ঘুষ : বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি

বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি বাংলাদেশের ১৬কোটি মানুষের সকলের সমানভাবে প্রয়োজন। কিন্তু কতজন কত সন্তোষজনকভাবে পেয়েছে, পেয়ে কত সন্তোষজনকভাবে তা ব্যবহার করতে পারছে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি তা তারা নিজেরাই জানে। যারা এখনও পায়নি, পাওয়ার জন্য তাদের যে আকুতি তা তারা এবং সৃষ্টিকর্তাই জানেন। সে আকুতির তীব্রতা লিখে শেষ করা যাবেনা। কেরোসিনের, মোমের, ইত্যাদির বাতির বিপরীতে বিদ্যুতের ব্যবহার এবং নানামুখী প্রয়োজন ও ব্যবহার যেমন বানিজ্যিক ও শিল্প কারখানার ব্যবহার মানুষকে তা(বিদ্যুৎ)পাওয়ার জন্য অদম্য করে তোলে বা তুলেছে। লাকড়ী বা অন্যভাবে রান্নার তূলনায় গ্যাসের ব্যবহার এককথায় আরামদায়ক ও রাজকীয়। পানি জীবনধারন,…

Read More

Private Land developer-দের দুর্নীতি ও নির্মমতা, নিষঠুরতা।

নানা কৌশলে, সুকৌশলে, কুটকৌশলে, অপকৌশলে, ২-৪-৬ বা ততোধিক আইন অমান্য করে টাকা রোজগার করতে গিয়ে কতিপয় Land developer-এর দুর্নীতি নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার পর্যায়ে পড়ে।ঢাকা শহরে বসবাসরত, প্রতিনিয়ত যাতায়াতরত কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের জন্য যে বিশুদ্ধ বাতাসের প্রয়োজন সে বাতাস নির্মল করার জন্য, জীববৈচিত্রের জন্য ঢাকার চারিদিকের প্রাকৃতিক জলাধার অক্ষুন্ন থাকা দরকার। প্রাকৃতিক জলাধারগুলো ভরাট হওয়ায় বাতাসে ভাসমান ধূলাবালি, গাড়ীর কালো ধোঁয়ার দূষিত পদার্থ শোষনের(absorption)জন্য যে পানি দরকার তা আর নেই বললেই চলে। ঢাকা শহরের বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার জন্য যে suction force দরকার, এসব প্রাকৃতিক জলাধারগুলো ভরাট করে ফেলায় সে…

Read More

রাজউকের দুর্নীতির ফাঁদ

আমরা ইতিমধ্যে রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতির মান ও পরিমান নিরুপন করতে গিয়ে দেখিয়েছি যে, বিদ্যুতের মিটার রিডারদের(যারা দুর্নীতি করে) দুর্নীতির চেয়েও রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি ও দায়িত্ব কর্তব্যে অবহেলা কয়েক হাজার গুন বেশী। তাদের(রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের)দায়িত্ব কর্তব্যে অবহেলা মানে দুর্নীতির ফাঁদ তৈরী করা। খোদ রাজউকের চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে তৈরী করা প্রতিবেদনেই দেখা যায় যে, পুরানা পল্টন, সিদ্ধেশ্বরী, মগবাজার এলাকার ৪-৫টি ভবন নির্মানে ৬-১৮তলার অনুমোদন কারচুপিতে অতিরিক্ত প্রায় ১৪৩কোটি ২০লাখ টাকার আর্থিক সুবিধা ভবন মালীক ও ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নহে, ঢাকা সিটিতে বড় ধরনের কারচুপির এরূপ কয়েক হাজার ভবন পওয়া যাবে,…

Read More

তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগ হলে দুর্নীতি কমবে

খুন, ধর্ষন, ইত্যাদি মামলার আর্জী, চার্জশীট, রায়ের কপি পাওয়া যায়। কিন্তু রাস্তায়, বিল্ডিংয়ে, বিদ্যুৎ লাইনে/কেন্দ্রে/উপকেন্দ্র, ইত্যাদিতে কি পরিমান, কি গুনাবলীর, কোন দেশের কোন কোম্পানীর মালামাল ব্যবহার করার কথা সিডিউলে উল্লেখ আছে, তা জানা যায়না, জানতে তথ্য দেয়না। বিভাগীয় মামলায়, দুদকের মামলায়  অনুসন্ধান/তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্ট পাওয়া যায়না। পাওয়া গেলে বহু নির্দোষ মানুষ বছরের পর বছর মামলার ঘানি টানতনা। গোপন তথ্য জনসাধারণের সামনে প্রকাশ করার জন্যই সরকার তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান তথ্য কমিশনার প্রফেসর ড. গোলামুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এ আইনের যথাযথ প্রয়োগ হলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে…

