দশ লাখ অবৈধ রিকশা ঢাকায়। বৈধ মাত্র ৮০ হাজার, সর্বশেষ লাইসেন্স ২৮ বছর আগে-

 

উপরোক্ত শিরোনামে এসংবাদটি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। উন্নত রাস্ট্রের রাজধানীতে যেখানে বৈধভাবেই কোন রিক্সা থাকার কথা নহে, সেখানে অবৈধভাবে কিভাবে এত রিক্সা ঢাকায় থাকে? এর পিছনে শুধু দায়িত্ব ঠেলাঠেলি নহে বিরাট ঘুষ-দুর্নীতি-চাঁদাবাজীর ব্যাপার আছে।

মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব কয়েকলাখ সিএনজি, অটো হাইওয়েতে চলাচল বন্ধ করতে পারলে অন্যরা পারেননা কেন? দায় দায়িত্ব ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের, রাজউকের, পুলিশের, সড়ক মন্ত্রনালয়ের, নাকি অন্য কারো, ইহা কোন বিষয় নহে। যাহা অবৈধ বা বেআইনি, সেখানে পুলিশের প্রবেশ-হস্তক্ষেপ-ব্যবস্থা নেওয়া সর্বত্র-সর্বদা।

বর্তমানের মন্ত্রী, এমপি, সচিব, এরূপ উচ্চপদস্থ, উচ্চ শিক্ষিত, উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের তখনও এখনও অনেকে বছরের পর বছর পায়ে হেঁটে, বড়জোর বাইসাইকেলে যাতায়াতে ৫-১০মাইল পথ পাড়ি দিয়ে স্কুল কলেজে লেখাপড়া করে আজকের এ পদে এসেছেন। সে তূলনায় গুলশান, শ্যামলী, ধানমন্ডি, ইত্যাদি গন্তব্য থেকে মতিঝিল, সদরঘাট, ইত্যাদি গন্তব্য বেশী দুরের নহে।

ঘুষ-দুর্নীতি-চাঁদাবাজীর পাশাপাশি দরিদ্র রিক্সা চালকদেরকে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকেও দেখা হয়। যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে বৈধভাবে জন্মের দাবীদার কোন পুলিশ চাঁদাবাজ কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন-অবৈধ জানার পর ঘুষ-চাঁদা না নিয়ে কোন মালীক-চালককে ছেড়ে দিয়েছেন?

দশ লাখ অবৈধ রিকশা বছরে কয়েক কোটি এবং বিগত ২৮বছরে কয়েক হাজার কোটি সংখ্যক দুর্নীতির জন্ম দিয়েছে। আর এসবই অস্বাভাবিক অতিরিক্ত জনসংখ্যার ফসল। অস্বাভাবিক অতিরিক্ত জনসংখ্যা পুলিশসহ সকল দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মকর্তাদেরকে-চাঁদাবাজদেরকে ঘুষ-চাঁদাবাজীর পথ সৃষ্টি করে দিচ্ছে।

Related posts