর্নীতির মামলা কখনোই  বিচারাধীন ছিলনা]। ২০১০সালে নিষ্পত্তি হয়েছে ৬০০টি মামলা, যা প্রতি কোর্টে গড়ে ৬০০/২৯=প্রায় ২১টি(কোথাও কিছু বেশী কোথাও কিছু কম)।

খ।২০১০সাল শেষে ২০১১সাল শুরু হয় ১৫৮৯টি মামলার বিচারকাজ চলমান অবস্থায়। ২০১১সালে মোট ২৯১২টি মামলা বিচারাধীন ছিল (যার মধ্যে ৭০৫টি মামলা স্থগিত ছিল)। তার মানে ২৯১২-১৫৮৯=১৩২৩টি মামলা নূতন যোগ হয়। এই যোগ হওয়া মামলা সম্পূর্ন নূতন হতে পারে, আবার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহৃত থেকে কিছু আসতে পারে। ১৩২৩টি মামলাকে পেন্ডিং রাখলে(কেননা এগুলো বছরের শুরু থেকে শেষে, যেকোন সময়ে কোর্টে অন্তর্ভূক্ত হতে পারে, যা চলিত বছরে নিষ্পত্তি নাও হতে পারে)২৯১২-(১৩২৩টি নূতন+৭০৫টি স্থগিত)=৮৮৪টি মামলা সারা বাংলাদেশের ২৯টি বিভাগীয় স্পেশাল/স্পেশাল কোর্টে ২০১০সালে absolutely বিচারাধীন ছিল, যেগুলো ২০০৯, ২০১০সাল বা তার পূর্বের পেন্ডিং বা দায়েরকৃত। ২০১১সালে এই ৮৮৪টি মামলার সবগুলোই নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ১৮৮টি, যা প্রতি কোর্টে গড়ে ১৮৮/২৯=প্রায় ৭টি(কোথাও কিছু বেশী কোথাও কিছু কম)।

গ।এরপর আমাদের আর হিসাব করার দরকার নাই। কেননা, ২০১২সাল থেকে পরবর্তী বছর সমুহে, প্রতিবছর তার পূর্ববর্তী বছরে নূতন যোগ হওয়া মামলাগুলো সব নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব ছিল(নূতনভাবে স্থগিতাদেশ না হলে)। যেমন  ২০১১সালে নূতন যোগ হওয়া ১৩২৩টি(নূতনভাবে স্থগিতাদেশ না হলে) মামলার সবগুলোই ২০১২সালে নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ২১৮টি।

ঘ।মাননীয় জেলা ও দায়রাজজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকগন কর্তৃক সকাল ৯টা-রাত সাড়ে৯টা কাজ করে প্রতিজন বিচারক প্রতিমাসে গড়ে ৭২টি মামলা নিষ্পত্তি করেন। তাঁরা ৯টা-৫টা-Regular working hour কাজ করলে, ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি করতেন।সে মোতাবেকপ্রতিজন বিভাগীয় স্পেশাল/স্পেশালজজ কর্তৃক প্রতিবছর ১১মাস(ডিসেম্বর মাস বন্ধ ধরে) X প্রতিমাসে ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি হিসাবে =৫২৮টি, ধরি, ৫০০টি মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব ছিল। যদি তারা ৫০০ এর ২৫%=১২৫টি মামলাও প্রতিজজ প্রতিবছর নিষ্পত্তি করতেন তাহলেও ২৫জন Active special judge প্রতিবছর ১২৫X২৫=৩১২৫টি, ৬বছরেX৩১২৫=১৮৭৫০টি মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন।

ঙ।যেহেতু কোন বছরই কোন কোর্টেই ৫০০টির বেশী মামলা বিচারাধীন ছিলনা, সেহেতু পূর্ববর্তী বছরে নূতন যোগ হওয়া মামলা ব্যতীত পরবর্তী বছরে বিচারের জন্য আর কোন মামলাই অবশিষ্ট বা পেন্ডিং থাকেনা(২/১টি মামলায় ব্যতিক্রম ব্যতীত)।কিন্তু দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি Easiest হওয়া সত্বেও, প্রকৃত নিষ্পত্তিযোগ্য সংখ্যার ১%-২% নিষ্পত্তি করে, অবশিষ্টগুলো বছরের পর বছর পেন্ডিং রেখে দুর্নীতির ফাঁদ সৃষ্টি করা হয়। সমাজ-রাস্ট্রে কোটি কোটি দুর্নীতিবাজ প্রকাশ্যে রাজকীয় জীবনযাপন করিতেছে। কিন্তু দুদকের দুর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে ‘মামলা’ নামক ফাঁদে ৫৩%বা তারও বেশী নির্দোষ লোককে বছরের পর বছর মানবেতর জীবনযাপন করিতে হয়। অধস্তনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলে উর্ধতনের কাছে প্রতিকার পাওয়া যায়। কিন্তু বিচারকের অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলে কারও কাছেই প্রতিকার পাওয়া যায়না। প্রতিকারের পথ-কোর্ট পরিবর্তন/আপীল, সেই আবার মামলার ফাঁদ। অনেক দুর্নীতিবাজ আছে যারা ভিক্টিমের পিছনে লেগে থাকেনা। কিন্তু নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজরা ভিক্টিমের(বিচারপ্রার্থীর) পিছনে লেগে থাকে। তার কারন, ভিক্টিম তো তাদের(নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজদের)খাঁচায় আটকা, যাবে কোথায়? মামলা নিষ্পত্তি হয়ে(আসামী শাস্তি পাক বা খালাস পাক) গেলে তো তাদের (নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজদের) কোন লাভ নাই। শিকার অন্য খাঁচায় গেলেও তাদের(নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজদের)খাঁচায় তো আর থাকছেনা। তাদের খাঁচায় না থাকলে ধর্ষক, মুক্তিপন দাবীকারীদের মত কঠিন শারীরিক টর্চার না হলেও, স্লো পয়জনিংরূপ স্লো-টর্চার করতে পারবেনা।

চ।নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতির কারন ছাড়া, মামলা নিষ্পত্তি বিলম্বের কোনই কারন নাই। হাজার হাজার, লাখ লাখ প্রমানের মধ্যে উপরের পরিসংখ্যানই জ্বলন্ত প্রমান।কেউ স্বীকার করলেও সত্য, অস্বীকার করলেও একথা(নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতির কারন ছাড়া, মামলা নিষ্পত্তি বিলম্বের কোনই কারন নাই) সত্য।নিম্ন আদালতের বিচারকরা(সবাই নহে, যারা দুর্নীতি করে, তারা) বাংলাদেশের অন্য ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাকর্মচারীদের চেয়েই শুধু নহে, সারা পৃথিবীতে  শ্রেষ্ঠ দুর্নীতিবাজ।যে দেশের বিচারকরা  সাড়ে ছয় ঘন্টার স্থলে প্রকাশ্য দিবালোকে কয়েকমিনিট বা গড়ে প্রতিদিন  ২ঘন্টারও কম সময় এজলাস করে, প্রতিবছর প্রতি বিচারক ন্যুনতম ৫শতাধিক মামলার স্থলে গড়ে মাত্র ১০টি মামলা নিষ্পত্তি করে, সেদেশের বিচারকরা দুর্নীতিতে বিশ্বসেরা হইবেনা তো কে হইবে?

ছ।কৃত্রিমভাবে মামলাজট সৃষ্টি করে তা নিরসনের অজুহাতে নিম্ন আদালতের বিচারকরা তাদের চাকুরির বয়স আরও দুই বছর বাড়ানোই মূল উদ্দেশ্য। এর সুবিধা বর্তমানে নিম্ন আদালতে  কর্মরত সকল বিচারক পাবে এবং তা অব্যাহত থাকবে।যারা এর মধ্যে অবসরে গেছে, তারাও মামলাজট নিরসনের অজুহাতে  চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ধান্ধায় আছে। তাই মামলাজট সৃষ্টি করা সকল বিচারকের সম্মিলিত প্রয়াস। যেকোন সরকারী বিভাগের মধ্যে নিম্ন আদালতের বিচারকদের এসব দুর্নীতি এককভাবে সর্বোচ্চ।

 

১৮।উপরের এই দুইটি সংবাদ পর্যালোচনা করলে ইহা নিশ্চিন্তে বলা যায় যে, দুর্নীতির বিচারের সাথে জড়িত সকল কর্মকর্তা কর্মচারী(বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি) কোন না কোনভাবে দুর্নীতিবাজ। খুন-খরাবী, চুরি-ডাকাতি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, ধর্ষন-লুন্ঠন, ইত্যাদি ফৌজদারী মামলার তূলনায়, বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম ব্যতীত, দুর্নীতির মামলা হাজারগুন সহজ। যেমন ধরা যাক নিম্নে উল্লেখিত দুর্নীতির মামলাটি। এই মামলা রুজু, চার্জশীট প্রদান ও নিষ্পত্তিতে ২২-২৩বছর লাগিবে কেন? এই মামলায় ৪টি উপাদান।(১) আনোয়রুল আজিমের হিসাবের টাকা ছিল যার রেকর্ড গ্রাহক লেজারে আছে।(২)আনোয়রুল আজিমের হিসাবের টাকা ছুরত আলীর হিসাবে গেছে যার রেকর্ড একই গ্রাহক লেজারে অথবা অপর একটি গ্রাহক লেজারে আছে। এই ২টি বা ১টি গ্রাহক লেজার ব্যাংকে জব্দ/রক্ষিত আছে।(৩) কিভাবে অর্থাৎ কোন ডকুমেন্টবলে টাকাটা ট্রান্সফার হল তাও ব্যাংকে জব্দ/রক্ষিত আছে।(৪)ট্রান্সফার প্রক্রিয়াটা বৈধ নহে বিধায় সে ডকুমেন্টে কার কার স্বাক্ষর ছিল। দীর্ঘ অনুসন্ধান-তদন্তের পর অনুসন্ধান-তদন্তকারী কর্মকর্তা লেজার ও ডকুমেন্ট কনফার্ম হয়েই মামলা/চার্জশীট দাখিল করেছেন। এখানে অপরাধ প্রমানের জন্য এই ২টি ডকুমেন্ট(লেজার ও ট্রান্সফারিং ডকুমেন্ট)। এই ডকুমেন্টগুলো যে সেই ডকুমেন্ট তা প্রমানের জন্য ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষ্য প্রয়োজন। এই স্বাক্ষীদেরকে কোর্টে হাজির করা খুবই সহজ। ফৌজদারী কার্যবিধির ৭২ধারা মোতাবেক চট্টগ্রাম শহরেই অবস্থিত ব্যাংকেসমন জারী করার মত সহজ কাজ আর কি হতে পারে? তাহলে মামলা রুজু, চার্জশীট প্রদান ও নিষ্পত্তিতে ২২-২৩বছর লাগিবে কেন?কোর্টের/দপ্তরের কিছু ফর্মালিটিসহ মামলাটি সর্বোচ্চ ২২-২৩সপ্তাহে নিষ্পত্তি সম্ভব। এরূপ কয়েকশত ঘটনা দিয়ে ঘরে বসেই আমরা বলে দিতে পারি যে, দুর্নীতির মামলার বিচারে একই কোর্টের কেহ না কেহ, সকল কোর্টের সবাই না হলেও সিংহভাগ বিচারক-কর্মকর্তা-কর্মচারী কোন না কোনভাবে দুর্নীতিবাজ।

১৯।বাংলাদেশে ২৯টি স্পেশাল কোর্ট আছে। বিচারকের পদ খালি থাকাসহ বিভিন্ন কারনে যদি ন্যুনতম ২৫টি কোর্টকেactive ধরি, তাহলে প্রতিমাসে প্রত্যেক বিচারকের ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি ধরি, (জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা গং প্রতি কর্মদিবসে ১২ঘন্টা কাজ করেপ্রতিমাসে ৭২টি মামলা নিষ্পত্তি করেন, সে হিসাবে ৮ঘন্টা কাজ করলে প্রতিমাসে ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন) তাহলে ২৫টি কোর্টের বিচারকX৬বছরে Xপ্রতিবছরে ১১মাস Xপ্রতিমাসে ৪৮টি মামলা=৭৯,২০০টি দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য বিভাগীয় স্পেশাল জজ কোর্ট/স্পেশাল জজ কোর্টে দুর্নীতির মামলার সাথে অন্য মামলারও বিচার হয়। অন্য মামলা ও দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি যদি ৫০%-৫০% ধরি, তাহলে ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ কোর্ট ব্যতীত বাকী ২৩টি active কোর্টে ৬বছরে ৩৬,৪৩২টি ধরি, ৩৬,০০০টি, ধরি, ৩০,০০০টি দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ কোর্টে ৬বছরে ৬৩৩৬টি, ধরি, ৬০০০টি দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। অর্থাৎ অন্য মামলা ৫০%, দুর্নীতির মামলা ৫০% নিষ্পত্তি ধরলে, বিচারকরা প্রতি কর্মদিবসে তাদের ন্যায্য ৮ঘন্টা সঠিকভাবে কাজ করলে, ৬বছরে ন্যুনতম ২৫টি active কোর্টে ন্যুনতম ৩৬০০০টি দুর্নীতির মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার কথা।

২০।কিন্তু নিষ্পত্তিহয়েছে মাত্র ১৭৭১টি। বিশ্বের সেরা দুর্নীতিবাজ, বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের বিচারকদের কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত  মামলার হার জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা গং কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত  মামলার তূলনায় ১%এরও(শতকরা একভাগ) কম।

এইভাবে ইহা সর্বোতভাবে প্রমানিত যে, বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের বিচারকরা বিশ্বের সেরা দুর্নীতিবাজ।

[ -নভেম্বর২৬, ২০১৪।গ্রাহকেরটাকাআত্মসাৎ:তিনব্যাংককর্মকর্তারকারাদন্ড।Bottom of Form…………..দুর্নীতিদমনকমিশনের (দুদক) আইনজীবীমেজবাহউদ্দিনচৌধুরীপ্রথমআলোকেবলেন, কৃষিব্যাংকচা–বোর্ডশাখারগ্রাহকআনোয়ারুলআজিমেরহিসাবথেকেটাকা১৯৯১সালের১২মার্চআসামিরাপরস্পরযোগসাজশেছুরতআলীরহিসাবেনিয়েযান।……চারজনসাক্ষীরসাক্ষ্যগ্রহণশেষেআদালতএরায়দেন। আগস্ট২২, ২০১৪-Bottom of Form

