পদ্মা সেতু, বিদ্যুৎ ও দুর্নীতি

দেশে বিদ্যুতের প্রচুর চাহিদা, জনসংখ্যার তূলনায় অবকাঠামোর প্রচুর অভাব। নির্বাচনী ইশতেহারে থাকুক বা না থাকুক, জনগনের সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করা রাস্ট্র/সরকার প্রধানের দায়িত্ব। ভোটের জন্য নির্বাচনী ইশতেহারে পৃথিবীর সকল দেশেই বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ব্যতিক্রম নহেন। সাবেক সাংসদ জনাব গোলাম মাওলা রনি “তারা পারেন, অথচ অন্যরা করেন না ” শিরোনামে একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, “…কিছু মানুষ ভালো কাজ করেন মূলত দুটি কারণে। প্রথমটি হলো— নিজের ব্যক্তিগত সুনাম, সমৃদ্ধি, প্রচার, প্রপাগান্ডা এবং লাভের চিন্তা।…”  প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক অজয় দাশগুপ্ত “এ জগতে হায় সেই বেশি চায়…”…

Read More

নুরুল ইসলামের পাওনা টাকা,  আমাদের কতিপয় রাজনীতিবিদ এবং সরকারী কর্মকর্তা।

নুরুল ইসলাম  এক লোকের কাছে বেশ কিছু টাকা পেতেন(সত্য ঘটনা)। কিন্তু আদায় করতে পারছিলেন না। সরল বিশ্বাসে দেওয়া টাকার কোন স্বাক্ষ্য প্রমানও নেই যে মামলা করে আদায় করবেন। তো কারো পরামর্শে তিনি টাকা আদায়ের জন্য এক প্রভাবশালী লোকের(আমাদের দৃষ্টিতে মাস্তান) স্মরনাপন্ন হলেন। সেই প্রভাবশালী লোক দেনাদারের কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে বাকী টাকা মাফ করে দিয়ে এসেছে। হতে পারত সে(প্রভাবশালী লোক) সুদ-মুনাফার কিছু টাকা খেয়ে, সুদ-মুনাফার আর কিছু টাকা অথবা সুদ-মুনাফার সব টাকা মাফ করে পাওনাদারের পূরো আসল টাকা আদায় করে দিতে পারত। সে(প্রভাবশালী লোক) এটাও করতে পারত যে, পাওনাদারকে…

Read More

নতুন DAP বা  পুরনোটি রিভিউ প্রসঙ্গে

ডিসিসি, পরিবেশ দপ্তর ও রাজউকে ঘুষ লেনদেনের পরিমান বিবেচনা না করে, এদের দুর্নীতির ফলে দেশের বা জনগনের ক্ষতি বিবেচনায় আনলে ইহা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে,  সকল সরকারী দপ্তরের দুর্নীতির ফলে দেশের বা জনগনের যে ক্ষতি হয়, ডিসিসি, পরিবেশ দপ্তর ও রাজউকের দুর্নীতির ফলে তার চেয়ে বেশী ক্ষতি হয়। আবার ডিসিসি, পরিবেশ দপ্তরের দুর্নীতির ফলে ক্ষতির চেয়ে রাজউকের দুর্নীতির দরুন ক্ষতির পরিমান বহুগুন বেশী। দেশের সকল ভূমি দস্যুর দ্বারা যে পরিমান ক্ষতি, বসুন্ধরার একক দস্যুতায় ক্ষতি তার চেয়ে বহুগুন বেশী। গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী যার সাথে সরাসরি রাজউক ও বসুন্ধরা…

Read More

দায়িত্ব-কর্তব্যে অবহেলা, অযোগ্যতা, অদক্ষতা, ইত্যাদি অসততার চেয়ে অনেক ভয়াবহ ও বিপজ্জনক

কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিশেষ করে সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা কর্মচারীর দায়িত্ব-কর্তব্যে অবহেলা, অযোগ্যতা, অদক্ষতা কত ভয়াবহ ও বিপজ্জনক হতে পারে তার বাস্তব উদাহরন দিতে গেলে কয়েকটি বই লিখা যাবে। সাবেক মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও চেয়ারম্যান আইন কমিশন জনাব এবিএম খায়রুল হক সত্যিই বলেছিলেন যে, কর্মকর্তার/বিচারকের দুর্বলতায় দুর্নীতিবাজ কর্মচারীরা মাথায় উঠে। তাঁহার একথা শতভাগ সত্যি। শুধু অধস্তনরা নহে, দুর্নীতিবাজ উর্ধতনরাও অধস্তনদের এ দুর্বলতার সুযোগ নেয়। তবে বিচারকের মত একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি/কর্মকর্তার দায়িত্ব-কর্তব্যে অবহেলা, অযোগ্যতা, অদক্ষতায় অপর শত শত হাজার হাজার লোকের জীবন বিপন্ন হতে পারে। নেপোলিয়ন যথার্থই বলেছেন, অসৎ লোকের…

Read More

ঘরে বসে গুগল ম্যাপ দেখে ড্যাপ তৈরী: পূর্ত মন্ত্রী

পূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন বলেছেন যে, ১৯৯৫-২০১৫সালের ঢাকার ড্যাপ(DAP-detailed area plan) ঘরে বসে গুগল ম্যাপ দেখে তৈরী করা হয়েছে। একজন মন্ত্রী যখন একথা বলেন, তখন তিনি নিশ্চিত হয়েই বলেছেন। তাহার কথা সত্য হলে, ড্যাপ তৈরীতে যে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে তা আত্মসাৎ হয়েছে, যা বিরাট দুর্নীতি। এ দুর্নীতির সাথে রাজউকের সাবেক ও বর্তমান অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ড্যাপ তৈরীতে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানসমুহ সরাসরি জড়িত। আর্থিক দুর্নীতি ছাড়াও এখানে (যদি ঢাকার ড্যাপ(DAP-detailed area plan) ঘরে বসে গুগল ম্যাপ দেখে তৈরী করা হয়ে থাকে)বিরাট নৈতিক দুর্নীতি হয়েছে। এত বড় দুর্নীতির জন্য পূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ…

Read More

জেলাজজ, জঙ্গী ও কাফের

ধর্ম-বর্ন নির্বিশেষে বিচারকের মর্যাদা সবার উপরে। ইসলাম ধর্মে বিচারককে আরও উপরে স্থান দিয়েছে। যেমন বিচারককে আল্লাহর ছায়া বলা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীপ্রাপ্তরা বিসিএসের(পূর্বে আইসিএস-সিএসপি-ইপিসিএস) মত অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে বিচারক নিয়োজিত হন। এ বিচারকরা ২০-২৫ বছর বিচারকাজ করে, অনেক অভিজ্ঞতার পর জেলাজজ হন। রাস্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রধান মন্ত্রীরা দেশের অভিভাবক। সর্বনিম্ন হতে সর্বোচ্চ পদের বিচারকরা পৃথিবীতে ন্যায়-নীতির অভিভাবক, ধারক-বাহক। জেলাজজরা তাদের ক্যাডারে ন্যায়-নীতির সর্বোচ্চ  অভিভাবক, ধারক-বাহক। ধর্ম নিয়ে যারা কাজ করেন, তারাও সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদাবান ব্যক্তি। তাদের কাজ সমাজের সকল ব্যক্তিকে উপাসনা করানোর শিক্ষা ও তাগিদ দেওয়া, ন্যায়নীতির শিক্ষা দেওয়া,…

Read More

গার্মেন্টস পল্লী ও ভূমি খেকো

৫-৬জন ভূমিখেকো ঢাকা শহরেই সরকার ও জনগনের প্রায় ৫হাজার একর ভূমি আত্মসাত-জবর দখল করেছে। এর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১.৫০লাখ কোটি টাকা। অথচ গার্মেন্টস পল্লীসহ বহু জনহিতকর কাজের জন্য জমি ও টাকা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। ভূমিখেকোদের কাছ থেকে ভূমি অথবা ক্ষতিপূরন আদায় করে, সে টাকায়  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুসারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন মেঘনা-গোমতীর তীরে মুন্সীগঞ্জের বাউসিয়ায় বিশ্বের আধুনিকতম গার্মেন্টস পল্লী করা যায়।  বিনা ভাড়ায় থাকার জন্য ১০লাখ শ্রমিকের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা যায়। বর্তমানে গার্মেন্টস রপ্তানী ২৫বিলিয়ন ডলার(২লাখ কোটি টাকা) থেকে ক্রমান্বয়ে ৫০বিলিয়ন ডলারে(৪লাখ কোটি টাকা) উন্নীত করা যায়।  পরিবার ফেলে মরুভূমিতে,…

