রাজউকঃ সততা ও অসততার ফসল

আমাদের দৃষ্টিতে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জনাব মুহম্মদ নুরুল হুদা এবং বর্তমান চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জনাব মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন ভূ্ঁইয়া (ইতিমধ্যে অবসরপ্রাপ্ত) উভয়েই সৎ। কিন্তু বসুন্ধরা ও যমুনা গ্রুপের মালীকানাধীন কয়েকটি পত্রিকায় যেভাবে প্রথম জনের(জনাব  হুদা) দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখালেখি করে, তাতে তাদের মতে তিনি(জনাব হুদা) চরম অসৎ তথা দুর্নীতিবাজ। জনাব হুদা আইন অনুসরন করে তার স্ত্রীর নামে একটি প্লট নিয়েছেন, যেটা অনিয়ম হতে পারে, দুর্নীতি নহে। অনিয়ম আর দুর্নীতি এক নহে। তার পরও ইহা যদি দুর্নীতি হয় তাহলে তার(জনাব  হুদা)  শাস্তি হওয়া উচিৎ। মাননীয় আদালত তা নির্ধারন করবেন। এটা ছাড়া রাজউক…

Read More

বিচারক, প্রশাসক ও দুদকের খাঁচা।

বনে জঙ্গলে মুক্তভাবে বাঘ সিংহ হাতি ঘুরে বেড়ায়, খাবারের সন্ধান করে। এটা তার স্বাভাবিক কাজ, নিত্যদিনের routine work. এ routine work-এর অংশ হিসাবে দুষ্ট শিকারির পাতা ফাঁদে(লতাপাতা দ্বারা আবৃত গর্ত, জাল, ইত্যাদি) সে পড়ে যায়। যখনই  সে আটক হয়ে খাঁচায় ঢোকে, তখন শিকারী বা খাঁচার মালীক ছাড়া পৃথিবীর আর কোন শক্তি নেই তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। নির্দোষ হওয়া সত্বেও তার দোষ তার “দুর্ভাগ্য“। অপরদিকে অন্য বাঘ সিংহ হাতি জঙ্গলে মুক্তভাবে  ঘুরে বেড়ায়। তাদের গুন হচ্ছে তাদের “সৌভাগ্য”। অনুরূপভাবে দুর্ভাগা বাঘ সিংহ হাতির ন্যায় কেহ যদি বিচারক, প্রশাসক ও দুদকের…

Read More

বাঙ্গালীর আত্মপরিচয়, বিবর্তিত মূল্যবোধ, এবং ……….

প্রথিতযশা কয়েকজন লেখক, যাদের কেহ কেহ সাবেক ও বর্তমান পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা, কলেজ অধ্যক্ষ, ব্যারিস্টার তাদের লিখা দেশের বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয়/উপসম্পাদকীয়তে ৩১-১২-২০১৫ তারিখে ছাপা হয়। তার কয়েকটি এরূপ-বাঙ্গালীর আত্মপরিচয়:আতাউর রহমান, রম্যলেখক৷ ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক৷ বিবর্তিত মূল্যবোধ-অমিত রায় চৌধুরী: অধ্যক্ষ, ফকিরহাট ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, বাগেরহাট।বিভ্রান্তির কীট পচন ধরিয়েছে আমাদের তথ্য সম্পদেঃ ড. সা’দত হুসাইন,  সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।জনসংখ্যা বাড়ছে, কমছে মানুষ : ডক্টর তুহিন মালিক, সুপ্রিমকোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ। ঘুষ দেব না, খাব না এবং ভোগান্তি:মোস্তাফিজুর রহমান, ব্রিসবেন (অস্ট্রেলিয়া) থেকে । বাঙ্গালীর আত্মপরিচয়ের, অবনমিত মূল্যবোধ জানতে…