মৃতব্যক্তিরঅর্থআত্মসাৎদুইডাককর্মকর্তাসহতিনজনেরকারাদন্ড।নিজস্বপ্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | | প্রিন্টসংস্করণ।কক্সবাজারেমৃতব্যক্তিরস্থায়ীআমানতের৩০লাখটাকাআত্মসাতেরদায়েদুইডাককর্মকর্তাসহতিনজনকেপাঁচবছরেরকারাদণ্ড, পাঁচহাজারটাকাজরিমানা, অনাদায়েআরওছয়মাসেরকারাদণ্ডদেওয়াহয়।………পাঁচজনসাক্ষীরসাক্ষ্যগ্রহণশেষেআদালতএরায়দেন।……. নিজস্বপ্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | আপডেট: ০০:৩৫, অক্টোবর০২, ২০১৪ | প্রিন্টসংস্করণ।Bottom of Form

ব্যাংকেরটাকাআত্মসাতেরদুর্নীতিরমামলা-ব্যাংককর্মকর্তাসহছয়জনকেবিভিন্নমেয়াদেরকারাদণ্ড।

চট্টগ্রামেঅগ্রণীব্যাংকখাতুনগঞ্জশাখারচারকোটি৪৬লাখ৮৪হাজার৮৯৭টাকাআত্মসাতেরদুর্নীতিরমামলায়ব্যাংককর্মকর্তাসহপাঁচজনকেযাবজ্জীবনওছয়জনকেবিভিন্নমেয়াদেরকারাদণ্ডদিয়েছেনআদালত।
গতকালবুধবারদুপুরেচট্টগ্রামবিভাগীয়বিশেষজজআদালতেরবিচারকমো. আতাউররহমানএরায়দেন।………

এইঘটনায়দুদককর্মকর্তাআবুআরিফসিদ্দিকীবাদীহয়ে১৯৮৮সালের৬জুনবাদীহয়েনগরেরকোতোয়ালিথানায়মামলাদায়েরকরেন।এজাহারে১৯৮৫সালের২৩ডিসেম্বরথেকেপরেরবছরের৮জুলাইপর্যন্তসময়েটাকাগুলোআত্মসাতেরঅভিযোগআনাহয়।তদন্তশেষে১৯৯৮সালের২৮ডিসেম্বরঅভিযোগপত্রদাখিলকরাহয়আসামিদেরবিরুদ্ধে।১০জনসাক্ষীরসাক্ষ্যগ্রহণশেষেআদালতএরায়দেন।

আমাদের পর্যবেক্ষন-এই মামলা দায়েরের ১০-১১বছরে চার্জশীট, চার্জশীটের পরনিষ্পত্তিতে ১৬বছর- মোট ২৬বছর লাগিবে কেন?২৬ সপ্তাহে নহে কেন?

Thursday, February 19, 2015 –Graft Case-Ex-DMCH dy director jailedfor 10 years.A Dhaka court yesterday sentenced three people, including a former DMCH deputy director to 10 years rigorous imprisonment each in connection with a graft case filed against them for misappropriating Tk 81 lakh.………..According to the prosecution, the accused in collusion with others misappropriated the money from the medical fund which was collected from different sources including salaries of the third and fourth class employees of DMCH sometime between 2002 and 2007. The Anti-Corruption Commission filed the case with Shahbagh Police Station on November 19, 2007.]

আমাদের পর্যবেক্ষন-এই মামলা দায়েরের/চার্জশীটের পর নিষ্পত্তিতে ৭বছর লাগিবে কেন?৭মাসে নহে কেন?

২১।দুর্নীতির মামলার অনুসন্ধান/তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সিংহভাগ দুর্নীতিবাজ। ঘুষ খেয়ে/ঘুষ না পেয়ে মামলা দীর্ঘ ও অকারনে জটিল করে। যেমন ধরা যাক এলজিইডির নির্মিত রাস্তা পরিমাপে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীর(দুদকের ভাষায় বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী) সাহায্য নিল। সড়কবিভাগের প্রকৌশলী পরিমাপের রিপোর্ট তার উর্ধতন কর্মকর্তার নিকট পেশ করল। সে রিপোর্ট দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক বা উপপরিচালক forwarding officer হিসাবে দুদক অফিসে প্রেরন করল। Forwarding চিঠিটি টাইপিস্ট টাইপ করেছে, ডেসপাস ক্লার্ক স্মারক নং দিয়েছে। Forwarding officer, টাইপিস্ট, ডেসপাস ক্লার্ক মূল রিপোর্টের বিষয়বস্তুর সাথে কোনভাবেই সংশ্লিষ্ট নহে। এখানে শুধু বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীকে স্বাক্ষী করলেই হয়। কিন্তু ঘুষ না পেয়ে মামলা দীর্ঘায়িত করার হীন উদ্দেশ্যে দুদক কর্মকর্তা ৪জনকেই(বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী, Forwarding officer, টাইপিস্ট, ডেসপাস ক্লার্ক) স্বাক্ষী করেছে। বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীর রিপোর্টের সাথে বাদী এবং আসামীদের দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীর রিপোর্ট কেউ প্রেরন করেছে, কেউ টাইপ করেছে, কেউ স্ম্রক নং দিয়েছেইহাত সত্য এবং স্বীকৃত। স্বাক্ষ্য আইনের ৫৮ধারায় বলা আছে “স্বীকৃত ঘটনা প্রমান করবার প্রয়োজন নাই।” তথাপিও যদি বিচারক বা কেউ প্রমান করতে চায় Forwarding officer, টাইপিস্ট, ডেসপাস ক্লার্ককে স্বাক্ষী হিসাবে ডাকতেই পারে। এদেরকে( Forwarding officer, টাইপিস্ট, ডেসপাস ক্লার্ক) বলা হয় Formal স্বাক্ষী। অর্থাৎ এদেরকে সাধারনতঃ কোন জেরা করা হয়না এবং প্রয়োজনও নাই। এসব স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য ৪-৫মিনিটেই শেষ হয়ে যায়। যেমন ধরা যাক অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত কোন অডিট রিপোর্ট। অডিট রিপোর্টের অডিটরই মূল স্বাক্ষী, Forwarding officer, টাইপিস্ট, ডেসপাস ক্লার্ক Formal স্বাক্ষী(যাদেরকে স্বাক্ষী না মানলেও মামলার কোন পক্ষেরই কোন ক্ষতি নেই)।

২২।অসৎ উদ্দেশ্য না থাকলে, দুর্নীতির মামলার বিচারকরা যদি মামলা নিষ্পত্তি করতে চান, যদি প্রতি কার্য্যদিবসে ৩-৪ঘন্টাও এজলাস করেন, তাহলে ৪-৫টি মামলার সকল স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য শেষ করতে পারেন। তারা(বিচারকরা) দুদকের স্থানীয় পরিচালককে একটি চিঠি দিয়ে যদি বলেন যে, অমুক তারিখে, অমুক মামলার সব স্বাক্ষ হাজির করবেন। এতে  দুদকের স্থানীয় পরিচালক স্বাক্ষী হাজির করতে বাধ্য। আসামীর উকিলসহ দুদকের পিপিকে যদি তারা(বিচারকরা) বলেন যে, আপনি/আপনারা প্রস্তুত থাকবেন, তারা(আসামীর উকিলসহ দুদকের পিপি) প্রস্তুত থাকতে বাধ্য। এমনও বহু দেখা গেছে যে, আসামীর উকিলদের অনুরোধ সত্বেও দুদকের পিপি ও বিচারক ৩-৪শত মাইল দুর থেকে আসা দুদক কর্মকর্তাসহ অন্য সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য না নিয়ে বহুবার ফিরিয়ে দিয়েছে।“প্রস্তুত নহে” বলে দুদকের পিপি বহুবার স্বাক্ষী ফিরিয়ে দিয়েছে। অথচ দুদকের পিপির “প্রস্তুত না থাকা” কোন অজুহাতই হতে পারেনা। কেননা স্বাক্ষ্য চলাকালে দুদকের পিপি আর্জী/চার্জশীট/১৬১ধারার লিখিত জবানবন্দী দেখে দেখে স্বাক্ষীকে পড়ে শোনান, যা স্বাক্ষী মুখে বলে এবং বিচারক লিখেন। এর বাইরে স্বাক্ষ্য চলাকালে দুদকের পিপির আরকোন কাজই নেই বা থাকেনা। যাহা তিনি(দুদকের পিপি)দেখে দেখে পড়ে শোনান, যাহা মামলার ফাইলেই তাহার(দুদকের পিপি)নিকট রক্ষিত থাকে, সেজন্য তাহার(দুদকের পিপি) প্রস্তুত না থাকার অজুহাত আসে কেন, বিচারক সে অজুহাত শুনবেনই বা কেন? “প্রস্তুত নহে” বলে আসামীর উকিলরা সর্বোচ্চ ৩বার সময় চাইতে পারেন। কিন্তু দীর্ঘ বহুবছর পরে স্বাক্ষী আসলেও “প্রস্তুত নহে” বলে দুদকের পিপি বহুবার স্বাক্ষী ফিরিয়ে দিয়েছে এবং বিচারক তাহা গ্রহন করেছে। দুদকের মামলায় এরূপ জঘন্য অনিয়ম  আমরা বহুবার প্রত্যক্ষ করেছি। অন্য মামলায় এরূপ স্বাক্ষী ফিরিয়ে দেয়ার হাজার হাজার উদাহরন আছে যা সাংবাদিকের রিপোর্টে উঠে এসেছে।[ জুন২৩, ২০১৪, সোমবার : আষাঢ়৯, ১৪২১।পেশকারদেরচাতুরিতেস্থবিরএকহাজারমামলারবিচার।ওবায়েদঅংশুমান। …………..আসামিদেরকাছথেকেটাকানিয়েকিংবাবিভিন্নভাবেপ্রভাবিতহয়েপরোয়ানানাপাঠিয়েপেশকাররাগুরুতরঅনিয়মকরেচলেছেন।সাক্ষীওআসামিদেরকাছেপরোয়ানানাপাঠানোরকারণেসাক্ষীরাআদালতেআসেননাওআসামিকেগ্রেফতারওকরতেপারেনাপুলিশ।পাশাপাশিইচ্ছাকরেইভুলঠিকানায়পরোয়ানাপাঠানঅনেকপেশকার, যাতেকরেসাক্ষীদেরগ্রেফতারকরেআদালতেনাআনতেপারেপুলিশ।অনেকসময়সাক্ষীএলেওতাদেরপেশকাররাসাক্ষ্যনাদিয়েচলেযেতেবলেন।এসবকারণেবছরেরপরবছরশেষহয়নামামলারবিচার।ঢাকারউল্লেখিতআদালতেবিচারাধীনমামলাগুলোরনথিপর্যালোচনাওযুগান্তরেরনিজস্বঅনুসন্ধানেজানাগেছেউল্লেখিতসবতথ্য। ……অনুসন্ধানেজানাযায়, গতবছরের১জুলাইথেকেচলতিবছরের৩০মেপর্যন্ত৭৭৭জনসাক্ষীআদালতেসাক্ষ্যদিতেএসেফিরেগেছেন।এরমধ্যেপুলিশসদস্য৫৫৫জনআরপাবলিকসাক্ষীআছেন২২২জন।বিশেষকরেপেশকাররাসাক্ষ্যনাদিয়েবাড়িচলেযেতেবলেছেন১৯৩জনসাক্ষীকে।ভুলঠিকানায়গ্রেফতারিপরোয়ানাপাঠানোরকারণে৭৩জনআদালতেএসেসাক্ষ্যদিতেপারেননি।আরসঠিকসময়েপরোয়ানানাপাঠানোরকারণে১৩৮জনসাক্ষীআদালতেএলেওসাক্ষ্যদিতেপারেননি।এছাড়াবিচারকছুটিতেওউপস্থিতনাথাকাএবংআলামতওআসামিআদালতেউপস্থিতনাকরারকারণে৪০৪জনসাক্ষীসাক্ষ্যদিতেপারেননি।আরপরোয়ানাপাঠানোহয়নাএমনমামলারসংখ্যা২২৪।ভুলঠিকানায়সমনপাঠানোহয়েছেএমনমামলারসংখ্যা৩২৪।আরএকবছরপরপরমামলারতারিখফেলানোহচ্ছেএমনমামলারসংখ্যা১৫৪।………….এব্যাপারেঢাকারমহানগরদায়রাজজআদালতেরপেশকারইফতেখারহোসেনযুগান্তরকেবলেন, আদালতেরঅনেকপেশকারএইঅপকর্মেরসঙ্গেজড়িত।]

২৩।একটি বিভাগীয় স্পেশাল জজকোর্টে ২০০৯সালে আমলে নেওয়া ২টি দুর্নীতির মামলায় ৩বছরেও স্বাক্ষ্য শুরু না হওয়ায় আসামীর সনির্বন্ধ অনুরোধে স্বাক্ষ্য শুরু এবং ২০১২সালের নভেম্বরে (প্রস্তাবের ৩মাসের মধ্যে)মামলা শেষ করে দিবে এই আশ্বাসে ১০লাখ টাকা দিতে হবে দাবী করা হয়। আসামী রাজী না হওয়ায়  পূর্বের ২৫-৩০-৪০দিনের ব্যবধানে মামলার তারিখের পরিবর্তে বিচারক নিজ হাতে প্রকাশ্য আদালতে ৫(পাঁচ)মাসের ব্যবধানেই শুধু মামলার তারিখ ফেলেননি, পরবর্তী ১বছরেও আসামীর শত অনুরোধেও মামলার আরকোন স্বাক্ষী আনানো হয়নি। সেদিন কোর্টে আসামীর পক্ষে বারের সিনিয়রমোস্ট এডভোকেট ছিলেন, যিনি ঘটনা প্রত্যক্ষ করে আসামীকে প্রকাশ্য আদালতেই বলেছিলেন, “আপনার(আসামীর) মামলা ১০(দশ) বছরেও শেষ হবেনা।” উকিলরা পূর্বাপর মামলা শেষ কারার জন্য বহুবার প্রকাশ্য আদালতে জজকে অনুরোধ করেন। ঐকোর্টে ২০০৯সালে বা তার পরে আড়াই শতাধিক মামলা বিচারাধীন ছিল। এই ২টি মামলাসহ আড়াই শতাধিক মামলা সর্বোচ্চ ১বছরেই অর্থাৎ ২০১০সালেই স্বাভাবিকভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা ছিল, যাহা আজও (এপ্রিল, ২০১৫)শেষ হয়নি।

