যমুনা গ্রুপ: প্রয়োজন কি? অসুবিধা কি? কারন কি?

যমুনা গ্রুপের নীট কত টাকা আছে তা আমরা জানিনা। তবে বাহির থেকে যে পরিমান সম্পদ দেখি বা দেখা যায় তাতে বর্তমান বাজারমূল্যে কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদ আছে বলে নিশ্চিত বলা যায়। যদি তাই থাকে তাহলে, “নানা কৌশলে, সুকৌশলে, কুটকৌশলে, অপকৌশলে, ২-৪-৬ বা ততোধিক আইন অমান্য করে টাকা রোজগার করার প্রয়োজন কি?  আর টাকা রোজগার করতে না পারলে অসুবিধা কি?  এত অনিয়ম করে টাকা রোজগার করার কারন কি?”  এসব প্রশ্নের কোন যুক্তিসঙ্গত উত্তর নাই।

যমুনা ফিউচার পার্ক ও কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে যেসব স্থাপনা ইতিমধ্যে নির্মিত হয়েছে তাতেই Dhaka mohanagar building construction act-অনুযায়ী Maximum ground coverage(MGC)-এর বেশী ground cover হয়ে গেছে। বর্তমানে নির্মিয়মান আবাসিক ফ্ল্যাট ও হোটেল কমপ্লেক্স সম্পূর্ন অবৈধ। আমরা যদি আবাসিক কমপ্লেক্সকে আলাদা প্লট/হোল্ডিংও ধরি তাহলেও সেখানে প্রায় ৩৯০০০বর্গমিটারX ১০.৭৬=৪,১৯,৬৪০বর্গফুট ফ্ল্যাট অবৈধভাবে অতিরিক্ত নির্মান করা হয়।

প্রাকৃতিক পরিবেশ তথা আলো বাতাস চলাচলের সুবিধার্থে সেটব্যাক ও MGC-র শর্ত আরোপ করা হয়। জনবসতি ও যানবাহনের সংখ্যা(যানজট)নিয়ন্ত্রনের জন্য Floor area ratio(FAR)-এর শর্ত আরোপ করা হয়।যানবাহনের সংখ্যা(যানজট) নিয়ন্ত্রনের কথা চিন্তা করলে যমুনা ফিউচার পার্ক ব্যতীত এই কমপ্লেক্সে আর কোন স্থাপনারই সুযোগ নেই।

যমুনা গ্রুপের প্রচুর সম্পত্তি খিলক্ষেত, বড়ুয়া, ডুমনি, ইত্যাদি এলাকায় পুর্বাচল ৩০০ফুট রাস্তার পাশে খালি পড়ে আছে। সেখানে এসব স্থাপনা(আবাসিক ফ্ল্যাট ও হোটেল কমপ্লেক্স) নির্মান করা যেত। যমুনা ফিউচার পার্ক কমপ্লেক্স ও বসুন্ধরা বারিধারা আবাসিক এলাকার অভ্যন্তরে যত সুপ্রশস্ত রাস্তা ও অঙ্গন থাকুকনা কেন রামপুরা/বাড্ডা, গুলশান-বনানী, এয়ারপোর্ট রোড-কুড়িল বিশ্বরোডের যানজটের অন্যতম প্রধান কারন যমুনা ফিউচার পার্ক কমপ্লেক্স ও বসুন্ধরা বারিধারা আবাসিক এলাকা।

তাই যমুনা গ্রুপের প্রচুর সম্পত্তি খিলক্ষেত, বড়ুয়া, ডুমনি, ইত্যাদি এলাকায় পুর্বাচল ৩০০ফুট রাস্তার পাশে খালি পড়ে থাকা সত্বেও “নানা কৌশলে, সুকৌশলে, কুটকৌশলে, অপকৌশলে, ২-৪-৬ বা ততোধিক আইন অমান্য করে টাকা রোজগার করার প্রয়োজন কি?  আর টাকা রোজগার করতে না পারলে অসুবিধা কি?  এত অনিয়ম করে টাকা রোজগার করার কারন কি?” 

Related posts