২০ কোটি টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা

খুলনা  বিভাগীয় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের   প্রায় ১৯ কোটি ২১ লাখ টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছে  আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একটি সিন্ডিকেট। শুধুমাত্র যেখানে প্রক্কলিত দরের নিম্নে(less) উদ্ধৃত করে কাজ পাওয়া যায়, এরূপ ২-১টি ব্যতীত,(এবং আন্তর্জাতিক টেন্ডারে/টার্নকি কাজে, যেখানে আরও অনেক বেশী অর্থের কারচুপি হয়) বাংলাদেশের প্রায় ৯৯%ক্ষেত্রেই ওপেন নেগোসিয়েসনের মাধ্যমে কাজ নেওয়া হয়। এর প্রায় সকল ক্ষেত্রেই ৫০-৬০% টাকা ঠিকাদারের লাভ, দপ্তরের পার্সেন্টেজ/কমিশন, চুরি হিসেবে চলে যায়। প্রকৃত কাজ হয় ৪০-৫০%, যাতে অতি নিম্নমানের কাজ হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, এরূপ রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের প্রভাবযুক্ত ক্ষেত্রে কাজ ৩০-৪০%ও হয়না। বাকীটা ভাগ বাটোয়ারা।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক টেন্ডারে/টার্নকি কাজে আরও বড় কারচুপি হয়। সেখানে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রাক্কলন করা/ধরা হয়। কার্য্য নির্বাহের সময় কর্তৃপক্ষ, কনসালটেন্ট, ঠিকাদার মিলে ভাগ বাটোয়ারা হয়। পার্সেন্টেজ/কমিশনের ব্যাপারে কনসালটেন্ট ও কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা সবসময় দুর্বল থাকে। ফলে চুরি ও ভাগ বাটোয়ারার সিংহভাগ নিয়ে যায় ঠিকাদার।

Related posts