ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের হাতে ধরা ওয়াকফ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক মোতাহার হোসেন খান।

অবৈধ কাজ পাপ। যখন সে অবৈধ কাজ বেশী হয়ে যায়, তাকে মহাপাপ বলে। কোন্  অবৈধ কাজ বেশী পাপ, কোন্ টা কম পাপ তা পরিমাপের কোন মাপকাঠি নেই। কমনসেন্স দ্বারা তা বুঝে নিতে হয়। বিষয়টি অনেকটা “কে ”কতগুন” বেশী মেধাবী, কে ”কতগুন” বেশী সৎ/অসৎ, কার কাজ ”কতগুন”  বেশী কঠিন, ……।- http://corruptionwatchbd.com/57-2/ “ এর মত। কারও সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্ককে অবৈধ যৌনাচার বলে, যাহা মহাপাপ। কিন্তু সে অবৈধ যৌনাচার যদি এমন কোন আপন জনের সাথে হয়, যার সাথে ধর্মে বিবাহ সম্পর্ক নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তখন সে যৌনাচারকে “অযাচার” বলে। এই অযাচার কি…

Read More

বিচারক, প্রশাসক ও দুদকের খাঁচা।

বনে জঙ্গলে মুক্তভাবে বাঘ সিংহ হাতি ঘুরে বেড়ায়, খাবারের সন্ধান করে। এটা তার স্বাভাবিক কাজ, নিত্যদিনের routine work. এ routine work-এর অংশ হিসাবে দুষ্ট শিকারির পাতা ফাঁদে(লতাপাতা দ্বারা আবৃত গর্ত, জাল, ইত্যাদি) সে পড়ে যায়। যখনই  সে আটক হয়ে খাঁচায় ঢোকে, তখন শিকারী বা খাঁচার মালীক ছাড়া পৃথিবীর আর কোন শক্তি নেই তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। নির্দোষ হওয়া সত্বেও তার দোষ তার “দুর্ভাগ্য“। অপরদিকে অন্য বাঘ সিংহ হাতি জঙ্গলে মুক্তভাবে  ঘুরে বেড়ায়। তাদের গুন হচ্ছে তাদের “সৌভাগ্য”। অনুরূপভাবে দুর্ভাগা বাঘ সিংহ হাতির ন্যায় কেহ যদি বিচারক, প্রশাসক ও দুদকের…

Read More

পেনড্রাইভের ভাইরাস ও দুর্নীতির ভাইরাসের আক্রমন।

পেনড্রাইভ থেকে কিছু প্রিন্ট করার আগে সাধারনতঃ দোকানের কর্মীকে জিজ্ঞেস করি তার কম্পিউটারে এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেম চালু আছে কিনা? কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ একদিন পরিচিত এক কম্পিউটার  দোকানে পেনড্রাইভটি ব্যবহার করি, যেটাতে এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেম চালু ছিলনা। ফলস্বরূপ আমার পেনড্রাইভে কয়েক হাজার ভাইরাস ঢুকে যায়। বহুবার স্ক্যান এমনকি formatting(সকল ডকুমেনট বা তথ্য পূরোপূরি delete করে ফেলা) সত্বেও পেনড্রাইভটি এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেমযুক্ত কম্পিউটারে যুক্ত করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার  হাজার হাজার ভাইরাসের সৃষ্টি হয়। এমনকি  এ্যান্টি ভাইরাস সিস্টেমযুক্ত কম্পিউটারেও ভাইরাস আক্রমন করে এবং তা আমার অন্য পেনড্রাইভেও আক্রমন করে। বহু কষ্ট করে বর্তমানে কিছুটা ভাইরাসমুক্ত…

Read More

পরামর্শক ফি-বৈধ দুর্নীতি বা জালিয়াতি-পদ্মা সেতু দুর্নীতি”