Read More

বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের সিংহভাগ বিচারক কাফের

জাতিধর্ম নির্বিশেষে পৃথিবীতে বিচারকের মর্যাদা সবার উপরে। পবিত্র কোরআন শরীফে বিচারকদেরকে বলা হয়েছে আল্লাহর ছায়া। পূর্ববর্তী পর্ব “ন্যায়বিচার ন্যায়ভিত্তিক সমাজের অনুষঙ্গ” , সংবিধান, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের আদেশ  এবং প্রচলিত আইন মোতাবেক বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের সিংহভাগ বিচারক কাফের। ধর্মকে বা আল্লাহকে বিশ্বাস করা কোন মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু কাফেরদের মধ্যেও তাদের সমাজে ন্যায়নীতি আছে। উন্নত বিশ্বের উন্নত ন্যায়নীতির দেশের প্রায় সকলেই কাফের(ইসলাম ধর্মানুসারে)। আড়াই হাজার বছর পূর্বের চানক্য বা তারও বহু পূর্ব হতে বিভিন্ন কায়দায় ঘুষ চালু আছে। এপ্রচলিত নেশায়(ঘুষ খাওয়া বা ইউরোপ আমেরিকা, মালয়েশিয়ার কায়দায় স্পীডমানি) আসক্ত হয়ে  কেহ ঘুষ খায়।…

Read More

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভ্যাট  

আমাদের দেশের কতিপয় ব্যক্তি ও সরকারী প্রতিষ্ঠানের, বিশেষ করে গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, REHAB, BLDA-এর কতিপয় ব্যক্তি ও কর্মকর্তার মনে হয় রাতে ঘুম হয়না এদেশের, বিশেষ করে ঢাকাবাসীর বাসস্থানের চিন্তায়। তাই তারা খাল বিল নদী নালা প্রাকৃতিক জলাশয়, জলাধার, পানি প্রবাহ, বন্যা প্রবাহ এলাকা নির্বিচারে ভরাট করে ফেলছে এবং তা করার জন্য প্রকাশ্য অনুমতি, নিরব সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যদি ১০% ভূমিও বাসস্থানের জন্য ব্যবহার করা হয়, তাহলেও আমরা দেখি যে, DAP তথা রাজউকের ১৫২৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৮(আট)কোটি লোকের বিলাসবহুলভাবে (with all amenities)বসবাস সম্ভব। এবং…

Read More

পেনড্রাইভের ভাইরাস ও দুর্নীতির ভাইরাসের আক্রমন।

পেনড্রাইভ থেকে কিছু প্রিন্ট করার আগে সাধারনতঃ দোকানের কর্মীকে জিজ্ঞেস করি তার কম্পিউটারে এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেম চালু আছে কিনা? কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ একদিন পরিচিত এক কম্পিউটার  দোকানে পেনড্রাইভটি ব্যবহার করি, যেটাতে এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেম চালু ছিলনা। ফলস্বরূপ আমার পেনড্রাইভে কয়েক হাজার ভাইরাস ঢুকে যায়। বহুবার স্ক্যান এমনকি formatting(সকল ডকুমেনট বা তথ্য পূরোপূরি delete করে ফেলা) সত্বেও পেনড্রাইভটি এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেমযুক্ত কম্পিউটারে যুক্ত করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার  হাজার হাজার ভাইরাসের সৃষ্টি হয়। এমনকি  এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেমযুক্ত কম্পিউটারেও ভাইরাস আক্রমন করে এবং তা আমার অন্য পেনড্রাইভেও আক্রমন করে। বহু কষ্ট করে বর্তমানে কিছুটা ভাইরাসমুক্ত…

Read More

পরামর্শক ফি-বৈধ দুর্নীতি বা জালিয়াতি-পদ্মা সেতু দুর্নীতি”

পরামর্শক ফিকে-অনেক ক্ষেত্রে বৈধ দুর্নীতি বা জালিয়াতি বলা যায়। বিদেশী বা আন্তর্জাতিক ঠিকাদার, টার্নকী প্রকল্পে, বড় প্রকল্পে কন্সাল্টিং ফার্ম রাখা হয়। কন্সাল্টিং ফার্মের প্রধান কাজ কার্যাদেশের শর্ত মোতাবেক ঠিকাদার কাজ করছে কিনা তা দেখা বা তদারক করা। প্রকৃতপক্ষে সিংহভাগ ক্ষেত্রেই তারা(কন্সাল্টিং ফার্ম) সেটা করেনা। কেননা কাজের ভাল মন্দের দায়িত্ব সবসময় ঠিকাদার ও গ্রাহকপক্ষের তথা সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদেরই থাকছে। নির্ধারিত কন্সাল্টিং ফি এর সাথে তদারক করার নামে তারা ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ খাচ্ছে। ঘুষ না পেলেই তারা আপত্তি তুলবে, যেখানে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তারা তাদের(কন্সাল্টিং ফার্ম) কাছে জিম্মি। সাধারন ঠিকাদারী…