Read More

সম্পাদকীয় – মাননীয় দুদক চেয়ারম্যান-এর দৃষ্টি আকর্ষন

ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৪২ একর খাসজমি আত্মসাতের অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অব্যাহতি দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ধীরাজ মালাকার, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (সাপ্লাই চেইন) হাবিবুর রহমান বুলবুলসহ সংশ্লিষ্টদের। ২১ এপ্রিল ২০১৫  কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে তাদের অব্যাহতি দিয়েছে দুদক। দুদক সূত্র থেকে জানা যায়, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের বনশ্রী/আফতাব নগর প্রকল্পে ৪২.১১ একর খাসজমি দখল করে। বনশ্রী/আফতাব নগর প্রকল্পে বর্তমানে এক কাঠা জমির মূল্য প্রায় কোটি টাকা। সে হিসাবে ৪২.১১ একর জমির মূল্য প্রায় ২৫২৫কোটি টাকা। (যুগান্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিম্নে আমরা পত্রিকার ক্লিপটি যুক্ত করলাম)…

Read More

আরও ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার

২০১৩সালে বাংলাদেশ থেকে  ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে।(২০১৪, ২০১৫তো রয়েই গেছে)।এ টাকা কালো টাকা। যারা পেরেছে তারা পাচার করেছে, যারা পাচার করতে পারেনি তাদের টাকা দেশেই আছে। একালো টাকার পরিমান অন্ততঃ পাচারকৃত টাকার ১০গুন বা সাড়ে ৭লাখ কোটি টাকা। সবাই আমদানী রপ্তানীর সাথে জড়িত নহে। তাই অন্যসব টাকা আন্ডার-ওভার ইনভয়েসিং-এর মাধ্যমে পাচার সম্ভব নহে। এক্ষেত্রে হুন্ডি/স্বর্ন টাকা পাচারের অন্যতম প্রক্রিয়া, যার কোন রেকর্ড নাই বা থাকেনা। Global financial integrity(GFI)-এর ডাটায় স্থানীয় সেবাখাত বা এরূপ কোন খাতের ঘুষ জাতীয় লেনদেন অন্তর্ভুক্ত নহে। তবে তারা বলেছে টাকা পাচারে ব্যবসায়ীর সাথে দুর্নীতিবাজ…

Read More

কিন্ডারগার্টেন স্কুল

ক।পঞ্চাশ সহস্রাধিক কিন্ডারগার্টেন চলছে নিবন্ধন ছাড়াই। সূত্রঃ কালের কন্ঠঃ২২-১২-২০১৩।   খ।রংপুরে কিন্ডারগার্টেনে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ের অভিযোগ। সূত্রঃ আলোকিত বাংলাদেশঃ০৯-০১-২০১৪   গ। বেপরোয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল;হাইকোর্টের আদেশ উপেক্ষিত, নীরব শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিনঃ০১-০৬-২০১৪- http://www.bd-pratidin.com/last-page/2014/06/01/9344     ঘ।এক শর্তে আটকা ৭০ হাজার কেজি স্কুলের নিবন্ধনঃ সূত্রঃ কালের কন্ঠঃ২৪-০৪-২০১৫। http://www.kalerkantho.com/home/printnews/213931/2015-04-24   ১।মোট স্কুল সংখ্যাঃ-৭০,০০০। ২।মালীকের মূলধন গড়ে ন্যুনতম:-৫০,০০,০০০/-টাকাx৭০,০০০=৩৫,০০০কোটি টাকা। ৩।শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ব্যয় গড়ে ন্যুনতম:-১,০০,০০০/-টাকাx১কোটি শিক্ষার্থী= ১,০০,০০০কোটি টাকা। ৪।বার্ষিক গড় টার্ণওভারঃ-(২+৩)=প্রায় ১,৩৫,০০০কোটি টাকা। ১,৩৫,০০০কোটি টাকার ১০%=১৩,৫০০কোটি টাকা। ৫৬ লাখ শিশু স্কুলের বাইরে–ইউনিসেফ ও ইউনেসকোর প্রতিবেদন……। http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/159847 এক লাখ শিক্ষকের কষ্টের জীবন।  http://mzamin.com/details.php?mzamin=MTQxNjI=&s=Mw…

Read More