৩৫,০০০(পঁয়ত্রিশ হাজার) মেগাওয়াটের টাকায় ২৪০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হচ্ছে কেন?

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড অত্যন্ত প্রশংসার দাবীদার। তারই অংশ হিসাবে তিনি বিদ্যুৎ সেক্টরে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু রুপপুরে ২৪০০ মেগাওয়াটের পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হচ্ছে ১,০০,০০০কোটি টাকায়। প্রাথমিক ও আনুসঙ্গিক ব্যয়সহ প্রায় ১,১০,০০০ কোটি টাকা।

বড় পুকুরিয়া কয়লা বিদ্যুতে প্রতি মেগাওয়াটের নির্মান ব্যয় ১০কোটি টাকা, রামপালে প্রায় ৯ কোটি টাকা, পায়রায় প্রায় ৯.৫কোটি টাকা। কয়লা বিদ্যুতে প্রতি মেগাওয়াটের নির্মান ব্যয় সর্বোচ্চ ১০কোটি টাকা ধরলে এবং রুপপুরে ২৪০০ মেগাওয়াটের পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানে যদি ধরে নিই যে, ব্যয় ও সময় বৃদ্ধি পাবেনা, তাহলে এর নির্মান ব্যয় দ্বারা আরও কম সময়ে অন্তত: ১১,০০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মান সম্ভব।

রুপপুরে পারমানবিক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা আছে যা অন্যত্র নাই। আর্থিক ও পরিবেশ বিবেচনায় রামপালের চেয়ে রুপপুরের পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অনেক অনেক  বেশী ঝূঁকিপূর্ন ও বিপজ্জনক।

কয়লা বিদ্যুৎ ব্যতীত তেল ও গ্যাস নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানে সরকারী ও বেসরকারী খাতে প্রতি মেগাওয়াটের নির্মান ব্যয় সর্বোচ্চ ৭কোটি টাকা। অপরদিকে dismantling, operation & maintenance cost, ইত্যাদিতে পরমানু বিশেষজ্ঞদের অভিমত ও বাংলাদেশে রাশিয়া কর্তৃক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে দীর্ঘসূত্রিতা, ব্যয়বৃদ্ধি, নিম্নমান, প্রভৃতি বিবেচনায় সার্বিক ব্যয় ৩(তিন)লাখ কোটিতে গিয়ে ঠেকতে পারে। প্রতি মেগাওয়াটের নির্মান ব্যয় ৭কোটি টাকা হিসাবে ৩(তিন)লাখ কোটি টাকায়  ৪৩,০০০ মেগাওয়াট,  ৮কোটি টাকা হিসাবে ন্যুনতম ৩৭,০০০ মেগাওয়াট, সর্বোচ্চ ১০কোটি টাকা হিসাবে ন্যুনতম ৩০,০০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান করা যাবে। এগুলোর গড় ধরলে ন্যুনতম ৩৫,০০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান করা যাবে।

কিন্তু  মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভুল বুঝিয়ে লুটপাটের জন্য এটা করা হচ্ছে। রামপালের চেয়ে অনেক বেশী বিপজ্জনক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিকারক হওয়া সত্বেও রাশিয়া হওয়াতে বামপন্থী পরিবেশবাদীরা রূপপুরের বিরুদ্ধে কিছু বলছেন না।

Pl see more- http://corruptionwatchbd.com/63-ruppur-npprnpp-scada/

Related posts