Read More

পদ্মা সেতু, বিদ্যুৎ ও দুর্নীতি

দেশে বিদ্যুতের প্রচুর চাহিদা, জনসংখ্যার তূলনায় অবকাঠামোর প্রচুর অভাব। নির্বাচনী ইশতেহারে থাকুক বা না থাকুক, জনগনের সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করা রাস্ট্র/সরকার প্রধানের দায়িত্ব। ভোটের জন্য নির্বাচনী ইশতেহারে পৃথিবীর সকল দেশেই বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ব্যতিক্রম নহেন। সাবেক সাংসদ জনাব গোলাম মাওলা রনি “তারা পারেন, অথচ অন্যরা করেন না ” শিরোনামে একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, “…কিছু মানুষ ভালো কাজ করেন মূলত দুটি কারণে। প্রথমটি হলো— নিজের ব্যক্তিগত সুনাম, সমৃদ্ধি, প্রচার, প্রপাগান্ডা এবং লাভের চিন্তা।…”  প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক অজয় দাশগুপ্ত “এ জগতে হায় সেই বেশি চায়…”…

Read More

নুরুল ইসলামের পাওনা টাকা,  আমাদের কতিপয় রাজনীতিবিদ এবং সরকারী কর্মকর্তা।

নুরুল ইসলাম  এক লোকের কাছে বেশ কিছু টাকা পেতেন(সত্য ঘটনা)। কিন্তু আদায় করতে পারছিলেন না। সরল বিশ্বাসে দেওয়া টাকার কোন স্বাক্ষ্য প্রমানও নেই যে মামলা করে আদায় করবেন। তো কারো পরামর্শে তিনি টাকা আদায়ের জন্য এক প্রভাবশালী লোকের(আমাদের দৃষ্টিতে মাস্তান) স্মরনাপন্ন হলেন। সেই প্রভাবশালী লোক দেনাদারের কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে বাকী টাকা মাফ করে দিয়ে এসেছে। হতে পারত সে(প্রভাবশালী লোক) সুদ-মুনাফার কিছু টাকা খেয়ে, সুদ-মুনাফার আর কিছু টাকা অথবা সুদ-মুনাফার সব টাকা মাফ করে পাওনাদারের পূরো আসল টাকা আদায় করে দিতে পারত। সে(প্রভাবশালী লোক) এটাও করতে পারত যে, পাওনাদারকে…

Read More

নতুন DAP বা  পুরনোটি রিভিউ প্রসঙ্গে

ডিসিসি, পরিবেশ দপ্তর ও রাজউকে ঘুষ লেনদেনের পরিমান বিবেচনা না করে, এদের দুর্নীতির ফলে দেশের বা জনগনের ক্ষতি বিবেচনায় আনলে ইহা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে,  সকল সরকারী দপ্তরের দুর্নীতির ফলে দেশের বা জনগনের যে ক্ষতি হয়, ডিসিসি, পরিবেশ দপ্তর ও রাজউকের দুর্নীতির ফলে তার চেয়ে বেশী ক্ষতি হয়। আবার ডিসিসি, পরিবেশ দপ্তরের দুর্নীতির ফলে ক্ষতির চেয়ে রাজউকের দুর্নীতির দরুন ক্ষতির পরিমান বহুগুন বেশী। দেশের সকল ভূমি দস্যুর দ্বারা যে পরিমান ক্ষতি, বসুন্ধরার একক দস্যুতায় ক্ষতি তার চেয়ে বহুগুন বেশী। গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী যার সাথে সরাসরি রাজউক ও বসুন্ধরা…

Read More