২৪।সপ্তম শ্রেনীর বীজগনিতে সমীকরন অধ্যায় হচ্ছে, অজ্ঞাত রাশির মান নির্নয়করন। যেমনঃ x+y=5, x-y=1 হলে x ও y-এর মান কত? এখানে x ও y হচ্ছে অজ্ঞাত রাশি, যাহার মান জানা নাই, 5 ও 1 হচ্ছে জ্ঞাত রাশি। এখান থেকে x=3, y=2 পাওয়া যায়। কোন বিচারক সৎ কি অসৎ তা অজ্ঞাত।জনাব মুহম্মদনুরুল হুদার বিচারিক কার্য্যক্রম ও মামলা নিষ্পত্তির সংখ্যা, অন্য বিচারকদের এজলাসে অবস্থানকাল, জারীকারকদের জারিজুরী, পেশকারদেরচাতুরিতেস্থবিরএকহাজারমামলারবিচার, উপরে বর্নিত ২টি(এবং এরূপ আরও বহু)মামলার “জ্ঞাত” তথ্য থেকে বিচারকদের “অজ্ঞাত” তথ্য সহজেই নির্নেয়।

বাংলাদেশ –রকমারি ; শিবিরেরক্যাডারনাছিরেরবিরুদ্ধেহত্যামামলা-সাক্ষীদেরচিঠিগায়েবকরারঅভিযোগ।একরামুলহকওগাজীফিরোজ, চট্টগ্রাম |  অক্টোবর০৪, ২০১৪ |……..এইস্থগিতাদেশখারিজহয়২০০৭সালের৯ডিসেম্বর।প্রায়সাতবছরপরচলতিবছরের২৬আগস্টস্থগিতাদেশখারিজেরনথিপাওয়াযায়।………।

ফেনীতেযুবদলনেতানুরনবীহত্যামামলা-বেকসুরখালাসজয়নালহাজারীর১৯ক্যাডার।নিজস্বপ্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | অক্টোবর১৪, ২০১৩ | প্রিন্টসংস্করণ।………………………

রাষ্ট্রপক্ষেরকৌঁসুলিদ্রুতবিচারট্রাইব্যুনালেরপাবলিকপ্রসিকিউটরআইয়ুবখানগতকালপ্রথমআলোকেবলেন, মামলাটিপ্রত্যাহারেরজন্যস্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সুপারিশকরেছিল।কিন্তুআদালততানাকচকরেশুনানিঅব্যাহতরাখেন।১৭জনসাক্ষীরমধ্যে১২জনেরসাক্ষ্যগ্রহণকরেছেনআদালত।কিন্তুকোনোসাক্ষীঘটনারবিষয়েমুখখোলেননি।অভিযোগপ্রমাণিতনাহওয়ায়আসামিরাখালাসপেয়েছেন।……………………।

২৩।আমাদের পর্যবেক্ষন-উপরের এই ২টি সংবাদসহ আরও হাজার হাজার মামলা থেকে ইহা নিশ্চিত যে, স্বাক্ষীকে পাওয়া যায়না বলে সমন/ওয়ারেন্ট জারী হয়না বা ভয়ে স্বাক্ষী স্বাক্ষ্য দিতে আসেনা, তাই মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হয়- বিচারকদের এহেন বক্তব্য সত্য নহে। উচ্চ আদালত থেকে একটি নথি চট্টগ্রামের আদালতে পৌঁছতে প্রায় ৭বছর লাগবে কেন? শিবির ক্যাডার নাছিরের ভয়কে উপেক্ষা করেও স্বাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হতে চায়, কিন্তু সমন বা ওয়ারেন্ট বাস্তবে ইস্যু হয়না। আবার জয়নাল হাজারীর ভয়কে উপেক্ষা করে স্বাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত হয়েছে, কিন্তু ভয়ে মুখ খোলেনি।(উপস্থিত তো হয়েছে)।

Cause List
তারিখ26/01/2015 কার্যক্রমেরসার-সংক্ষেপ পরবর্তীতারিখ
অতিরিক্তজেলাওদায়রাজজ, ৩য়আদালত, ঢাকা দেওয়ানিআপীলমামলা
315/2011
LCR আসেনাই 26/02/2015
LCR প্রাপ্তিসাপেক্ষেআপীলশুনানী

ওয়েবসাইট থেকে এরূপ প্রচুর তথ্য পাওয়া যাবে যেখানে দেখা যায় যে, পাশের কক্ষ থেকে বা নীচতলা/উপরতলায় LCR ৪-৫বছরেও যায়নি।

২৪।আমাদের পর্যবেক্ষনে বিচারকাজের সাথে জড়িত কর্মকর্তা কর্মচারীগন(বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি), যারা দুর্নীতিবাজ, তারা খুনী, ধর্ষক, অপহরনকারী/মুক্তিপন আদায়কারীদের মতই নির্মম-নিষ্ঠুর। এরা(খুনী, ধর্ষক, অপহরনকারী/মুক্তিপন আদায়কারীরা) যেমন ভিক্টিমের আর্তনাদ, অনুরোধ, কাকুতি মিনতি শোনেনা, তেমনি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীগন(বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি) বিচারপ্রার্থীর আর্তনাদ, অনুরোধ, কাকুতি মিনতি শোনেনা। দুর্নীতির মামলার ভিক্টিমরা আরও বহুগুন নির্মমতার শিকার। দুর্নীতির মামলায় কেউ অপরাধী কিনা ইহা কোন বিষয়ই নহে। তাদের(বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি) মূল লক্ষ্য বিচারপ্রার্থী কত টাকা বেতনে চাকুরী করে, মামলা থেকে অব্যাহতি পেলে কত টাকা বেনিফিট পাবে, ইত্যাদি, ইত্যাদি। যেহেতু বিচারকের Discretionary power(যদি তিনি মনে করেন) দ্বারা যে কোন দুর্নীতির মামলায় আসামীকে যেকোন মেয়াদের জেল-জরিমানা করতে পারেন, এতে আসামীর চাকুরীচ্যুতিসহ কয়েকলাখ থেকে কোটি টাকার বেতন-ভাতা-পেনসন বেনিফিট শূন্য হয়ে যাবে, এবং অন্যায় রায়ের জন্য তাকে(বিচারককে) পৃথিবীর কারও কাছেই জবাবদিহি করতে হবেনা, তাইদুর্নীতির মামলার আসামীরা চরম টর্চারের শিকারে পরিনত হয়। সবসময় যে, তারা(বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি) ঘুষ চায় তাহা নহে। ১০-২০ সপ্তাহে নিষ্পত্তিযোগ্য মামলায় ১০-২০-২৫বছর পর্যন্ত বিলম্বিত করে চাকুরীজীবি আসামীদেরকে ভয়ানক মানসিক, আর্থিক, সামাজিক টর্চারে ফেলা হয়। এই টর্চার থেকে বাঁচতে তারা(আসামীরা) অনেকসময় ঘুষের প্রস্তাব দেয় বা দিতে বাধ্য হয়। ঘুষের প্রস্তাবে(যে পক্ষেরই হোকনা কেন) দর কষাকষিতে এমনও দাঁড়ায় যে, অব্যাহতির ফলে বেতন-ভাতা-পেনসনের যে পরিমান বেনিফিট পাওয়া যাবে, ঘুষের পরিমান তার ৪০%-৫০%-৬০% পর্যন্ত হয়ে থাকে, টাকার অংকে ক্ষেত্রবিশেষে ২০-৩০-৪০লাখ বা তারও বেশী হয়ে থাকে। চাকুরীকালীন শত ব্যস্ততা, অনিচ্ছাকৃত ভূল-ত্রুটি কিংবা যারা সম্পূর্ন নির্দোষ, তারা সিংহভাগ ক্ষেত্রেই এতবড় অংকের ঘুষে রাজী হয়না। ফলে তাদের উপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। আর তার ফলস্বরূপ যুগের পর যুগ মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব। Discretionary power দ্বারা ইচ্ছা খেয়াল-খুশীমত রায় দেওয়া ও অনন্তকাল মামলা বিলম্ব করার জন্যও তাদেরকে(বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি) পৃথিবীর কারও কাছেই জবাবদিহি করতে হয়না। শুধু যে তারা (বিচারক, পেশকার, সমন জারীকারক, পিপি) নির্দোষদের কাছ থেকে ঘুষ না পেয়ে মামলা বিলম্বিত করে তাহা নহে, যে বা যারা দোষী সাব্যস্ত হতে পারে, তাদের কাছ থেকেও ঘুষ নিয়ে বিলম্বিত করে।

২৫।নৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতিবাজ(দায়িত্ব কর্তব্যে অবহেলা, সঠিক সময়ে কোর্টে না আসা-যাওয়া, এজলাসে না বসা, ইত্যাদি, ইত্যাদি) হলেও আর্থিকভাবে সৎ এরূপ প্রচুর বিচারকের খোঁজও আমরা পেয়েছি। কিন্তু গুরুগম্ভীর, বাহ্যিকভাবে ব্যক্তিত্ববান, কোর্ট প্রাঙ্গনে Straight-forward, গাউন. আলখাল্লা পরা বিচারকদের কে সৎ কে অসৎ তা বিচারপ্রার্থীর অনেকেই ধারনা করতে পারেনা। অন্য ডিপার্টমেন্টে বড় সাহেব সৎ-অসৎ হলেও তাহার(বড় সাহেব) সাথে অথবা অধস্তনদের সাথে কথা বলে ঘুষ দিয়ে বা না দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু নিম্ন আদালতে সেটা সম্ভব হয় না। ফলে অনেক বিচারপ্রার্থী পেশকার-স্টেনো বা এদের কাছে প্রতারিত হয়।

২৬। বাংলাদেশ -Bottom of Form

আলোচনাসভায়সাবেকপ্রধানবিচারপতিখায়রুলহক-বিচারকাজেরক্ষেত্রেজবাবদিহিরঘাটতিআছে।নিজস্বপ্রতিবেদক | মার্চ১৪, ২০১৪ | প্রিন্টসংস্করণ। …………….খায়রুলহকবলেন, ‘দেশেসারাবছরেযেঅপরাধসংঘটিতহয়, তারমধ্যে৬০শতাংশেরক্ষেত্রেঅভিযোগওমামলাহয়।আরযতগুলোমামলাহয়, তারমধ্যেমাত্র১০শতাংশেরক্ষেত্রেসাজাহয়। ১৯-০১-১৫,  সীমাবদ্ধতায়শৃংখলিতস্বাধীনকমিশন।……দুদককমিশনারসাহাবুদ্দিনচুপ্পুযুগান্তরকেবলেন, …….. আমাদেরমামলায়৪৭শতাংশসাজাপেয়েছে।যেখানেপুলিশেরমামলায়সাজাররেট১০শতাংশ।’.. বাংলাদেশ।Bottom of Form

কর্মশালায়তথ্য-কারাবন্দীদের৬৯শতাংশইবিচারাধীনমামলারআসামি।নিজস্বপ্রতিবেদক | মে০৭, ২০১৪ | প্রিন্টসংস্করণ।

যেকোন কারনেই হোকনা কেন, বহু তথ্য-উপাত্ত থেকে দেখা যায় যে, ফৌজদারী মামলার আসামীদের সিংহভাগ নির্দোষ। এরা সংশ্লিষ্ট দুদক-পুলিশ কর্মকর্তার দুর্নীতি, ঘটনা-দুর্ঘটনায় মামলার আসামী হয়ে বছরের পর বছর মামলার ঘানি টানাসহ মানবেতর জীবন যাপন করছে। নির্দোষ হওয়া সত্বেও অসহনীয় জীবন থেকে রেহাই পেতে তারা ঘুষ দিতেও রাজী। কিন্তু বিচারকরা যেহেতু সরাসরি ঘুষ খায়না, যারা খায় তারা বহু দুরত্ব বজায় রেখে খায়, তাদের(বিচারক) সাথে দরকষাকষির কোন সুযোগ নাই, তাই দুঃসহ জীবন থেকে বাঁচতে ঘুষ দিয়েও অনেকে প্রতারিত হয়। (ইদানিং পত্রপত্রিকার খবরে দেখা যায় যে, মুক্তিপনের টাকা দিয়েও ভিক্টিমকে জীবিত পাওয়া যায়নি)। তার কারন হচ্ছে, যে বিচারককে অসৎ ভেবে বা পেশকার-স্টেনোদের মিথ্যা আশ্বাসে ঘুষ দিলেও কাজ হয়না বা বিপরীত হয়। এতে ২টি বিষয় হতে পারে-হয়ত বিচারক আর্থিকভাবে সৎ অথবা পেশকার-স্টেনোদের প্রতারনা।

২৭।জেলাভিত্তিক, এলাকাভিত্তিক, রাজনৈতিক দলভিত্তিক, ইত্যাদি বিভিন্নরূপে পেশকারদের, যারা আমাদের ঘনিষ্ঠ পরিচিত, আত্মীয়, বন্ধু, এলাকার এরূপ প্রায় ৫০জন পেশকার, বিচারকের স্টেনোর সাথে (গবেষনার কথা না বলে বা গোপন রেখে) প্রত্যেকের সাথে আলাদাভাবে কথা বলে অন্ততঃ ৫০০ বিচারকের বিষয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, তারা(৫০০ বিচারক) আর্থিকভাবে দুর্নীতিবাজ। এদের সিংহভাগই বর্তমানে জেলাজজ/অতিরিক্ত জেলাজজ পদমর্যাদায় কর্মরত আছে। তবে এদের(বিচারক) সিংহভাগই জানেনা কখন, কোন বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে, কত টাকা, কিভাবে ঘুষ খেতে হবে, কেন খেতে হবে। ফলে সিংহভাগ ক্ষেত্রেই তারা বিচারক ও পেশকাররা(বা যারা বিচারকের সাথে ঘুষের লেনদেন, দরকষাকষি করে) তালগোল পাকিয়ে ফেলে বা লেজেগোবরে করে ফেলে। আর এর জন্য চরম খেসারত দিতে হয় বিচারপ্রার্থীদেরকে।

