দেশের ৬৪ হাজার প্রাইমারী  স্কুলের মধ্যে ৩০ হাজারই অবকাঠামো সমস্যায় রয়েছে, জরাজীর্ণ ১০ হাজার।

প্রাথমিকভাবে বা একসাথে প্রায় দেড়লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪০০মেগাওয়াট পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান না করে সর্বোচ্চ ২৫-৩০হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তা করলে প্রায় সোয়া লক্ষ কোটি টাকা বেঁচে যেত। অথবা দেড়লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে সাধারন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মান করলে ২৪০০মেগাওয়াটের অন্ততঃ কয়েকগুন বেশী ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মান করা যেত। উভয় ক্ষেত্রেই বহুবিধ লাভ ছিল বা হত।

যে জ্বালানী দিয়েই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মান করা হোকনা কেন, ২৪০০মেগাওয়াট সবসময় ২৪০০মেগাওয়াটেরই কাজ করবে। ২৪০০মেগাওয়াটের পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টাকায় যদি প্রচলিত দরে ন্যুনতম ১৫০০০মেগাওয়াটের সাধারন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মান করলে জাতীয় উৎপাদন বহু বহু গুন বাড়ত।

দেড়লাখ কোটি টাকায় বাংলাদেশের স্কুল কলেজ, রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, নির্মান/মেরামত করলে, বিচারপতি/বিচারক/স্টাফ নিয়োগ করলে, আদালত ভবন নির্মান/মেরামত করলে, বাংলাদেশ ঝকঝকে-তকতকে হয়ে যেত।

বহুল প্রচারিত একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত উপরোক্ত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এই পর্যবেক্ষন।

Related posts