Read More

কে ”কতগুন” বেশী মেধাবী, কে ”কতগুন” বেশী সৎ/অসৎ, কার কাজ ”কতগুন”  বেশী কঠিন, ……।

ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিচারক, সচিব, পুলিশ, দুদক, শিক্ষক, কৃষিবিদ, ইত্যাদি পেশার ব্যক্তিগন কে কার চাইতে বেশী মেধাবী, কে কত বেশী সৎ/অসৎ, কার কাজ কত বেশী কঠিন/সহজ, ইত্যাদি তূলনা করা বা পরিমাপ করার সুনির্দিস্ট কোন স্কেল, মিটারিং ইন্সট্রুমেন্ট(instrument), ইত্যাদি নেই। কোন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন না, ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তারী পড়েন না। এভাবে সাধারনতঃ এক পেশার ব্যক্তিগন অন্য পেশার লেখাপড়া করেননা। যার ফলে কোন বিষয়ের বা কোন পেশার লেখাপড়া অন্য পেশার লেখাপড়ার চাইতে বেশী কঠিন/সহজ, ইত্যাদি পরিমাপ করা সহজ নহে। তবে অনুমান করা যায়। যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার  কৃষিবিদদের অনেকেই নিজস্ব বিষয়ে এমএস, পিএইচডি করার বাইরেও…

Read More

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি-প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে দুদক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না

দুদকের সচ্ছতা ও সক্ষমতা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “দুদক প্রভাবমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। তার উদাহরন বিভিন্ন সময়ে পাওয়া গেছে। এর আগে ব্যাংকিং সেক্টর, রিয়েল এস্টেট কোম্পানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাবমুক্ত হয়ে দুদক যে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করছে, একথা বলা যাবে না। আমাদের পর্যবেক্ষন-পরিবেশ সংরক্ষন আইন, জলাধার  আইন, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন সংক্রান্ত সকল আইন অমান্য করা ছাড়াও রেজিস্ট্রেসন ফি ফাঁকি দেওয়া, আয়কর ফাঁকি দেওয়াসহ রিয়েল এস্টেট কোম্পানিদের আওতায় নির্মিত, নির্মানাধীন ভবনে, আবাসিক এলাকায় যে অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে, তাতে ঢাকা শহর ও আশেপাশের এলাকায় অন্ততঃ ১০(দশ)লাখ দুদকের…

Read More

ইস্টার্ন হাউজিং এবং Murphy’s Law

দেশে বিদেশে অবকাঠামো নির্মানসহ এদেশের আবাসন শিল্পের পথিকৃৎ শিল্পপতি, ইসলাম গ্রুপের প্রষ্ঠিাতা, মরহুম জহুরুল ইসলাম। ইস্টার্ন হাউজিং-নামে ডেভেলপার কোম্পানীর সাহায্যে প্রচুর আবাসিক/বানিজ্যক ভবন, মার্কেট এবং আবাসিক এলাকা, যেমনঃ-পল্লবী, মহানগর, বনশ্রী, আফতাবনগর, ইত্যাদি প্রকল্প নির্মান করেন, যার অনেকগুলো এখনও চলমান। ইহা ছাড়াও জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মত জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানও নির্মান করেন। বাইরে বা সাধারনে এখনও ইস্টার্ন হাউজিং-এর প্লট-ফ্ল্যাটের মান, রুচি, ইত্যাদির প্রচুর সুনাম। এত সুনামের মধ্যেও এবং ইতিমধ্যে হাজার হাজার কোটি টাকা উপার্জন করা সত্বেও এখনও তারা অবৈধভাবে নানা কৌশলে, সুকৌশলে, কুটকৌশলে, অপকৌশলে, ২-৪-৬ বা ততোধিক আইন অমান্য করে,…

Read More

বসুন্ধরা গ্রুপ: অসুবিধা কি, কারন কি, প্রয়োজন কি?