২৮।সারা বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজ বিচারক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে লৌহ কঠিন বন্ধন। এরা কেহই চায়না সুপ্রীম কোর্টের অধীন বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় হোক। সেটা আরেক বিষ্ময়। ০১ নভেম্বর ২০১২ | Bottom of Form

এ মাসেই বিচার বিভাগেরজন্য আলাদা সচিবালয়। শ্রদ্ধেয় জজ মাসদার হোসেনসহ নুরুল হুদা সাহেবদের মত কিছু বিচারক বিচারবিভাগ আলাদা তথা সুপ্রীম কোর্টের অধীন বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় চাইলেও সিংহভাগ দুর্নীতিবাজ বিচারক ও সংশ্লিষ্টরা আলাদা বিচারবিভাগ কখনোই চায়না। এমনকি  আর্থিকভাবে সৎ অনেক বিচারকও চাননা। এবং আইন মন্ত্রনালয়ের কেহই চায়না। তার অন্যতম প্রধান কারন (১)নিম্ন আদালতে এখন যে রাম রাজত্ব চলছে, তা বন্ধ হয়ে যাবে,(২) মন্ত্রনালয়ের ঘুষ-দুর্নীতি, মাতব্বরি বন্ধ হয়ে যাবে,(৩)বাহ্যিকভাবে ভয় করলেও অন্তরে নিম্ন আদালতের বিচারকরা বিচারপতিদেরকে অপছন্দ এমনকি ঘৃনা করে। জুডিসিয়াল সার্ভিসের মেধাবীদের তূলনায় রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া বিচারপতিরা অনেক কম মেধাবী ও জুনিয়র এবং পান থেকে চূন খসলে মেধাবী ও সিনিয়র জেলাজজদেরকেওক্ষমতায় অনেক উঁচু কিন্তু Inferior, junior বিচারপতিরা হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্টে নিয়ে কাঠগড়ায় ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখে। অপছন্দ ও ঘৃনার ইহাই কারন। বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের দুর্নীতিবাজ বিচারক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে লৌহ কঠিন বন্ধনের আরও ২টি প্রমান-তারা সংসদীয় কমিটি ও আইন কমিশনের সুপারিশকৃত ময়মনসিংহ মডেলত অনুসরন করেইনি, মাননীয় সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশিত ৯-৫টা অফিস এজলাসও করেনি।

২৯।দপ্তর প্রশাসন ও কমর্চারী ব্যবস্থাপনার দিক থেকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের মান শূন্যের কোঠায়। এদের ব্যবস্থাপনা যেকোন ডিপার্টমেন্টের ২য়-৩য়শ্রেনীর শাখা কর্মকর্তার দপ্তরের চেয়েও খারাপ। জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা যেকোন উন্নত প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সমৃদ্ধ দপতরের চেয়েও অনেক উন্নত। সহকারী জজ-ম্যাজিস্ট্রেটদের লজিস্টিক সাপোর্ট নগন্য বা তেমন নাই বললেই চলে। কিন্তু যাতায়াতের যানবাহন ছাড়া বাকী সকলের দপ্তর/কোর্ট স্বয়ংসম্পূর্ন। জেলাজজ পদমর্যাদার সকলের একক কার ও পুলিশ বডিগার্ড আছে। যেখানে ডিসি, এসপি, প্রকৌশলী, ইত্যাদি জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জুরিসডিকসন একটি জেলা, সেখানে একজন জেলা ও দায়রা জজের জুরিসডিকসন জেলা হলেও দায়িত্ব ২-আড়াই হাজার বর্গগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ। অন্য জজদের দায়িত্ব ২-৩টি কক্ষে সীমাবদ্ধ। জজদেরকে চিঁচকে রাজনৈতিক চেলা থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত কারও তদবীর শুনতে হয়না, যা শুনতে হয় ডিসি, এসপি, প্রকৌশলীসহ বাকী সকলের। জজদের আরও বড় সুবিধা হচ্ছে যে, বাদী/বিবাদী, আইও, উভয়পক্ষের উকিলরা সকল তথ্য রেডী করে দেয়।জবাবদিহিতা না থাকা এবং আকাশচুম্বি আইনী ক্ষমতার অধিকারী দুর্নীতিবাজ এই বিচারকদের(যে বা যারা দুর্নীতিবাজ তারা ছাড়াও বাকী যারা নিজেদেরকে সৎ মনে করে তারাও) মধ্যে অহমিকা ছাড়া ব্যবস্থাপনা ও মানবিক গুনাবলীর ছিঁটে ফোঁটাও নাই। যদি থাকত এবং যদি তারা প্রকৃতই আর্থিক ও নৈতিক/বুদ্ধিবৃত্তিক, সার্বিকভাবে সৎ হত, তাহলে সদ্য রুজুকৃত(২/১মাসের মধ্যে রুজুকৃত)মামলা ছাড়া কোন মামলাই নিষ্পত্তির জন্য পেন্ডিং থাকতনা। বিনা বিচারে বছরের পর বছর নির্দোষ মানুষ জেলে থাকতনা।

৩০।কিছু বিচারক আছে, যারাআর্থিকভাবে সৎ হলেও vindictive(ক্ষমাহীন, ক্ষমাশূন্য, দয়ামায়াশূন্য, প্রতিহিংসাপরায়ন)। এরাঅসৎ থেকেও জঘন্য। এরা মনে করে তারা নিজেরাই সৎ ও ভাল, বাকী সবাই অসৎ ও খারাপ। তাই এরা সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখে এবং ন্যায়বিচার থেকে বিরত থাকে।

৩১।২০০৯সাল থেকে আমাদের গবেষনার ফলাফল তৎকালীন প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি, জেলাজজ, আইনমন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/সচিব, এটর্নী জেনারেল, HRCB, সিনিয়র ব্যারিস্টার/এডভোকেট, সুপ্রীমকোর্ট বার, জেলা বার, টিআইবি, বেলা, HRPB, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ইত্যাদিতে চিঠি আকারে কুরিয়ার সার্ভিস/ই-মেইল মারফত প্রেরন করেছি। মামলা নিষ্পত্তির ইচ্ছা, উদ্দেশ্য থাকলে অজুহাতের সুযোগ নাই। মামলা নিষ্পত্তির ইচ্ছা, উদ্দেশ্য না থাকলে অজুহাতের শেষ নাই। এরা (বিচারকাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা) এত কৌশল-অপকৌশলের মাধ্যমে বিচারকাজ বিঘ্নিত/বিলম্বিত করে যে, তা বলে বা লিখে শেষ করা যাবেনা। তবে এদের(বিচারকাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা)) অনিয়ম ধরা এতই সহজ যে, শুধুমাত্র জবাবদিহিতার অভাব, অতি সামান্য তদারকির অভাবের কারনে এরা((বিচারকাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা) ভয়াবহ বেপরোয়া হয়ে গেছে। চট্টগ্রামের কোর্টবিল্ডিং থেকে ২-৩শত গজ দূরের কোতওয়ালী থানায়, ঢাকার কোর্টবিল্ডিং থেকে ২-৩শত গজ দূরের সরকারী অফিসে কর্মরত ৭-৮জন স্বাক্ষীর সমন/ওয়ারেন্ট কেন ২-৩-৪বছরেও পৌঁছবেনা? অন্য সরকারী অফিসগুলোতে অনেক দুর্নীতি আছে, ইহা যেমন সত্য, তেমনি সেখানে কিছু বিষয়ে অনেক কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থাও আছে। ২-৩শত গজ কেন, ২-৩কিলোমিটার বা ২-৩শতকিলোমিটার দুরের একটি সরকারী দপ্তরে চিঠি না পৌঁছলে এবং তা কোনভাবে কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে, পিয়ন/ডেসপাস ক্লার্ক কেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক শৃংখলামূলক ব্যবস্থা শুরু হয়ে যেত।

৩২।বিচারাধীন মামলাগুলো যে, শুধু সমন/ওয়ারেন্ট জারী, স্বাক্ষী হাজিরের উপর নির্ভরশীল তাতো নহে। বহু মামলা আছে যার সাথে স্বাক্ষী বা প্রতিপক্ষের উপস্থিতির প্রয়োজন নাই। সেগুলো নিষ্পত্তি হয়না কেন? জজ বলবে মামলা এত বেশী যে, ব্যস্ততার কারনে তা নিষ্পত্তি হয়না। সাড়ে ছয় ঘন্টার স্থলে ১৫-২০-৩০ মিনিট বা গড়ে সর্বোচ্চ ২ঘন্টা এজলাস করলেত সময়ের অভাব হবেই। ২৯নভেম্বর২০১২।দেওয়ানিবিচারেবাংলাদেশতলানিতে।সমকালডেস্ক।Bottom of Form
দেওয়ানিবিচার (সিভিলজাস্টিস) ব্যবস্থারক্ষেত্রেবিশ্বের৯৭টিদেশেরমধ্যেবাংলাদেশেরঅবস্থানসর্বনিম্নে (৯৭তম)ওয়াশিংটনভিত্তিকআন্তর্জাতিকসংস্থাদ্যওয়ার্ল্ডজাস্টিসপ্রজেক্টের ‘আইনেরশাসনইনডেক্স-১২’ রিপোর্টেএকথাবলাহয়েছে।এটিহচ্ছেসংস্থাটিরতৃতীয়বার্ষিকরিপোর্ট।গতবছরেররিপোর্টেবাংলাদেশছিল৬৬টিদেশেরমধ্যে৬২তম।৯৭দেশেআইন-বিচার-মানবাধিকার
নিয়েকাজকরেছেনএমন২৫হাজারেরবেশিঅভিজ্ঞব্যক্তিএবং৯৭সহস্রাধিকসচেতননাগরিকেরসাক্ষাৎকারওমতামতেরভিত্তিতেএবছরওইরিপোর্টতৈরিকরাহয়েছে।গতকালবুধবারতাপ্রকাশকরাহয়।
রিপোর্টেআইনেরশাসনেরইনডেক্সনির্র্ধারণে৮টিবিষয়কেগুরুত্বদেওয়াহয়।এগুলোহচ্ছে_ সরকারেরক্ষমতারসীমাবদ্ধতা, দুর্নীতি, নিরাপত্তা, মৌলিকঅধিকার, মুক্তশাসনব্যবস্থা, আইনেরপ্রয়োগ, সিভিলজাস্টিসএবংক্রিমিনালজাস্টিস।…………রিপোর্টেআরওবলাহয়, ৯৭টিদেশেরমধ্যেবাংলাদেশেরঅবস্থানসরকারেরপ্রভাবসীমাবদ্ধরাখারক্ষেত্রে৮৭তম, দুর্নীতিরঅনুপস্থিতিতে৮৯তম, মৌলিকঅধিকারসমূহে৮৭তম, সরকারেরস্বচ্ছতায়৮৯তম, আইনপ্রয়োগে৯০তমওফৌজদারিবিচারব্যবস্থায়৮৩তম।………… পুরোনোমামলানিষ্পত্তিতেব্যতিক্রমীউদ্যোগআইনঅধিকারপ্রতিবেদক | তারিখ: ১৬০১২০১১। ………জেলাজজমুহাম্মদনূরুলহুদারসভাপতিত্বেঅনুষ্ঠিতএসভায়২০০১থেকে২০০৩সালপর্যন্তদায়েরকরাবিচারাধীন৭৬টিমোকদ্দমাচিহ্নিতকরাহয়এবংএগুলোনিষ্পত্তিতেবিদ্যমানবাধাগুলোদূরকরারলক্ষ্যেসংশ্লিষ্টবিচারকওআইনজীবীদেরমধ্যেসরাসরিমতবিনিময়েরব্যবস্থাকরাহয়।উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জেরবর্তমানজেলাজজসর্বপ্রথমগত৭অক্টোবর২০০৯ ‘দেওয়ানিমোকদ্দমাদ্রুতনিষ্পত্তিতেবিদ্যমানপ্রতিবন্ধকতাওউহারসম্ভাব্যপ্রতিকারসমূহমানিকগঞ্জজেলাপ্রেক্ষিত’ শীর্ষকএকসভারমাধ্যমেদেওয়ানিমোকদ্দমাদ্রুতনিষ্পত্তিরএকধারাবাহিককার্যক্রমচালুকরেন।একার্যক্রমেরঅংশহিসেবেইতিমধ্যে১৯৬৯সালথেকে২০০০সালপর্যন্তকরাসবমোকদ্দমাযথাযথমামলাব্যবস্থাপনারমাধ্যমেনির্ধারিতসময়েরমধ্যেনিষ্পত্তিকরাহয়েছে।গত১১জানুয়ারিরসভাটিছিলএধারাবাহিকউদ্যোগেরইচতুর্থধাপ। …………………।

৩৩।আইন মন্ত্রনালয়ের কাজ কি? তার কাজ আর যাহাই হোকনা কেন, বিচারকদের এত অল্পসময় এজলাস করা বা থাকাটা অন্ততঃপক্ষে তারা(আইন মন্ত্রনালয়) দেখতে পারে। কেননা এটা প্রশাসনিক কাজ। নিম্ন আদালতের বিচারিক কাজ উচ্চ আদালত দেখবে। সংবিধানের ১০৯ ও ১১০ধারায় এব্যপারে বিস্তারিত বলা আছে। কিন্তু আইন মন্ত্রনালয়ের সচিব নিয়োগের জন্য একজন যোগ্য সিনিয়র জেলাজজ পাওয়া যায়নি। মতামত –সরলগরল ; দলবাজিকরেআইনসচিবমিজানুররহমানখান | তারিখ: ২৫০৬২০১২৩৯মন্তব্য

বিচারপ্রশাসনেবজ্রপাতঘটেছে।প্রায়১৭০জনজ্যেষ্ঠজেলাজজকেডিঙিয়েবিচারপ্রশাসনেরশীর্ষপদ, যাএকসময়েকর্মরতহাইকোর্টেরবিচারকওঅলংকৃতকরতেন, সেখানেএখনএকজনআগন্তুকেরঅনুপ্রবেশঘটেছে।তিনিআবুসালেহশেখমো. জহিরুলহক।……………

তবেসেইথেকেসমিতিসরকারেরখাসতালুক।অভ্যুত্থানেনেতৃত্বদানকারীসমিতিরসভাপতিপ্রায়২০০জ্যেষ্ঠজেলাজজকেটপকেইতিমধ্যেহাইকোর্টেএবংমহাসচিবপ্রায়১৭০জনজেলাজজকেটপকেবনেগেলেনআইনসচিব।দেশেরপ্রথমআইনসচিবছিলেনহাইকোর্টেকর্মরতবিচারপতিড. এফকেএমএমুনএম, যিনিপরেপ্রধানবিচারপতিহয়েছিলেন।……………….