পরামর্শক ফিকে-অনেক ক্ষেত্রে বৈধ দুর্নীতি বা জালিয়াতি বলা যায়। বিদেশী বা আন্তর্জাতিক ঠিকাদার, টার্নকী প্রকল্পে, বড় প্রকল্পে কন্সাল্টিং ফার্ম রাখা হয়। কন্সাল্টিং ফার্মের প্রধান কাজ কার্যাদেশের শর্ত মোতাবেক ঠিকাদার কাজ করছে কিনা তা দেখা বা তদারক করা। প্রকৃতপক্ষে সিংহভাগ ক্ষেত্রেই তারা(কন্সাল্টিং ফার্ম) সেটা করেনা। কেননা কাজের ভাল মন্দের দায়িত্ব সবসময় ঠিকাদার ও গ্রাহকপক্ষের তথা সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদেরই থাকছে। নির্ধারিত কন্সাল্টিং ফি এর সাথে তদারক করার নামে তারা ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ খাচ্ছে। ঘুষ না পেলেই তারা আপত্তি তুলবে, যেখানে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মকর্তারা তাদের(কন্সাল্টিং ফার্ম) কাছে জিম্মি। সাধারন ঠিকাদারী…

Read More

পদ্মা সেতু, বিদ্যুৎ ও দুর্নীতি

দেশে বিদ্যুতের প্রচুর চাহিদা, জনসংখ্যার তূলনায় অবকাঠামোর প্রচুর অভাব। নির্বাচনী ইশতেহারে থাকুক বা না থাকুক, জনগনের সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করা রাস্ট্র/সরকার প্রধানের দায়িত্ব। ভোটের জন্য নির্বাচনী ইশতেহারে পৃথিবীর সকল দেশেই বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ব্যতিক্রম নহেন। সাবেক সাংসদ জনাব গোলাম মাওলা রনি “তারা পারেন, অথচ অন্যরা করেন না ” শিরোনামে একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, “…কিছু মানুষ ভালো কাজ করেন মূলত দুটি কারণে। প্রথমটি হলো— নিজের ব্যক্তিগত সুনাম, সমৃদ্ধি, প্রচার, প্রপাগান্ডা এবং লাভের চিন্তা।…”  প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক অজয় দাশগুপ্ত “এ জগতে হায় সেই বেশি চায়…”…

Read More

আরও ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার

২০১৩সালে বাংলাদেশ থেকে  ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।(২০১৪, ২০১৫তো রয়েই গেছে)।এ টাকা কালো টাকা। যারা পেরেছে তারা পাচার করেছে, যারা পাচার করতে পারেনি তাদের টাকা দেশেই আছে। একালো টাকার পরিমান অন্ততঃ পাচারকৃত টাকার ১০গুন বা সাড়ে ৭লাখ কোটি টাকা। সবাই আমদানী রপ্তানীর সাথে জড়িত নহে। তাই অন্যসব টাকা আন্ডার-ওভার ইনভয়েসিং-এর মাধ্যমে পাচার সম্ভব নহে। এক্ষেত্রে হুন্ডি/স্বর্ন টাকা পাচারের অন্যতম প্রক্রিয়া, যার কোন রেকর্ড নাই বা থাকেনা। Global financial integrity(GFI)-এর ডাটায় স্থানীয় সেবাখাত বা এরূপ কোন খাতের ঘুষ জাতীয় লেনদেন অন্তর্ভুক্ত নহে। তবে তারা বলেছে টাকা পাচারে ব্যবসায়ীর সাথে দুর্নীতিবাজ…

Read More

রাজউক, জেলা প্রশাসন, পূর্ত মন্ত্রনালয়, ভূমি মন্ত্রনালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও অন্যদের দূর্নীতি।

সপ্তম শ্রেনীর বীজগনিত থেকে সমীকরন(Equation) অংকের শুরু। আজকের বিজ্ঞানের অগ্রগতির বিশাল অংশ জুড়ে আছে সমীকরন। এর(সমীকরন) মূল বিষয় হচ্ছে কিছু জানা রাশি(অংক বা সংখ্যা) থেকে অজানা রাশির মান বের করা। যেমন x+y=3, x-y=1. এখানে x,y –এর মান জানা নাই(অজ্ঞাত রাশি), 1,3 এর মান জানা আছে(জ্ঞাত রাশি)। 1,3 এর সাহায্যে x,y –এর মান জানা যায়(x=2, y=1)। ২৩০০বছর পূর্বের চানক্যের অর্থনীতি শাস্ত্রেই অদৃশ্য(বা অজ্ঞাত) দুর্নীতির কথা বলা আছে। অজ্ঞাত বা প্রকাশ্যে মানুষের অদেখা(unseen) দুর্নীতিও কিন্তু বীজগনিতের সমীকরনের(Equation) সাহায্যে প্রমান করা যায়। দাপ্তরিক ডকুমেন্টের সাহায্যে  unseen দুর্নীতি প্রমান করা যায়। যেখানে  দাপ্তরিক ডকুমেন্ট…