১৯৮৭সালে বর্তমান বসুন্ধরা গ্রুপ ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিঃ নামে রাজউক থেকে ৩০৫একরের অনুমোদন নিয়ে প্রথম ল্যান্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ শুরু করে। প্রথমে হয়ত তেমন সুবিধা করতে পারেনি। কিন্তু ১৯৯৬-৯৭এর শেয়ার ব্যবসার উত্থান, তৎপরবর্তীতে প্লট-ফ্ল্যাটে কালো টাকা বিনিয়োগে রাস্ট্রীয় সুযোগের পর তাদেরকে(বসুন্ধরা গ্রুপ) আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বসুন্ধরা গ্রুপ কর্তৃক বারিধারা আবাসিক প্রকল্পের ম্যাপ ও সাইনবোর্ড দেখে অনুমান করা যায় যে, ইহার আয়তন ন্যুনতম ২৫(পঁচিশ)বর্গকিলোমিটার থেকে ৩০(ত্রিশ) বর্গকিলোমিটার। ইহাসহ চারিদিকে বিশেষ করে উত্তর-দক্ষিন-পূর্বের প্রায় ২০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ছিল চলনবিল, টাঙ্গুয়ার হাওরের মত হাওর বা বিল, যেখানে সৃষ্টির শুরু থেকে ৩০-৪০বছর…

Read More

২-৩জনে ২০-৩০জনের ঘুষ যোগায়।

ঠিকাদারী কাজে টপ-টু-বটম অনেকেই জড়িত থাকে। এদের মধ্যে কেহ সৎ থাকতে পারেন। কার্য্যাদেশের সাথে কাজের/সরবরাহের/সেবার তালীকা(ওয়ার্ক সিডিউল) সংযুক্ত থাকে। প্রায় সকল আইটেমে লিখা থাকে, “নক্সা ও ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর নির্দেশ ও সন্তুষ্টি মোতাবেক কাজটি করিতে হইবে।”  প্রকৌশল কাজের ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর(সাধারনতঃ সহকারী/উপবিভাগীয় প্রকৌশলী-AE/SDE) অধীনে তদারককারী কর্মকর্তা (সাধারনতঃ উপসহকারী প্রকৌশলী-SAE) থাকেন, যিনি সার্বক্ষনিক কার্য্যস্থলে(সাইটে) সশরীরে উপস্থিত থেকে কাজের তদারক করেন। মূলতঃ কাগজে কলমে ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও বাস্তবে উপসহকারী প্রকৌশলী কাজের মান ও পরিমানের(Quality & quantity) জন্য ১০০% এ দুজন দায়ী। এদের উপরে থাকেন দপ্তর প্রধান বা নির্বাহী প্রকৌশলী(XEN)। নির্বাহী প্রকৌশলী কাজের মান…

Read More

নিম্ন আদালতের কতিপয় বিচারক(সবাই নহে, যারা দুর্নীতি করে) নিকৃষ্টতম দুর্নীতিবাজ।

  দুর্নীতির ২টি মামলা নিষ্পত্তিতে ৪জন জেলাজজ ও তাদের অধীনস্থ কর্মচারীদের মধ্যে যে অনিয়ম দুর্নীতি আমরা দেখেছি, নিম্নে বর্নিত সকল অনিয়ম দুর্নীতি তাদের মধ্যে বিদ্যমান। সর্বোচ্চ ২-৩বছরে নিষ্পত্তিযোগ্য মামলা, ঘুষ না পেয়ে ৭-৮বছরেও নিষ্পত্তি না করে এভাবে মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব ঘটিয়ে বিচারপ্রার্থীদের জীবনীশক্তি ধ্বংস করার মাধ্যমে ৪(চার)জন জেলাজজ প্রমান করেছে তারা থাইল্যান্ডের জঙ্গলের মানবপাচারকারী/মুক্তিপন দাবীকারী মাফিয়াদের চেয়েও জঘন্য। মাফিয়ারাও মুক্তিপন দাবী করে না পেলে ভিক্টিমকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।  এ বিচারকরা শুধু মাফিয়া নহে, প্রখ্যাত সাংবাদিক জনাব মাহবুব কামালের ভাষায় এদেরকে খুনী-ধর্ষকের সমান্তরালে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো উচিৎ।…

Read More