৩৪। মতামত-সরলগরল;প্রধানবিচারপতিওআইনমন্ত্রীসংবিধানভাঙছেনমিজানুররহমানখান | তারিখ: ২৬০৬২০১২; ৪৪মন্তব্য।আইনসচিবপদেএকজনকনিষ্ঠেরদলবাজিকাকেবলে, সেটারপ্রমাণহলো, উপসচিব (প্রশাসন) হিসেবেতিনিগতসাড়েতিনবছরেবদলিওশৃঙ্খলামূলকযেআদেশগুলোলিখেছেন, সেসব।তিনিদিনকেরাত, রাতকেদিনকরছেন।তাঁরজন্যসাতখুনমাফ।আইন-কানুনতাঁরপকেটে।
দেশেরপ্রায়১৬০০বিচারকেরপ্রধানপ্রশাসনিককর্মকর্তাহলেনআইনসচিব।তিনিতাঁদেরবাস্তবওকর্মজীবনেবিরাটপ্রভাবফেলতেপারেন।সেকারণেইআমরাএইপদেচতুর্থবারেরমতোসুপ্রিমকোর্টকেপাশকাটানোয়উদ্বিগ্ন।এবারসকলসীমালঙ্ঘনকরাহয়েছে।
নতুনসচিবেরচেয়েজ্যেষ্ঠঅন্তত৫০জনআছেন, যাঁরা১০থেকে১৬বছরআগেজেলাজজহয়েছেন, তাঁদেরমধ্যেমুক্তিযোদ্ধারাওআছেন।তাঁদেরএকজনওআওয়ামীলীগেরচেতনারধারকএবংপ্রশাসনবোঝেনইনা, এমনটাআমরাধরেনিতেপারিনা।এরপরওএকটিআজগুবিআদেশদেখেআমরাহতভম্ব।যাঁকেআইনভেঙেসচিবকরাহলো, মাত্র৫দিনেরমধ্যেনতুনকরেযুগ্মসচিবওঅতিরিক্তসচিবেরদায়িত্বঠিকতাঁকেইদেওয়াহলোকেন? তিনিকিঅতিমানব?তাঁরএই ‘থ্রিইনওয়ান’ অবস্থাটিসৃষ্টিরপ্রশাসনিকদায়প্রধানবিচারপতিওআইনমন্ত্রীকেঅবশ্যইনিতেহবে।এটাকার্যতএকটিঅমার্জনীয়প্রশাসনিকদুর্নীতিওবটে।১৮জুন২০১২জারিকরাদুর্নীতিগ্রস্তএইআদেশদেখুন:
‘আইন, বিচারওসংসদবিষয়কমন্ত্রণালয়েরআইনওবিচারবিভাগেরসচিব (দায়িত্বপ্রাপ্ত) জনাবআবুসালেহশেখমো. জহিরুলহকমহোদয়নিজদায়িত্বেরঅতিরিক্তহিসেবেআইনওবিচারবিভাগেরঅতিরিক্তসচিবওযুগ্মসচিব (প্রশাসন-১)-এরদায়িত্বপালনকরবেন।তিনিবিধিমোতাবেকদায়িত্বভাতাপ্রাপ্যহবেন।যথাযথকর্তৃপক্ষেরঅনুমোদনক্রমেজারিকৃতএআদেশঅবিলম্বেকার্যকরহবে।’……………….

“আইন মন্ত্রনালয়ের সচিব নিয়োগের জন্য একজন যোগ্য সিনিয়র জেলাজজ পাওয়া যায়নি” না বলে আমরা বলতে পারি দলবাজি, তদবিরবাজি বিবেচনায় আমরা এই আইনসচিবকে পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট দুর্নীতিবাজ আইনসচিব বলতে পারি। যদি কোন কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ হন, একইসাথে ১৭০জনের জুনিয়র হন, তিনি কখনই অন্যদেরকে সৎ হওয়া বা থাকার কথা বলতে পারেননা, বললেও তার সিনিয়ররা কেন, জুনিয়ররাও শুনবেননা। আর এভাবেই বিচারবিভাগের নিম্নাংশ(নিম্ন আদালত) দুর্নীতির সূতিকাগারে পরিনত হয়েছে।পৃথিবীতে এমন কোন নজীর আছে বলে আমাদের জানা নেই, যেখানে অসৎ জুনিয়রের শাসন সৎ সিনিয়ররা কেন, জুনিয়ররাও  মেনেছে।

এত অনিয়ম নির্মুলের একটাই ঔষধমাননীয় সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক জেলাজজ জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার মডেল।

৩৫।জনাব মোজাম্মেল হোসেন দীর্ঘতম সময় প্রধান বিচারপতি ছিলেন।দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে তিনি সাবেক প্রধান বিচারপতি জনাব এবিএম খায়রুল হকের মত বিশেষ উদ্যোগ না নেওয়াতে তাহার(মোজাম্মেল হোসেন) কোনই ক্ষতি হয় নাই। আপনিও দীর্ঘতম সময় প্রধান বিচারপতি থাকবেন। আপনিও দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ কোন উদ্যোগ না নিলে কোন ক্ষতি হবেনা। জেলা ও দায়রা জজ এবং তাদের অধস্তনরা জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার মত বিশেষ কোন উদ্যোগতো দূরের কথা, normal routine work-ই তারা করেনি এবং সেজন্য তাদের কোন ক্ষতি হয়নি। বরং এরূপ করে তাদের হাজার হাজার কোটি টাকা (ঘুষের মাধ্যমে) লাভ হয়েছে। অলস-বিলাসবহুল জীবন যাপন করেছে। তাই আপনি বা আপনারা দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ কোন উদ্যোগ নিবেন কি নিবেন না তা আপনাদের মর্জি।

আমরা যেহেতু কারও বেতনভূক কর্মকর্তা/কর্মচারী নহি, বা কারও দান বা চাঁদায় কাজ করিনা যে, বেতন বা চাঁদা জায়েজ করার জন্য মিথ্যা/ বানোয়াট, অতিরঞ্জিত কিছু করব।বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের কারও প্রতিই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের যেহেতু কোন ক্ষোভ নাই, তাই আমরা সর্বোচ্চ সঠিক তথ্যগুলো তুলে ধরলাম।

দপ্তর প্রশাসনে ২টি rule চালু আছেঃ-

Rule no.1.Boss is always correct.

Rule no.2.If boss is not correct, see rule no.1.

তূলনাটা এর সাথে পুরোপুরি না মিললেও অনেকটা বলতে পারিযে, If anybody thinks our work not correct, please see work of Mr. Md. Nurul Huda, district and session judge. Bottom of Form

 

Calculation-1

৩৬।২০০৯সাল থেকে ২০১৪সাল পর্যন্ত গড়ে ২০লাখ মামলা চালু ছিল(নিম্ন আদালতে)। সরকার বাদী/বিবাদী গড়ে ৫লাখ মামলা ধরলে বাকী ১৫লাখ মামলায় ৩০লাখ পক্ষ (বাদী/বিবাদী)। ৩০লাখ বাদী/বিবাদীর সাথে কমপক্ষে ১কোটি লোক (আসামী/ প্রতিপক্ষ) জড়িত। বছরে গড়ে ৬টি তারিখ পড়লে ১কোটি লোক বছরে ৬কোটিবার, ৬বছরে ন্যুনতম ৩৬কোটিবার বিচারকদের অপরাহ্নে এজলাসে না বসা দেখেছে। সারাদেশে নিম্ন আদালতে ন্যুনতম ৫০হাজার active উকিল আছেন। উকিল, উকিলের সহকারী, পুলিশ, কোর্ট স্টাফ ও অন্যান্যলোক(দোকানী, স্টাম্প ভেন্ডার,ফেরীওয়ালা, ইত্যাদি)মিলে ন্যুনতম ১লাখ লোক, যারা ৬বছরে বিচারকদের এই অনিয়ম দেখেছে। একজন লোকের একদিনের দেখাকে ১বার ধরলে-১লাখ লোকX৬বছরXবছরে গড়ে ২০০কার্য্যদিবস=১২কোটিবার। অর্থাৎ ৬বছরে ন্যুনতম ৪৮কোটিবার নিম্ন আদালতের বিচারকদের এজলাসে বসার অনিয়ম, দুর্নীতি সরাসরি মানুষ দেখেছে। সরকারী হাসপাতালের ডাক্তার ও সিবিএ(সরকারী দপ্তরের শ্রমিক সংগঠনের নেতা)নেতা ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস ডিউটি ফাঁকির মত এতবড় দুর্নীতি প্রকাশ্যে করেনা।

 

Calculation-2

৩৭।ম্যাজিস্ট্রেট-সহকারী জজদের এবং যুগ্ম জজদের কেহ কেহ কোনদিন উভয়ার্ধে সর্বোচ্চ ৩-৪ঘন্টা এজলাসে বসলেও আগের-পরেরদিন কোর্টে উপস্থিত থাকলেও টোটালী এজলাসে বসেননা। কোন কোন জজ কখনও কখনও ১১টায় এজলাসে বসে একনাগাড়ে ২টা-আড়াইটা পর্যন্ত এজলাসে থাকেন। তারাও আগের-পরেরদিন কোর্টে উপস্থিত থাকলেও টোটালী এজলাসে বসেননা। আমরা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে দেখেছি নিম্ন আদালতের বিচারকরা(জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা ও তাঁহার অধীনস্থ বিচারকরা ব্যতীত) দৈনিক গড়ে ২ঘন্টার বেশী এজলাসে বসেননা বা থাকেননা।উচ্চ আদালতের আদেশ সাড়ে নয়টা থেকে সাড়ে চারটা-মাঝে আধ ঘন্টার বিরতি। সে হিসাবে তাদের সাড়ে ছয় ঘন্টা এজলাসে বসা/থাকার কথা। কিন্তু তারা গড়ে কখনই ২ঘন্টার বেশী বসেননাই।

৩৮।[ -০৬ডিসেম্বর২০১৪-Top of Form

 

৭বছরেমামলাঝুলেছে১৫লাখআশরাফ-উল-আলমওরেজাউলকরিম

 

ঝুলন্তমামলায়জর্জরিতদেশেরউচ্চওনিম্নআদালতগুলো।প্রতিবছরবিচারাধীনমামলারসংখ্যাবাড়ছেই।এখনসারাদেশেবিচারাধীনমামলারসংখ্যাদাঁড়িয়েছে৩০লাখেরবেশি।২০০৭সালের১নভেম্বরদেশেরসবআদালতেবিচারাধীনমামলারসংখ্যাছিল১৫লাখ৭০হাজার।মাত্রসাতবছরেইঝুলন্তমামলারসংখ্যাবেড়েছেদ্বিগুণেরওবেশি।…………এছাড়াসারাদেশেরআদালতগুলোরমামলাব্যবস্থাপনাকমিটিরসঠিকভাবেদায়িত্বপালননাকরাওমামলাজটবাড়ারঅন্যতমকারণ।……….আইনকমিশনেরচেয়ারম্যানবলেন, নিম্নআদালতেমাত্র১৭০০বিচারকবিচারকাজপরিচালনাকরছেন। ………. আইনমন্ত্রণালয়সূত্রেজানাগেছে, এই১৭০০বিচারকেরমধ্যেএইমুহূর্তে৪০০বিচাকেরপদশূন্যরয়েছে।  ……………. সাক্ষীদেরপ্রতিজারিকরাসমনবানোটিশএকশ্রেণিরজারিকারকওপুলিশনাপাঠানোয়বালুকিয়েরাখায়মামলারবিচারেবিলম্বহয়।………..]

আমাদের চাক্ষুষ পর্যবেক্ষনএবং উচ্চ আদালতের আদেশ মোতাবেক[ সময়সূচিমেনেচলতেবিচারকদেরপ্রতিপ্রধানবিচারপতিরনির্দেশনিজস্বপ্রতিবেদক | তারিখ: ০৪১০২০১০……………সংশ্লিষ্টরাজানান, …………তবেবিচারকাজসাড়েনয়টায়শুরুহয়েবিকেলসাড়েচারটাপর্যন্তচলে।তবেদুপুরেআধাঘণ্টামধ্যাহ্নবিরতিআছে।……………..]  দেশের নিম্ন আদালতের গড়ে প্রায় (শূন্যপদ, ছুটী, ট্রেনিং, ইত্যাদি পদ বাদ দিয়ে, ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ন্যুনতমabsolutely active বিচারক সংখ্যা) ১১০০ বিচারক Xবছরে গড়ে ২০০কার্য্যদিবসX৪.৫ঘন্টাX৬বছর(২০০৯সাল থেকে ২০১৪সাল)=৫৯,৪০,০০০কর্মঘন্টা, ধরি, ৫৯লাখ কর্মঘন্টা  এজলাসে বসেননাই।

[আরও দ্রস্টব্য- -অভিভাষণেপ্রধানবিচারপতি-দুর্নীতিঅবিচারেরজন্মদেয়-নিজস্বপ্রতিবেদক|  ডিসেম্বর০৩, ২০১৪ | …………প্রধানবিচারপতিবলেন, ‘আমিশুনতেপাইকোনোকোনোজেলাজজমধ্যাহ্নবিরতিরপরআদৌবিচারকাজেবসেননা।এটাআদৌগ্রহণযোগ্যনয়।…….

 

৩৯। জাতীয়-বুধবারজুলাই০৯, ২০১৪ঢাকারনিম্নআদালতেরকার্যক্রমেঅসন্তুষ্টপ্রধানবিচারপতি।………

প্রধানবিচারপতিসারপ্রাইজভিজিটেআসারখবরছড়িয়েপড়লেঢাকাজেলাজজশীপওমহানগরদায়রাজজশীপেরবিচারকদেরতৎপরতাবেড়েযায়।তারাএজলাসেদীর্ঘক্ষণবসেথাকেন।একটিস্বাক্ষীনিয়েইদীর্ঘসময়কাটানোরচেষ্টাকরেন।কেউকেউএজলাসথেকেনেমেপড়লেওবিচারপতিআসারখবরেফেরএজলাসেওঠেন।হঠাৎকরেইপরিচিতনিয়মকানুনবদলেযায়।…….