Read More

২০ কোটি টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা

খুলনা  বিভাগীয় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের   প্রায় ১৯ কোটি ২১ লাখ টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছে  আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একটি সিন্ডিকেট। শুধুমাত্র যেখানে প্রক্কলিত দরের নিম্নে(less) উদ্ধৃত করে কাজ পাওয়া যায়, এরূপ ২-১টি ব্যতীত,(এবং আন্তর্জাতিক টেন্ডারে/টার্নকি কাজে, যেখানে আরও অনেক বেশী অর্থের কারচুপি হয়) বাংলাদেশের প্রায় ৯৯%ক্ষেত্রেই ওপেন নেগোসিয়েসনের মাধ্যমে কাজ নেওয়া হয়। এর প্রায় সকল ক্ষেত্রেই ৫০-৬০% টাকা ঠিকাদারের লাভ, দপ্তরের পার্সেন্টেজ/কমিশন, চুরি হিসেবে চলে যায়। প্রকৃত কাজ হয় ৪০-৫০%, যাতে অতি নিম্নমানের কাজ হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, এরূপ রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের প্রভাবযুক্ত ক্ষেত্রে কাজ ৩০-৪০%ও হয়না। বাকীটা ভাগ…

Read More

দশ লাখ অবৈধ রিকশা ঢাকায়। বৈধ মাত্র ৮০ হাজার, সর্বশেষ লাইসেন্স ২৮ বছর আগে-

  উপরোক্ত শিরোনামে এসংবাদটি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। উন্নত রাস্ট্রের রাজধানীতে যেখানে বৈধভাবেই কোন রিক্সা থাকার কথা নহে, সেখানে অবৈধভাবে কিভাবে এত রিক্সা ঢাকায় থাকে? এর পিছনে শুধু দায়িত্ব ঠেলাঠেলি নহে বিরাট ঘুষ-দুর্নীতি-চাঁদাবাজীর ব্যাপার আছে। মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব কয়েকলাখ সিএনজি, অটো হাইওয়েতে চলাচল বন্ধ করতে পারলে অন্যরা পারেননা কেন? দায় দায়িত্ব ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের, রাজউকের, পুলিশের, সড়ক মন্ত্রনালয়ের, নাকি অন্য কারো, ইহা কোন বিষয় নহে। যাহা অবৈধ বা বেআইনি, সেখানে পুলিশের প্রবেশ-হস্তক্ষেপ-ব্যবস্থা নেওয়া সর্বত্র-সর্বদা। বর্তমানের মন্ত্রী, এমপি, সচিব, এরূপ উচ্চপদস্থ, উচ্চ শিক্ষিত, উচ্চবিত্ত ব্যক্তিদের তখনও এখনও অনেকে…

Read More

৭ফুটXদেড়ফুট-মিটফোর্ড নার্সিং ছাত্রাবাস

বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর সংবাদে প্রকাশ :- মিটফোর্ড নার্সিং ছাত্রাবাসের ছাত্রীরা ৭ফুট বাই দেড় ফুট যায়গায় থাকেন। আরও বহু অসুবিধা(দ্রস্টব্য- মিটফোর্ড নার্সিং ছাত্রীনিবাস- Bottom of Form সাত ফুট বাই দেড় ফুট- http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/786157/   … …. …জনপ্রতি সাত ফুট বাই দেড় ফুট। নতুন ভবনের নতুন কক্ষগুলো আকারে আরও ছোট। এখানে কোনোরকমে দুজন থাকতে পারেন। থাকছেন চারজন ……..)। আমার জানা ও দেখামতে মিটফোর্ড হাসপাতালের হিসাব শাখার একজন স্টাফের অল্প বয়সে(৩০-৩২বছর বয়স) কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। কথা প্রসঙ্গে তার এক নিকটাত্মীয় জানায়, ১০কোটি টাকার একটি বিল্ডিং ৪কোটি টাকায় বানিয়ে বাকী টাকা ভাগ বাটোয়ারা…

Read More