জানুয়ারি১৯, ২০১৪, রোববার :মাঘ৬, ১৪২০প্রতিবছরজটেযোগহচ্ছে২লাখমামলা…………নিম্নআদালতেরবিচারকদেরসময়মতোএজলাসেনাবসা,………… -১৩নভেম্বর২০১০অভিযোগপ্রধানবিচারপতির

অনেকবিচারকনাজিরেরসঙ্গেটাকাপয়সালেনদেনকরেন

……………..এতেনিম্নপদস্থকর্মচারীরাবিচারকদেরব্যবহারেরসুযোগপায়।তারামাথায়উঠেবসে।’………..আদালতেরডাইরিঠিকনেই।সাড়ে১২টারমধ্যেঅনেকবিচারকএজলাসথেকেনেমেগেছেন।………………… -২২ডিসেম্বর২০১৪। বিচারকদেরসাড়ে৯টারমধ্যেআদালতেবসতেহবে—যশোরেপ্রধানবিচারপতি। সময়সূচিমেনেচলতেবিচারকদেরপ্রতিপ্রধানবিচারপতিরনির্দেশনিজস্বপ্রতিবেদক | তারিখ: ০৪১০২০১০……………সংশ্লিষ্টরাজানান, বর্তমানআদালতেরনির্ধারিতসময়সূচিসকালনয়টাথেকেবিকেলপাঁচটাপর্যন্ত।তবেবিচারকাজসাড়েনয়টায়শুরুহয়েবিকেলসাড়েচারটাপর্যন্তচলে।তবেদুপুরেআধাঘণ্টামধ্যাহ্নবিরতিআছে।……………..

ঢাকা, ২৫জুলাই, সোমবার২০১১,  গোপালগঞ্জেপ্রধানবিচারপতি;বিকেলেআদালতনাবসারসংস্কৃতিবন্ধকরতেহবে।প্রধানবিচারপতিমো. মোজাম্মেলহোসেনবলেছেন, বেশিরভাগজেলায়বিকেলেআদালতবসেনা, এসংস্কৃতিবন্ধকরতেহবে।…………

ঢাকা, মঙ্গলবার১২আগস্ট২০১৪, Top of Form

 

বিচারবিভাগেরস্বচ্ছতাওজবাবদিহিনিশ্চিতকরতেউদ্যোগসুপ্রিমকোর্টের; একইডাটাবেইসেরআওতায়আসছেনকর্মকর্তারা।আশরাফ-উল-আলম…………………তবুবিচারবিভাগদুর্নীতিগ্রস্ততানিয়েআইনজীবী, বিচারপ্রার্থীওসাধারণমানুষেরমধ্যেঅনেকেইএকমত।বিভিন্নসেমিনারেতৎকালীনপ্রধানবিচারপতিওবিচারবিভাগেরদুর্নীতিরচিত্রতুলেধরেছেন।এখনোপত্রপত্রিকায়বিচারবিভাগেদুর্নীতিরচিত্রছাপাহয়।ঠিকএধারণামাথায়রেখেইএককডাটাবেইসতৈরিরসিদ্ধান্তহয়।………..।]

Calculation-3

৪০।ময়মনসিংহের ২৪জন বিচারক সকাল ৯টা থেকে রাত৯টা পর্যন্ত দৈনিক ১২ঘন্টা কাজ করে(নামাজ,খাবার, বিশ্রাম, আরাম-আয়েসসহ)৩বছরে(৩৩মাসে-প্রতি ডিসেম্বর ছুটি ধরে) ৫৬,৮২৫টি মামলা নিষ্পত্তি করেন। প্রতিজন বিচারক প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭২টি মামলা নিষ্পত্তি করেন। তারা যদি ৮ঘন্টা(Normal working hour) কাজ করতেন তাহলে প্রতিজন বিচারক প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৮টি মামলা নিষ্পত্তি করতেন। বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের অপর বিচারকরা যদি সঠিকভাবে ৮ঘন্টাও কাজ করতেন তাহলে ৬বছরেঃ- গড়ে ১১০০ বিচারক(২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ন্যুনতম গড় বিচারক সংখ্যা)Xপ্রতি মাসে ৪৮টি মামলা X৬বছরX বছরে১১মাস =৩৪,৮৪,৮০০মামলা, ধরি ৩৪,০০,০০০ মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন। অর্থাৎ অপর বিচারকরা সঠিকভাবে কাজ করলে নিষ্পত্তির জন্য কোন মামলাই পেন্ডিং থাকতনা। এতে প্রকৃত বিচারপ্রার্থী সুবিচার পেত, নিরপরাধরা বিনাবিচারে বছরের পর বছর জেল খাটতনা, প্রকৃত অপরাধীরা দ্রুত শাস্তির সম্মুখীন হত। হয়রানীমূলক ও মিথ্যা মামলাকারীরা নিরুৎসাহিত হত। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা রুজুর সংখ্যা কমে যেত। ইহাতে সুষ্পষ্টভাবে প্রমানিত যে, জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা তাঁহার অধীনস্থ বিচারকরা  এবং পরতে পরতে থাকা স্বল্প সংখ্যক সৎ বিচারক ব্যতীত বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের বিচারকরাকোন না কোনভাবে দুর্নীতিবাজ।তাদের এই দুর্নীতি জনসমক্ষে প্রকাশ্যভাবে সংঘটিত হইতেছে।

অপর বিচারকরা জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার মত কাজ করলে ৬বছরে গড়ে ১১০০ বিচারক(২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ন্যুনতম গড় বিচারক সংখ্যা)Xপ্রতি মাসে ৭২টি মামলা X৬বছরX বছরে১১মাস =৫২,২৭,২০০মামলা, ধরি ৫২,০০,০০০ মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন।

অপর বিচারকরা যদি ১০ঘন্টা কাজ করতেন তাহলে ৪৩,৫৬,০০০, ধরি, ৪৩,০০,০০০ মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন।

দারোগা, ওসি, সহকারী কমিশনার, ইউএনও, ডিসি, এসপি, কমিশনার, সচিব, ডিআইজি, আইজি, প্রকৌশলী, বোর্ডের চেয়ারম্যান, ব্যাংকার, ডিজি, এমডি-গন, সেনাবাহিনী, বিজিবি প্রভৃতি সরকারী সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীগন শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায়,সাপ্তাহিক/সরকারী ছুটীরদিন, ঈদে-পার্বনে,দিনে রাতে কাজ করতে পারলে নিম্ন আদালতের বিচারকরা পারবেনা কেন? উচ্চ আদালতের মাননীয় বিচারপতিরাও রাত্রে কাজ করেছেন এবং এখনও করেন।

ফেব্রুয়ারি১৮, ২০১৫।রাজস্বফাঁকিবাজদেরবিরুদ্ধেকঠোরতদারকিএনবিআরের।হেলালউদ্দিন।

……………..এনবিআরেরনতুনচেয়ারম্যাননজিবুররহমানও………………..গভীররাতপর্যন্তঅফিসকরেতিনিরাজস্বপ্রশাসনেনতুনদৃষ্টান্তস্থাপনকরেছেন। ………. ।

**ঢাকা জজশীপে ২৫টির বেশী কার আছে, যেগুলো গানম্যান/পুলিশ বডিগার্ডসহ এককভাবে জেলাজজরা সার্বক্ষনিক ব্যবহার করেন।(এরূপ অন্য জেলায়ও আছে)। গাড়ীগুলোতে একজন করে অতিরিক্ত জেলাজজকে লিফ্ট দিলে তেমন কোন অসুবিধা হয়না(অন্ততঃ কোর্টে আসা যাওয়ার জন্য)। এতে তাদের(অতিরিক্ত জেলাজজ) নিরাপত্তাহীনতা কেটে যাওয়াসহ কাজের উৎসাহ বাড়ত এবং তারা স্বাচ্ছন্দবোধ করতেন। মেডিক্যাল কলেজসহ সরকারী কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপকগন, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সরকারী কলকারখানায় উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তা কারে, মাইক্রোবাসে, পিকআপে শেয়ার করে দপ্তরে যাতায়াত করেন। এতে সহকারীজজ/যুগ্মজজদেরও গাড়ীর সমস্যা অনেকটা সমাধান হয়।(মাননীয় প্রধানবিচারপতি/আইনমন্ত্রী/আইনসচিবসাহেবগন একটু চেষ্টা করলে সারা দেশের আদালতের জন্য আরও শতাধিক মাইক্রোবাস ম্যানেজ করতে পারেন)।

৪১।[ -২৩সেপ্টেম্বর২০১৪,Top of Form

 

নিরাপত্তারঝুঁকিতেইচলেনঅতিরিক্তজেলাজজরা।আশরাফ-উল-আলম

 

একান্তসরকারিগাড়িনেই, অসন্তোষঢাকামহানগরদায়রাআদালতের১৫বিচারকেরজন্যএকটিমাইক্রো

মাসদারহোসেনমামলাররায়েনিম্নআদালতেরবিচারকদেরযাতায়াতেরজন্যগাড়িরব্যবস্থাকরতেসরকারেরপ্রতিসর্বোচ্চআদালতেরনির্দেশরয়েছে।কিন্তুতাপুরোপুরিকার্যকরকরাহয়নি।অতিরিক্তজেলাজজদেরজন্যসরকারিগাড়িবরাদ্দেরনির্দেশনাএকেবারেইবাস্তবায়নকরাহয়নি।………….. অতিরিক্তদায়রাজজেরবিচারিকএখতিয়ারওক্ষমতাদায়রাজজেরসমান।ফৌজদারিকার্যবিধির৩১ধারার (২) উপধারায়বলাহয়েছে, দায়রাজজঅথবাঅতিরিক্তদায়রাজজআইনেঅনুমোদিতযেকোনোদণ্ডদিতেপারেন।দেওয়ানিকার্যবিধিতেওঅতিরিক্তজেলাজজেরবিচারিকএখতিয়ারওক্ষমতাজেলাজজেরসমান।………সমমর্যাদারচিফজুডিশিয়ালম্যাজিস্ট্রেটওচিফমেট্রোপলিটনম্যাজিস্ট্রেটসরকারিগাড়িব্যবহারকরতেপারলেওঅতিরিক্তজেলাজজরাএসুবিধাথেকেবঞ্চিত।………..]

৪২।জেলাজজ পদমর্যাদার বিচারকদের এজলাসে অবস্থানের সারনী।

জানুয়ারী-২০১৫।

১।জনাব মোঃ আবদুর রশিদ, বিভাগীয় স্পেশাল জজ, ঢাকা।গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১৩-১৫৬৮।

তারিখ

 

  কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ ১২-০০ ১৫-০০ ০৩ঘন্টা *অপরাহ্নে কখনই
০৫ ০-০ ০-০ ০-০ এজলাসে বসেননি
০৭ ১১-৩০ ১২-০০ ৩০মিনিট
০৮ ১১-১৫ ১১-৫৫ ৪০মিনিট
১১ ১১-১০ ১১-২০ ১০মিনিট
১৪ ০-০ ০-০ ০-০
১৮ ১১-১০ ১১-৩০ ২০মিনিট
১৯ ১১-২৫ ১৩-৩৫ ২ঘঃ১০মিঃ
২০ ০৯-২১ ১১-০০ ১১-২৫ ২৫মিঃ
২১ ১০-১৩ ১৬-২৫ ১১-৩০ ১৩-০০ ১ঘঃ৩০মিঃ
২২ ১০-০৮ ১৬-২৮ ১১-৪০ ১২-১০ ৩০মিনিট
২৫ ১০-২১ ১৬-৩৩ ১১-১০ ১২-০০ ৫০মিনিট
২৬ ১০-০৬ ১১-১০ ১৩-৩০ ২ঘঃ২০মিঃ *পিপি আবদুল্লাহ
২৭* ১০-১৭ ১১-২০ ১২-০০ ৪০মিঃ আবু ও
২৮* ১০-২৫ ১১-১৫ ১২-২৫ ১ঘঃ১০মিঃ মোশাররফ হোসেন
২৯ ১০-০৫ ১১-০৫ ১১-৩০ ২৫মিঃ কাজল দেখেছেন।

[দ্রস্টব্যঃ-এজলাসে আরোহন, অবতরনের সময়কে হিসাবের সুবিধার্থে round figure দেখানো হয়েছে। যেমন-আরোহন ১১-১২মিনিটে হলেও ১১-১০ দেখানো হয়েছে, অবতরন ১৩-১৬ হলেও ১৩-২০ দেখানো হয়েছে, ইত্যাদি।]আমাদের রেকর্ড মোতাবেক তিনি ১৬কার্য্যদিবসে মাত্র ১৫ঘন্টা ৪০মিনিট, ধরি ১৬ ঘন্টা এজলাসে বসেছেন।গড়ে সর্বোচ্চ ১ঘন্টা। ২০তাং ব্যতীত তিনি কোনদিনই ১০-০০টার পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি।

২।জনাব দলিল উদ্দিন, স্পেশাল জজ-১, ঢাকা। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২- ৬০৭২।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ ০০-০০ ০০-০০ ০০
০৫ ১১-০০ ১১-২৫ ২৫মিনিট
০৭ ০০-০০ ০০-০০ ০০
০৮ ০০-০০ ০০-০০ ০০
১১ ০৯-৪০ ০০-০০ ০০-০০ ০০
১৪* ১৪-২০ ১৪-৩০ ১০মিনিট *অপরাহ্নে
১৮ ১৫-৩০ ০০-০০ ০০-০০ ০০
১৯ ০৯-১০ ১১-১০ ১১-৫০ ৪০মিঃ ০১, ০৭, ০৮, ১১
২০ ০৯-১০ ১১-০০ ১১-২৫ ২৫মিঃ ১৮, ২২, ২৮তাং
২১ ০৯-২৫ ১১-০০ ১১-২০ ২০মিঃ সারাদিন এজলাসে
২২ ০৯-১৩ ১৭-০৪ ০০-০০ ০০-০০ ০০ দেখা যায়নি।
২৫ ১১-০০ ১১-১০ ১০মিনিট
২৬ ০৯-২৭ ১১-০০ ১১-৪০ ৪০মিঃ
২৭ ০৯-০০ ০০-০০ ০০-০০ ০০
২৮ ০৯-১৪ ০০-০০ ০০-০০ ০০
২৯ ০৯-২৪ ১১-১০ ১১-৫০ ৪০মিঃ

আমরা যতদিন উনাকে(স্পেশাল জজ-১) এজলাসে দেখেছি(০৫, ১৪, ১৯, ২০, ২১, ২৫, ২৬, ২৯) সেই ৮দিনে তিনি ৩ঘন্টা ৩০ মিনিট, ধরি, ৪(চার) ঘন্টা এজলাসে বসেছেন।১১, ১৮, ২৭, ২৮তাং কোর্টে আসলেও উনি এজলাসে বসেননি।এই ১২দিনে উনি গড়ে সর্বোচ্চ ২০মিনিট এজলাসে বসেছেন।  অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি। তবে তিনি, আমরা যতদিন রেকর্ড করেছি, ততদিন গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২- ৬০৭২যোগে ০৯-৩০এর পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেছেন।

৩।হোসনেয়ারা বেগম, স্পেশাল জজ-২, ঢাকা। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-মেট্রো-খ-১২-৬০৭৪।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ ০১, ০৫, ০৭, ০
০৫ ০৮, ১১ এজলাসে
০৭ তালা ছিল।
০৮
১১
১৪ ১২-০০ ১৩-২০ ১ঘঃ২০মিঃ
১৮ ১১-৩৫ ১৩-৪৫ ১ঘঃ১০মিঃ
১৯ ১১-৪০ ১২-৪০ ১ঘন্টা
২০ ১০-৩০ ১৫-৪৫ ১১-০০ ১২-২৫ ১ঘঃ২৫মিঃ
২১ ১১-১৫ ১২-২০ ১ঘঃ০৫মিঃ
২২ ১৬-৪৫ এজলাসে ছিলেননা।
২৫ ১৬-৫৫ ১১-১০ ১১-২৫ ১৫মিঃ
২৬ ১১-৩০ ১৩-০০ ১ঘঃ৩০মিঃ
২৭ ১২-০০ ১২-৩০ ৩০মিঃ
২৮ ১১-১৫ ১২-০০ ৪৫মিঃ
২৯ ১০-২৭ ১১-০০ ১১-৫০ ৫০মিঃ

দ্রস্টব্য-তিনি(স্পেশাল জজ-২) ১০ কর্মদিবসে(যাহা আমরা দেখে রেকর্ড করেছি) ৯ঘন্টা ৫০মিনিট, ধরি ১০ঘন্টা এজলাসে ছিলেন। গড়ে তিনি ৬০মিনিট(এক ঘন্টা) এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ১০-০০টার আগে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি।অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

৪।জনাব আবু আহমদজোয়ার্দার, স্পেশাল জজ-৩, ঢাকা।গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-মেট্রো-খ-১২-৬০৬৮।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১
০৫
০৭
০৮
১১
১৪
১৮
১৯ ১১-০০ ১২-২৫ ১ঘঃ২৫মিঃ
২০ ১০-১৫ ১১-১০ ১২-৩০ ১ঘঃ২০মিঃ
২১ ০৯-৪২ ১১-২০ ১২-০০ ৪০মিঃ
২২ ১৭-১০ ০০-০০ ০০-০০ ০০-০০ এজলাসে ছিলেননা।
২৫ ১৬-৪১ ১১-২০ ১২-৫০ ১ঘঃ৩০মিঃ
২৬ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘঃ
২৭ ০৯-১০ ১১-১৫ ১২-৪৫ ১ঘঃ৩০মিঃ
২৮ ০৯-৩৩ ১১-১০ ১২-৫৫ ১ঘঃ৪৫মিঃ
২৯ ১০-০০ ১১-০০ ১২-৪০ ১ঘঃ৪০মিঃ

দ্রস্টব্যঃ-১৮তারিখের পূর্বে তাহাকে এজলাসে দেখা যায়নি। অপর ৯কার্য্যদিবসে তিনি ১০ঘন্টা ৫০মিনিট, ধরি, ১১ঘন্টা এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ৭৩মিনিট এজলাসে ছিলেন।২৭ তাং ব্যতীত তিনি কোনদিনই ০৯-৩০এর পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

৫।জনাব আমিনুল হক, স্পেশাল জজ-৪, ঢাকা।গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৬০।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১
০৫
০৭
০৮
১১ ১১-১০ ১১-৩৫ ২৫মিনিট
১৪
১৮ ১১-০০ ১১-৫০ ৫০মিনিট
১৯ ১১-২০ ১২-০০ ৪০মিনিট
২০ ১১-০০ ১১-২০ ২০মিনিট
২১ ১১-০০ ১১-২৫ ২৫মিনিট
২২
২৫ ১১-০৫ ১২-০০ ৫৫মিনিট
২৬ ১১-১০ ১১-৫০ ৪০মিনিট
২৭ ১১-১৫ ১২-৩০ ১ঘঃ১৫মিঃ
২৮ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘন্টা
২৯ ১১-২০ ১২-৫০ ১ঘঃ৩০মিঃ

দ্রস্টব্যঃ-০৮তারিখের পূর্বে এবং ১৪, ২২ তারিখে তাহাকে এজলাসে দেখা যায়নি। অপর ১০কার্য্যদিবসে তিনি ৯ঘন্টা  এজলাসে ছিলেন।  গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ৫৪মিনিট এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ১০-০০টার পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

৬।জনাব শহীদুল আলম ঝিনুক, স্পেশাল জজ-৫, ঢাকা।গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-৬০৬২।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘন্টা
০৫
০৭ ১১-১০ ১১-৫০ ৪০মিনিট
০৮
১১ ১১-০০ ১২-১০ ১ঘঃ১০মিঃ
১৪ ১১-১৫ ১৩-২০ ২ঘঃ০৫মিঃ
১৮ ১১-০৫ ১১-৪৫ ৪০মিনিট
১৯
২০
২১
২২
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯

দ্রস্টব্যঃ-০৫, ০৮ তারিখে তাহাকে এজলাসে দেখা যায়নি। ১৯তারিখ থেকে তিনি বদলী বলে আর এজলাস করেননি বলে পেশকার জানায়। অপর ৫কার্য্যদিবসে তিনি ৬ঘন্টা ৩৫ মিনিট, ধরি ৭ঘন্টা  এজলাসে ছিলেন। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ৮৪মিনিট এজলাসে ছিলেন।  তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি।

৭।জনাব আবুল বাসার মুন্সী, স্পেশাল জজ-৬, ঢাকা। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১৩-৬০৫৮।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ রেকর্ড হয়নি।
০৫ ১০-৩০ ১১-০০ ৩০মিনিট
০৭ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘন্টা
০৮ *রেকর্ড হয়নি,
১১ *রেকর্ড হয়নি,
১৪ ১১-২০ ১৩-০০ ১ঘঃ৪০মিঃ
১৮ *রেকর্ড হয়নি,
১৯ *রেকর্ড হয়নি,
২০ ০৯-১০ ১১-০০ ১২-১৫ ১ঘঃ১৫মিঃ
২১* *রেকর্ড হয়নি,
২২* ০৯-০৫ এজলাসে বসেননি
২৫ ১৬-২১ ১১-০০ ১১-৫০ ৫০মিনিট
২৬ ০৯-১০ ১১-০০ ১২-২৫ ১ঘঃ২৫মিঃ
২৭ ১১-২০ ১২-০০ ৪০মিনিট
২৮* ০৯-২৫ এজলাসে বসেননি
২৯* ০৯-১৪ এজলাসে বসেননি

১০কার্য্যদিবসে(যাহা আমরা রেকর্ড করেছি) তিনি ৭ঘন্টা ২০ মিনিট, ধরি ৮ঘন্টা  এজলাসে ছিলেন। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ৪৮মিনিট এজলাসে ছিলেন।  তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি আমাদের রেকর্ডমতে প্রতিদিনই ০৯-৩০এর পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেন।

৮।জনাব বারেকুজ্জামান স্পেশাল জজ-৭, ঢাকা। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৫৭.।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ রেকর্ড হয়নি।
০৫ ১১-২০ ১১-৫৫ ৩৫মিনিট
০৭ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘন্টা
০৮* *কোর্টে এসেছেন
১১* এজলাসে বসেননি
১৪ ১১-১৫ ১২-৫৫ ১ঘঃ৪০মিঃ
১৮* ১০-০৮ *কোর্টে এসেছেন
১৯* ১০-০০ এজলাসে বসেননি
২০* ০৯-৫৮
২১*
২২*
২৫*
২৬* ০৯-৩৪
২৭* ০৯-৫৩
২৮* ০৯-৪৪
২৯ ০৯-৪৭ ১১-২০ ১২-৩০ ১ঘঃ১০মিঃ

জনাব বারেকুজ্জামান এবং আরও কয়েকজন জজ আছেন যারা ৫-১০মিনিটের জন্য এজলাসে উঠে শুধু মামলার পরবর্তী তারিখ ফেলেন বা সময় মঞ্জুর করে নেমে যান, কোন শুনানী বা স্বাক্ষ্য গ্রহন করেননা। কোর্টে আসলেও এ কাজটি তারা খাস কামরায় বসেই করেন, এজলাসেও উঠেননা। আমাদের রেকর্ড মতে তিনি ১৫কর্ম দিবসে মাত্র ৪ঘন্টা ২৫মিনিট, ধরি ৫ঘন্টা এজলাসে বসে মামলার শুনানী করেছেন। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ২০মিনিট এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ০৯-৩০এর আগে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি।

৯।(ভারপ্রাপ্ত মহিলা জজ) স্পেশাল জজ-৯, ঢাকা। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৭০।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ রেকর্ড হয়নি।
০৫ ১১-৩০ ১২-০০ ৩০মিঃ
০৭ ১১-২০ ১২-৩০ ১ঘঃ১০মি.
০৮
১১ ১০-৩৫ ১১-৩০ ১৩-০০ ১ঘঃ৩০মি.
১৪
১৮ ১১-২৫ ১২-৩০ ১ঘঃ০৫মি.
১৯ ১০-৪০ *কোর্টে এসেছেন
২০* ১১-৪৫* এজলাসে বসেননি
২১ ১০-০০ ১১-২০ ১১-৫৫ ৩৫মি.
২২* ১০-১২ *কোর্টে এসেছেন
২৫ ১০-২৪ এজলাসে বসেননি
২৬ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘ.
২৭ ১০-৪৪
২৮
২৯

আমাদের রেকর্ড মতে তিনি ১৫কর্ম দিবসে মাত্র ৫ঘন্টা ৫০মিনিট, ধরি ৬ঘন্টা এজলাসে বসে মামলার শুনানী করেছেন। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ২৪মিনিট এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ১০-০০এর আগে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি।*২৫ তাং মাননীয় Chief Justice যখন বের হচ্ছিলেন, তখন তাহার গাড়ীসহ তিনি ঢুকছিলেন, যাহা রেবতী ম্যানসনের সামনে ক্রস করে।

১০।জনাব জাফরোল হাসান,স্পেশাল জজ-১০, ঢাকা। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১৩-১৯৮৯।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ রেকর্ড হয়নি
০৫ ১১-১৫ ১২-০০ ৪৫মি.
০৭ রেকর্ড হয়নি
০৮ এজলাসে বসেননি
১১ ১০-০৭ ১১-০০ ১১-৩৫ ৩৫মি.
১৪ ১১-৩০ ১৩-০০ ১ঘ.৩০মি.
১৮ ১০-১০ এজলাসে বসেননি
১৯ ০৯-৫৫ এজলাসে বসেননি
২০ ০৯-৪০ ১১-১০ ১১-৩০ ২০মি.
২১ ০৯-৩৫ এজলাসে বসেননি
২২ ০৯-৫০ এজলাসে বসেননি
২৫ ০৯-৫৫ ১৭-১০ এজলাসে বসেননি
২৬ ০৯-৪০ ১১-২৫ ১১-৫৫ ৩০মি.
২৭ ০৯-৫০ এজলাসে বসেননি
২৮ ১০-১৬ ১১-১০ ১১-২৫ ১৫মি.
২৯ ০৯-৪৫ ১১-২৫ ১২-০০ ৩৫মি.

তিনি জনাব বারেকুজ্জামান এর মত ৫-১০মিনিটের জন্য এজলাসে উঠে শুধু মামলার পরবর্তী তারিখ ফেলেন বা সময় মঞ্জুর করে নেমে যান, কোন শুনানী বা স্বাক্ষ্য গ্রহন করেননা। কোর্টে আসলেও এ কাজটি তিনি খাস কামরায় বসেই করেন, এজলাসেও উঠেননা। আমাদের রেকর্ড মতে তিনি ১৫কর্ম দিবসে মাত্র ৪ঘন্টা ৩০মিনিট, ধরি ৫ঘন্টা এজলাসে বসে মামলার শুনানী করেছেন।গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ২০মিনিট এজলাসে ছিলেন।তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ০৯-৩০এর আগে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি।১৯তারিখ তিনি রেবতী ম্যানসনে প্রবেশ করার সময়ে(০৯-৫৫মিনিট) বারান্দায় আবদুল্লা আবুর সাথে করমর্দন করেন।

১১।………/জেসমিন আরা বেগম, জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১,  ঢাকা। জানুয়ারী-২০১৫। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৬১।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ রেকর্ড হয়নি
০৫ ১১-০০ ১১-৫৫ ৫৫মিনিট
০৭ রেকর্ড হয়নি
০৮
১১
১৪
১৮ ১১-১৫ ১৩-০০ ১ঘ.৪৫মি.
১৯ ১০-২৬ ১১-৩০ ১২-৫০ ১ঘ.২০মি. জেসমিন আরা
২০ ১০-৩০ ১৫-৫২ ১২-০০ ১৩-১৫ ১ঘ.১৫মি.
২১ ১১-১০ ১৪-৪৮ এজলাসে বসেননি
২২ ১০-২৪ ১১-৩০ ১৩-০০ ১ঘ.৩০মি.
২৫ ১০-০৬ ১৫-০০ ১২-০০ ১৩-১০ ১ঘ.১০মি.
২৬ ১০-০৮ ১১-৩০ ১২-৪০ ১ঘ.১০মি.
২৭ ১০-২৪ ১২-০০ ১২-৫৫ ৫৫মি.
২৮ ১০-১৬ ১১-৩০ ১৩-০০ ১ঘ.৩০মি.
২৯ ১০-০৪ ১৫-৫১ ১১-১০ ১২-০০ ৫০মি.

দ্রস্টব্য-এখানে জজ বদলী হন। জেসমিন আরা বেগম ৯ কর্মদিবসে(যাহা আমরা দেখে রেকর্ড করেছি, ১৯-২৯ তাং) ৯ঘন্টা ৪০মিনিট, ধরি ১০ঘন্টা এজলাসে ছিলেন।গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ৬৭মিনিট এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ১০-০০টার আগে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি।অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

১২।পরেশ চন্দ্র শর্মা, জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২,  ঢাকা। জানুয়ারী-২০১৫। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১
০৫
০৭
০৮
১১
১৪
১৮ ১১-০০ ১২-৫০ ১ঘ.৫০মি.
১৯ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘ.৫০মি.
২০ ১১-২০ ১৩-০০ ১ঘ.৪০মি.
২১ রেকর্ড হয়নি।
২২ রেকর্ড হয়নি।
২৫ রেকর্ড হয়নি।
২৬ ১১-৩০ ১২-৪০ ১ঘ.১০মি.
২৭ রেকর্ড হয়নি।
২৮ রেকর্ড হয়নি।
২৯ রেকর্ড হয়নি।

দ্রস্টব্যঃ-১৪তারিখের পূর্বে তাহাকে এজলাসে দেখা যায়নি। ২১, ২২, ২৫, ২৭, ২৮, ২৯ তাং রেকর্ড করা হয় নাই। অপর ৪কার্য্যদিবসে(আমাদের রেকর্ড মোতাবেক) তিনি ৬ঘন্টা ৩০মিনিট, ধরি, ৭ঘন্টা এজলাসে ছিলেন।গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ১ঘন্টা ৪৫মিনিট এজলাসে ছিলেন।তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই ০৯-৩০এর পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

১৩। জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩,  ঢাকা। জানুয়ারী-২০১৫। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৭৬।পদ খালি।

১৪।জনাব সালেহ উদ্দীন, জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪,  ঢাকা। জানুয়ারী-২০১৫। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৫৬।

 

তারিখ

  কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১
০৫ ১০-৩০ ১১-০০ ৩০মি.
০৭
০৮
১১
১৪
১৮
১৯ ১০-৩৫ ১১-০৫ ৩৫মি.
২০ ১১-০০ ১২-৩০ ১ঘ.৩০মি
২১ ১১-০০ ১২-৪৫ ১ঘ.৪৫মি
২২ রেকর্ড হয়নি
২৫ ১০-৩৭ এজলাসে বসেননি
২৬ রেকর্ড হয়নি
২৭ ১১-১৫ ১২-০০ ৪৫মি.
২৮ ১০-১৯ এজলাসে বসেননি
২৯ ১১-০০ ১১-৫০ ৪০মি.

দ্রস্টব্যঃ-০৫ তাং ব্যতীত, ১৮তারিখের পূর্বে তাহাকে এজলাসে দেখা যায়নি।  ২২, ২৫, তাং রেকর্ড করা হয় নাই। অপর ৭কার্য্যদিবসে(আমাদের রেকর্ড মোতাবেক) তিনি ৫ঘন্টা ৪৫মিনিট, ধরি, ৬ঘন্টা এজলাসে ছিলেন। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ৫১মিনিট এজলাসে ছিলেন।  তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই(আমাদের রেকর্ড মোতাবেক) ১০-০০টার পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

১৫।তানজিলা ইসমাইল, জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫,  ঢাকা। জানুয়ারী-২০১৫। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৬০৭১।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ ১১-০০ ১২-৩০ ১ঘ.৩০মি.
০৫ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘ.
০৭ ১১-১৫ ১২-০০ ৪৫মি.
০৮ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘ.
১১ ০৯-৪০ ১১-০৫ ১২-৪৫ ১ঘ.৪০ম.
১৪ ১১-৩০ ১৩-৩০ ২ঘ.
১৮ ১১-২০ ১৩-০০ ১ঘ.৪০মি.
১৯ ১১-০০ ১২-৫৫ ১ঘ.৫৫মি.
২০ ১১-১৫ ১২-৪৫ ১ঘ.৩০মি.
২১ রেকর্ড হয়নি
২২ রেকর্ড হয়নি
২৫ ১১-১০ ১২-৪০ ৩০মি.
২৬ ১০-০৩ ১১-২০ ১২-০০ ৪০মি.
২৭ ১১-০০ ১২-০০ ১ঘ.
২৮ ১০-৪৫ ১১-১৫ ১৩-০০ ১ঘ.৪৫মি.
২৯ ০৯-৩৫ ১১-০০ ১২-২০ ১ঘ.২০মি.

২১, ২২ তাং তাকে এজলাসে দেখা যায়নি। ১৪কার্য্যদিবসে(আমাদের রেকর্ড মোতাবেক) তিনি ১৯ঘন্টা ১৫মিনিট, ধরি, ২০ঘন্টা এজলাসে ছিলেন। গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ১ঘন্টা ২৬মিনিট এজলাসে ছিলেন। তিনি কোনদিনই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি। তিনি কোনদিনই (আমাদের রেকর্ড মোতাবেক) ০৯-৩০টার পূর্বে কোর্ট প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেননি। অপর দিনগুলোতে(যেদিন এজলাসে বসেননি) তিনি ট্রেনিং/ছুটিতে থাকতে পারেন। তবে কোর্টে থাকলেও এজলাসে বসেননি। অপর দিনগুলোতে তিনি কোথায় ছিলেন তা পেশকার সঠিকভাবে বলেননি।

১৬।জনাব হুমায়ুন কবীর, জেলা জজ, পরিবেশ আপীল আদালত,  ঢাকা। জানুয়ারী-২০১৫। গাড়ী নং-ঢাকা মেট্রো-খ-১৪-০৩২২।

তারিখ   কোর্ট প্রাঙ্গনে       এজলাসে    মন্তব্য
প্রবেশ বাহির আরোহণ অবতরন অবস্থান
০১ রেকর্ড হয়নি
০৫ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘ.
০৭ ১১-০০ ১২-৩০ ১ঘ.৩০মি.
০৮ ১১-১০ ১২-৪৫ ১ঘ.৩৫মি.
১১ ১১-০০ ১৩-২০ ২ঘ.২০মি
১৪ রেকর্ড হয়নি
১৮ রেকর্ড হয়নি
১৯ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘ.
২০ ১০-১৫ ১১-১০ ১২-৪০ ১ঘ.৩০মি.
২১* ১১-০০ ১৫-০০ ১৩-০০ ১৬-০০ ৩ঘ. *অপরাহ্নে বসেন
২২ এজলাসে বসেননি
২৫* ১১-০০ ১৫-০৫ ১২-৫৫ ১৫-৪০ ২ঘ৩৫মি. *অপরাহ্নে বসেন
২৬ ১১-১৫ ১২-৫০ ১ঘ৩৫মি.
২৭ ০৯-২৫ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘ.
২৮ ১০-০৬ ১১-০৫ ১২-৫০ ১ঘ.৪৫মি.
২৯ ০৯-২০ ১১-০০ ১৩-০০ ২ঘ.

১৩কার্য্যদিবসে(আমাদের রেকর্ড মোতাবেক) তিনি ২৩ঘন্টা ৫০মিনিট, ধরি, ২৪ঘন্টা এজলাসে ছিলেন।  গড়ে তিনি সর্বোচ্চ ১ঘন্টা ৫১মিনিট এজলাসে ছিলেন।তিনি ২দিন অপরাহ্নে এজলাসে বসেন। ০৬-৪-২০১৫তাং তিনি উকিল ছাড়াই বিকাল ০৪-৩০এর পর পর্যন্ত একজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য নিতে থাকেন। ইহাই যথেষ্টএকজন ন্যায়পরায়ন, sincere, punctual মানবপ্রেমী বিচারকের উদাহরনের জন্য।

৪৩।**এজলাসে সর্বোচ্চ অবস্থানকারী জনাব হুমায়ুন কবীর, যিনি গড়ে প্রতিদিন ১ঘন্টা ৫১মিনিট এজলাসে বসেছিলেন। যুগ্ম জেলা/মহানগর, অতিরিক্ত জেলা/মহানগর জজদের ৪-৫জন প্রতিদিন গড়ে এরূপ পরিমান এজলাসে ছিলেন। বাকী সকলের এজলাসে থাকা গড়ে ৩০মিনিটেরও কম। ফেব্রুয়ারী-মার্চ-২০১৫মাসেও একই অবস্থা সকল বিচারকের।

**(ক)দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১, ৩, ঢাকার বিচারককে  কালে ভদ্রে  কয়েক মিনিটের জন্য এজলাসে দেখা গেছে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২, ৪এর বিচারককে মাঝেমধ্যে এজলাসে দেখা গেছে, তবে কয়েক মিনিটের জন্য। উভয়ের (দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২, ৪এর বিচারক) কেহই সারা মাসে মোট ৫ঘন্টাও এজলাসে বসেননি।

(খ)জেলা ও দায়রাজজ, মহানগর দায়রাজজকে নিবিড় পর্যবেক্ষন করলেও এজলাসের হিসাবে আনা হয়নাই। কেননা তাদেরকে বিচারকাজ ছাড়াও প্রশাসনিক, আর্থিক কাজে দায়িত্ব পালন করতে হয়।

(গ)ঢাকা জজশীপের ২-৩জন জেলাজজ/অতিরিক্ত জজ/যুগ্ম জজ মর্যাদার বিচারক কয়েক মিনিটের জন্য মাসের কোন কোন দিন অপরাহ্নে এজলাসে বসলেও ১-১৫ক্রমিকের জেলাজজ পদমর্যাদার বিচারক, এবং দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১,২,৩,৪, জন নিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের জেলাজজ পদমর্যাদার বিচারক, সকল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রাজজ, সকল অতিরিক্ত মহানগর দায়রাজজের কোন বিচারকই অপরাহ্নে এজলাসে বসেননি।উপরোক্তদের ন্যায় যুগ্মজেলা জজ, যুগ্ম মহানগর দায়রাজজ ও সমমর্যাদার, অতিরিক্তজেলা জজ, অতিরিক্ত মহানগর দায়রাজজ, সিজেএম, সিএমএম ও সমমর্যাদার অপর সকল বিচারকের জানুয়ারী-২০১৫মাসের এজলাসে আরোহন-অবতরন, অবস্থান রেকর্ড করা আছে। ২-৩ জন ব্যতীত তাদের অবস্থাও উপরোক্তদের প্রায় অনুরূপ।

(ঘ)কিছু কিছু স্টাফ তথ্য দিয়ে সহায়তা করলেও অনেকে ছিল তার বিপরীত। সংবাদ প্রকাশ করে ফাঁসিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও অনেকে ভয় প্রকাশ করেন। ফলে কোন বিচারকের কোন গাড়ী বা কোন গাড়ীতে কোন বিচারক প্রবেশ করেছেন তা জানা যায়নি। বিচারকদের এজলাসে বসার সারনী ও গাড়ীর সারনী তাই কিছুটা অসম্পূর্ন। তবে আমাদের কাছে বিচারকসহ গাড়ী প্রবেশ-প্রস্থানের ভিডিও আছে। আদালত অবমাননা, মানহানির মামলা, ইত্যাদি এড়ানোর জন্য আমরা পরিচয় প্রকাশ করছিনা। তবে গাড়ীর নম্বর থেকে ও পুলিশ বডিগার্ড দেখে আমরা বুঝতে পারি যে, তিনি একজন জেলাজজ।

(ঙ)যেহেতু কোন বা একাধিক বিচারকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান নহে, আমাদের জানা প্রয়োজন ছিল সারা বাংলাদেশের নিম্ন আদালতে কেন অত্যন্ত সহজকাজহয়না তা নিশ্চিত হওয়া। যেমন ২২সপ্তাহে নিষ্পত্তিযোগ্য মামলা কেন ২২বছর লাগে, ২০০-৩০০মাইল দূরে সমন জারী হয়, কিন্তু ২০০-৩০০গজ দূরে হয়না, কেন বিচারক তার ফলো আপ করেনা, বিচারকরা স্টাফদের কাছে জিম্মি কিনা, হলে কেন, ইত্যাদি জানা। এসব super confirm হওয়ার জন্য আমরা বিচারকদের দুর্বলতা কোথায়, কোথায়, তা জানতে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসে।সাংবাদিক, উকিল, বিচারপ্রার্থীরা, স্টাফরা বলুক আমাদের তথ্য মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত। আমাদের তথ্য যে মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত নহে, তার প্রমান সাবেক মাননীয় প্রধান বিচারপতি জনাব এবিএম খায়রুল হক, জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদার মানবদরদী কর্মকান্ড, সাবেক ও বর্তমান মাননীয় প্রধান বিচারপতিদের বক্তব্য, এবং পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদসমুহ, যাহা সারাদেশের নিম্ন আদালতের জন্য সমানভাবে সত্য।

৪৪।স্বাস্থ্য খাতে এক নিয়োগেই ৬সহস্রাধিক ডাক্তার নিয়োগ হয়। আনুষঙ্গিক সুবিধার একটু বেশ কম হলেও ডাক্তার ও সহকারীজজদের বেতন ভাতা প্রায় সমান। তাহলে অন্ততঃ ১হাজার সহকারীজজ/ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া কোন ব্যপারই নহে। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর তৎপরতা দরকার। আইন মন্ত্রীর নিয়োগটি তার(মন্ত্রীর) জন্য সরকারের prize posting. তাই সে সরকারকে খুশী রাখার জন্য যা করার তাই করবে। মামলা জট নিরসন, বিচারবিভাগের আলাদা সচিবালয় স্থাপন, বিচারক, কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ, ইত্যাদিতে তার এত মাথাব্যথা বা গরজ থাকার কথা নহে, তার(মন্ত্রীর) প্রয়োজনও নাই।

তথ্য সুরক্ষা আইন মোতাবেক নাম ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক-

mannanabdul56@gmail.com

Related posts